Showing posts with label স্ত্রীরোগ. Show all posts
Showing posts with label স্ত্রীরোগ. Show all posts

Friday, March 2, 2018

ছোটদের উপসর্গ বেশি দেখা দিলেও কৃমি ছোট-বড় সকলের হতে পারে। পেটে কৃমি হলে ক্ষুধা মন্দা হয়, বমি বমি লাগে, ওজন কমে যায়, রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। বাচ্চাদের কৃমির অন্যতম কারণ অপরিচ্ছন্ন-অপরিস্কার জীবনযাপন।কৃমি থেকে দূরে থাকতে  বছরে দুইবার ছয় মাস পর পর কৃমি-নাশক ঔষধ খেতে হয়। মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল বহুল ব্যবহৃত কৃমি-নাশক ঔষধ। এলবেন্ডাজল গ্রুপের ঔষধের মধ্যে রয়েছে Abentel, Alben-DS, Alba, Almex, Alphin, Azole, BEN-A, Sintel, Estazol ইত্যাদি। আর মেবেন্ডাজল গ্রুপের ঔষধের মধ্যে রয়েছে Ermox, Panamox, Solas, Vermizole ইত্যাদি।
মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল বেনজাইমিডাজল গ্রুপের ঔষধ। উভয়েই প্রায় সব ধরণের কৃমির বিরুদ্ধে কার্যকরী। মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল কৃমিকে গ্লুকোজ গ্রহনে বাধা দেয়। ফলে শর্করা জাতীয় খাবারের অভাবে কৃমি বেঁচে থাকার রসদ আর পায় না। আর এভাবেই মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল আমাদের শরীরের ক্ষতিকারক পরজীবি কৃমিদের মেরে ফেলে।
মেবেন্ডাজল কেবল অন্ত্রে থাকা কৃমির উপর কাজ করে এবং পায়খানার সাথে প্রায় ৯৫ ভাগ বের হয়ে আসে।  তাই কেবল অন্ত্রনালীতে থাকা কৃমিসহ যাবতীয় পরজীবির উপর মেবেন্ডাজল দারুণ কাজ করে। কিন্তু টিস্যুতে কিংবা শরীরের অন্যান্য অংশে থাকা পরজীবির উপর মেবেন্ডাজল কার্যকরী নয়। টিস্যুতে বসবাস করা পরজীবি জনিত সংক্রমনের মধ্যে রয়েছে Cysticerosis এবং Hyatid cysts। যেহেতু মেবেন্ডাজল সহজেই অন্ত্রনালী থেকে পুরো শরীরে শোষিত হয় না তাই এটি তুলনামূলক কম টক্সিক। ফলে এটি শরীরের জন্যে নিরাপদও। এজন্যেই প্রেগন্যান্সির সময় এলবেন্ডাজলের পরিবর্তে মেবেন্ডাজল দেয়া হয়। গর্ভবতীর জন্যে মেবেন্ডাজল তুলনামূলক নিরাপদ বলে গন্য করা হয়।
অন্যদিকে, এলবেন্ডাজল অন্ত্র থেকে পুরো শরীরে সহজেই শোষিত হয়ে রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। এলবেন্ডাজল সিরামে বেশ ভালো মাত্রায় পৌঁছাতে সক্ষম, ফলে এটি শরীরের প্রায় সব ধরণের পরজীবির বিরুদ্ধে কার্যকরী। এলবেন্ডাজলের একটি সক্রিয় মেটাবলাইটের নাম হল এলবেন্ডাজল সালফোক্সাইড। এই মেটাবোলাইটটি সহজেই টিস্যু ও সিস্টে ছড়াতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, এলবেন্ডাজল মেটাবোলাইট Larval Cestodes এর বিরুদ্ধে কাজ করে। উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবার যেমন- বাটার, ডিমের কুসুম, ঘিয়ে ভাজা খাবার, চর্বিযুক্ত গরুর মাংস ইত্যাদির সাথে খেলে এলবেন্ডাজলের শোষন প্রায় পাচগুণ বৃদ্ধি পায়। এলবেন্ডাজল অন্ত্রের বাইরে থাকা সব হেলমিন্থ পরজীবি ঘটিত সংক্রমণ যেমন ব্রেইনে ফিতাকৃমির সংকমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
এলবেন্ডাজল নাকি মেবেন্ডাজল কোনটি ড্রাগ অফ চয়েস হবে তা নির্ভর করে সংক্রমণের প্রকার, রোগীর বয়স, রোগী কি ধরণের পরিবেশ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার ভিতর বসবাস করেন, ঔষধের পূর্বের ফলাফল ইত্যাদি বিষয়ের উপর। অনেক সময় একাধিক ধরণের কৃমি শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সংক্রমণ করে। এসকল ক্ষেত্রে  চিকিৎসায় কম্বাইন্ড ড্রাগ ব্যবহৃত হয়।

