ছোটদের উপসর্গ বেশি দেখা দিলেও কৃমি ছোট-বড় সকলের হতে পারে। পেটে কৃমি
হলে ক্ষুধা মন্দা হয়, বমি বমি লাগে, ওজন কমে যায়, রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
বাচ্চাদের কৃমির অন্যতম কারণ অপরিচ্ছন্ন-অপরিস্কার জীবনযাপন।কৃমি থেকে দূরে
থাকতে বছরে দুইবার ছয় মাস পর পর কৃমি-নাশক ঔষধ খেতে হয়। মেবেন্ডাজল এবং
এলবেন্ডাজল বহুল ব্যবহৃত কৃমি-নাশক ঔষধ। এলবেন্ডাজল গ্রুপের ঔষধের মধ্যে
রয়েছে Abentel, Alben-DS, Alba, Almex, Alphin, Azole, BEN-A, Sintel,
Estazol ইত্যাদি। আর মেবেন্ডাজল গ্রুপের ঔষধের মধ্যে রয়েছে Ermox, Panamox,
Solas, Vermizole ইত্যাদি।
মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল বেনজাইমিডাজল গ্রুপের ঔষধ। উভয়েই প্রায় সব ধরণের কৃমির বিরুদ্ধে কার্যকরী। মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল কৃমিকে গ্লুকোজ গ্রহনে বাধা দেয়। ফলে শর্করা জাতীয় খাবারের অভাবে কৃমি বেঁচে থাকার রসদ আর পায় না। আর এভাবেই মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল আমাদের শরীরের ক্ষতিকারক পরজীবি কৃমিদের মেরে ফেলে।
মেবেন্ডাজল কেবল অন্ত্রে থাকা কৃমির উপর কাজ করে এবং পায়খানার সাথে প্রায় ৯৫ ভাগ বের হয়ে আসে। তাই কেবল অন্ত্রনালীতে থাকা কৃমিসহ যাবতীয় পরজীবির উপর মেবেন্ডাজল দারুণ কাজ করে। কিন্তু টিস্যুতে কিংবা শরীরের অন্যান্য অংশে থাকা পরজীবির উপর মেবেন্ডাজল কার্যকরী নয়। টিস্যুতে বসবাস করা পরজীবি জনিত সংক্রমনের মধ্যে রয়েছে Cysticerosis এবং Hyatid cysts। যেহেতু মেবেন্ডাজল সহজেই অন্ত্রনালী থেকে পুরো শরীরে শোষিত হয় না তাই এটি তুলনামূলক কম টক্সিক। ফলে এটি শরীরের জন্যে নিরাপদও। এজন্যেই প্রেগন্যান্সির সময় এলবেন্ডাজলের পরিবর্তে মেবেন্ডাজল দেয়া হয়। গর্ভবতীর জন্যে মেবেন্ডাজল তুলনামূলক নিরাপদ বলে গন্য করা হয়।
অন্যদিকে, এলবেন্ডাজল অন্ত্র থেকে পুরো শরীরে সহজেই শোষিত হয়ে রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। এলবেন্ডাজল সিরামে বেশ ভালো মাত্রায় পৌঁছাতে সক্ষম, ফলে এটি শরীরের প্রায় সব ধরণের পরজীবির বিরুদ্ধে কার্যকরী। এলবেন্ডাজলের একটি সক্রিয় মেটাবলাইটের নাম হল এলবেন্ডাজল সালফোক্সাইড। এই মেটাবোলাইটটি সহজেই টিস্যু ও সিস্টে ছড়াতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, এলবেন্ডাজল মেটাবোলাইট Larval Cestodes এর বিরুদ্ধে কাজ করে। উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবার যেমন- বাটার, ডিমের কুসুম, ঘিয়ে ভাজা খাবার, চর্বিযুক্ত গরুর মাংস ইত্যাদির সাথে খেলে এলবেন্ডাজলের শোষন প্রায় পাচগুণ বৃদ্ধি পায়। এলবেন্ডাজল অন্ত্রের বাইরে থাকা সব হেলমিন্থ পরজীবি ঘটিত সংক্রমণ যেমন ব্রেইনে ফিতাকৃমির সংকমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
এলবেন্ডাজল নাকি মেবেন্ডাজল কোনটি ড্রাগ অফ চয়েস হবে তা নির্ভর করে সংক্রমণের প্রকার, রোগীর বয়স, রোগী কি ধরণের পরিবেশ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার ভিতর বসবাস করেন, ঔষধের পূর্বের ফলাফল ইত্যাদি বিষয়ের উপর। অনেক সময় একাধিক ধরণের কৃমি শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সংক্রমণ করে। এসকল ক্ষেত্রে চিকিৎসায় কম্বাইন্ড ড্রাগ ব্যবহৃত হয়।