  আরো সাথে থাকতে  আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন    Facebook Page  

Saturday, December 6, 2014

নারীর
জীবনে দু'তিনটে পর্বে পিরিয়ড
অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে।
মেনার্কি বা মেন্সট্রয়েশন শুরুর
সময়ে। এ সময় ওভারি ততটা পরিপক্ব
হয়ে ওঠে না বলে তার পূর্ণ
কর্মক্ষমতা দেখা যায় না। খেয়াল
করে দেখবেন ডেলিভারির পর ৩-৪
মাস পিরিয়ড একটু অনিয়মিত থাকে।
তবে সন্তানকে ব্রেস্ট
ফিডিং করালে এ পর্ব আরও
দীর্ঘায়িত হতে পারে। এ তো সবারই
জানা যে মধ্য বা শেষ
চল্লিশে ওভারি প্যাক আপ করার জন্য
তৈরি হয়। মেনোপজের আগে তাই
পিরিয়ড অনিয়মিত হয়।
পিরিয়ড ইরেগুলার বা অনিয়মিত
কিনা বুঝবেন কীভাবে?
উপরে উল্লেখ করা সময় ছাড়া যদি দুই
পিরিয়ডের মধ্যে ৫ সপ্তাহের
বেশি ব্যবধান হয় তবেই বুঝবেন
সমস্যা হয়েছে। তবে জীবনে অনেক
ঘটনা আছে যা যৌন হরমোনের
ব্যালান্স নষ্ট করতে পারে। তাতেও
পিরিয়ড বিঘ্নিত হয়।
স্ট্রেস :
মানসিক চাপ রিপ্রোডাকটিভ
সিস্টেমকে সহজেই প্রভাবিত করে।
পরীক্ষার সময় এমন হয়, খেয়াল
করেছেন? পিরিয়ডে একটু গোলমাল।
কখনও নিকটাত্মীয়
মারা গেলে বা দারুণ অসুস্থ হলে।
বাড়ি বদলালে অথবা চাকরি চেঞ্জ
করলেও দেখবেন
প্যাটার্নটা বদলে যায়। স্বাভাবিক
সুস্থ জীবনে ফিরে গেলেই কিন্তু সব
ঠিক হয়ে যায়।
বডি ওয়েট :
ওজন ধুম করে বাড়লে বা কমলে নর্মাল
সাইকল ব্যাহত হয়। আগে যা শরীরের
ওজন ছিল, সেখানে ফিরে গেলেও
পিরিয়ড আবার আগের
মতো স্বাভাবিক হতে একটু সময়
লাগে।
ডায়েট :
হঠাৎ ভেজিটেরিয়ান হয়ে গেলেন
বা ক্র্যাশ ডায়েট প্রোগ্রাম শুরু
করলেন। আপনি অবশ্যই
সমস্যা ডেকে আনলেন। পিরিয়ড ধুম
করে বন্ধ
হতে পারে কিংবা একেবারে অনিয়মিত
হয়ে যেতে পারে।
এক্সারসাইজ :
কথা নেই বার্তা নেই, প্রচুর ব্যায়াম
শুরু করে দিলেন। পিরিয়ডের
যে নিয়মিত চক্র, তা বিঘিœত
হতে পারে। আসলে বডি ফ্যাট হঠাৎ
কমলে হরমোনে বৈষম্যের
ফলে ওভারির ফাংশন পরিবর্তিত হয়।
ক্রনিক অসুখ :
কিছু অসুখ আছে যা লম্বা সময়
ধরে ভোগায়। যেমন ডায়াবেটিস,
থাইরয়েড, অ্যাজমা,
টিবি বা যক্ষ্মা, ক্যান্সার। পিরিয়ড
বন্ধ হয়েও যেতে পারে,
কমতে তো পারেই।
ড্রাগ :
অনেক ওষুধ রয়েছে যা নর্মাল
পিরিয়ডকে ব্যাহত করে। যেমন
অ্যান্টি-ডিপ্রেসান্ট।
লিভারে প্রতিক্রিয়ার জন্য হরমোন
লেভেলে রদবদল হয়। যেসব
কন্ট্রাসেপটিভে প্রজেস্টোরেন
রয়েছে তা থেকেও কিন্তু পিরিয়ড
অনিয়মিত হতে পারে। পিরিয়ড বন্ধও
হয়ে যায় অনেক সময়।
মনে রাখতে হবে হরমোনের
ভারসাম্যের জন্যও কিন্তু ওভ্যুলেশন
ডিসঅর্ডার দেখা দিতে পারে।
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান
সিনড্রোম :
ওভ্যুলেশনের জন্য প্রয়োজনীয়
ডিম্বাণু আদৌ ম্যাচিওর করে না।
আসলে এসব মহিলার একটা নির্দিষ্ট
প্যাটার্নে এগ বা ডিম্বাণু তৈরি হয়
না। পলিসিস্টিক কেন?
একটা আলট্রাসাউন্ড করলেই
দেখা যাবে ওভারিকে ঘিরে রেখেছে অসংখ্য
ফলিকল বা সিস্ট। ঠিক যেন মুক্তোর
মালার মতো। ডিম্বাণুর অনিয়মিত
বৃদ্ধির জন্যই পিরিয়ড বিঘ্নিত হয়।
সময়ের ঠিক থাকে না,
কবে হবে জানাও যায় না।
এরা ওভারওয়েট। ব্রণ থাকবে,
তৈলাক্ত ত্বক, মাথার চুলও কমবে।
শরীর বেশ রোমশ হয়ে যায়।
ওভারিতে হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট
হয়, পুরুষ হরমোন অ্যান্ড্রোজনের
মাত্রা বাড়ে। তাই যত বিভ্রাট।
হাইপারপ্রোল্যাকটিনিমিয়া :
চাইল্ডবার্থের পর পিটুইটরি গ্ল্যান্ড
তৈরি করে প্রোল্যাকটিন। উদ্দেশ্য
মিল্ক সিক্রিশন বাড়ানো। ব্রেস্ট
ফিড করান না এমন মহিলার
যদি প্রোল্যাকটিন বেড়ে যায়,
তাহলে পিরিয়ড বিঘ্নিত হবে।
বুকে দুধও
অস্বাভাবিকভাবে তৈরি হয়। এসব
মহিলার পিটুইটারিতে ছোট বিনাইন
টিউমার থাকাও অসম্ভব নয়।
তাতে মাথাব্যথা হবে,
চোখে দেখার সমস্যাও হতে পারে।
প্রি-ম্যাচিওর মেনোপজ :
৪৫ থেকে ৫০, এটাই মেনোপজের গড়
বয়স। ১ থেকে ২% মহিলার
ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অনেক
তাড়াতাড়ি ঘটতে পারে। এরা অসুস্থ,
এমনটা ভাবার কারণ নেই।
এরা আসলে ওভারিতে কম সংখ্যক এগ
নিয়ে জন্মান।
তবে ক্রোমোজমে বৈষম্য, ইনফেকশন,
সিস্ট/টিউমার, সার্জারি,
রেডিয়েশন
অথবা কেমোথেরাপিতে ওভারিয়ান
ফেলিওর ত্বরান্বিত হয়।
হেভি অথবা অনিয়মিত পিরিয়ড
কিন্তু আপনার ওয়েক-আপ কল। দ্রুত
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাহায্য
নিন। সঙ্গে ওবেসিটি, অস্বাভাবিক
হেয়ার গ্রোথ, মিল্ক সিক্রিশন
বা মাথা ব্যথা হলে একদম দেরি না।
ওভ্যুলেশন প্রবলেম
থাকলে যে নারী কনসিভ করার
চেষ্টা করছেন,
তাকে তো অবিলম্বে পরামর্শ নিতেই
হবে।
লেখক পরিচিতি
প্রখ্যাত প্রজনন বিশেষজ্ঞ ও
গাইনোকোলজিক্যাল
এন্ডোস্কোপিক সার্জন।
ফার্টিলিটি ট্রিটমেন্টে দক্ষতা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।
লিখেছেন-
ডা. গৌতম খাস্তগীর
চেম্বার : বার্থ, ৩৬ বি, এলগিন রোড,
কলকাতা

Wednesday, December 3, 2014

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) মতে , যে ব্যক্তির মধ্যে ইবোলা ভাইরাস রয়েছে,
তাঁকে হস্তমৈথুন ও সহবাসে বিরত থাকা অবশ্যই উচিত। এই সংস্থা আরও উপদেশ দিয়েছে,
এই ভাইরাস থেকে দূরে থাকতে অন্তত তিন মাস সহবাস থেকে এড়িয়ে চলুন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটের প্রকাশ, তিন ব্যক্তির শুক্রাণুর মধ্যে ইবোলা ভাইরাস পাওয়া গেছে।
যার মধ্যে প্রথম ব্যক্তির ৪০ দিনে, দ্বিতীয় ব্যক্তির ৬১ দিনে ও তৃতীয় ব্যক্তির ৮২