আরো সাথে থাকতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন Facebook Page
মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল বেনজাইমিডাজল গ্রুপের ঔষধ। উভয়েই প্রায় সব ধরণের কৃমির বিরুদ্ধে কার্যকরী। মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল কৃমিকে গ্লুকোজ গ্রহনে বাধা দেয়। ফলে শর্করা জাতীয় খাবারের অভাবে কৃমি বেঁচে থাকার রসদ আর পায় না। আর এভাবেই মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল আমাদের শরীরের ক্ষতিকারক পরজীবি কৃমিদের মেরে ফেলে।
মেবেন্ডাজল কেবল অন্ত্রে থাকা কৃমির উপর কাজ করে এবং পায়খানার সাথে প্রায় ৯৫ ভাগ বের হয়ে আসে। তাই কেবল অন্ত্রনালীতে থাকা কৃমিসহ যাবতীয় পরজীবির উপর মেবেন্ডাজল দারুণ কাজ করে। কিন্তু টিস্যুতে কিংবা শরীরের অন্যান্য অংশে থাকা পরজীবির উপর মেবেন্ডাজল কার্যকরী নয়। টিস্যুতে বসবাস করা পরজীবি জনিত সংক্রমনের মধ্যে রয়েছে Cysticerosis এবং Hyatid cysts। যেহেতু মেবেন্ডাজল সহজেই অন্ত্রনালী থেকে পুরো শরীরে শোষিত হয় না তাই এটি তুলনামূলক কম টক্সিক। ফলে এটি শরীরের জন্যে নিরাপদও। এজন্যেই প্রেগন্যান্সির সময় এলবেন্ডাজলের পরিবর্তে মেবেন্ডাজল দেয়া হয়। গর্ভবতীর জন্যে মেবেন্ডাজল তুলনামূলক নিরাপদ বলে গন্য করা হয়।
অন্যদিকে, এলবেন্ডাজল অন্ত্র থেকে পুরো শরীরে সহজেই শোষিত হয়ে রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। এলবেন্ডাজল সিরামে বেশ ভালো মাত্রায় পৌঁছাতে সক্ষম, ফলে এটি শরীরের প্রায় সব ধরণের পরজীবির বিরুদ্ধে কার্যকরী। এলবেন্ডাজলের একটি সক্রিয় মেটাবলাইটের নাম হল এলবেন্ডাজল সালফোক্সাইড। এই মেটাবোলাইটটি সহজেই টিস্যু ও সিস্টে ছড়াতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, এলবেন্ডাজল মেটাবোলাইট Larval Cestodes এর বিরুদ্ধে কাজ করে। উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবার যেমন- বাটার, ডিমের কুসুম, ঘিয়ে ভাজা খাবার, চর্বিযুক্ত গরুর মাংস ইত্যাদির সাথে খেলে এলবেন্ডাজলের শোষন প্রায় পাচগুণ বৃদ্ধি পায়। এলবেন্ডাজল অন্ত্রের বাইরে থাকা সব হেলমিন্থ পরজীবি ঘটিত সংক্রমণ যেমন ব্রেইনে ফিতাকৃমির সংকমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
এলবেন্ডাজল নাকি মেবেন্ডাজল কোনটি ড্রাগ অফ চয়েস হবে তা নির্ভর করে সংক্রমণের প্রকার, রোগীর বয়স, রোগী কি ধরণের পরিবেশ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার ভিতর বসবাস করেন, ঔষধের পূর্বের ফলাফল ইত্যাদি বিষয়ের উপর। অনেক সময় একাধিক ধরণের কৃমি শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সংক্রমণ করে। এসকল ক্ষেত্রে চিকিৎসায় কম্বাইন্ড ড্রাগ ব্যবহৃত হয়।
আরো সাথে থাকতে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন Facebook Page




























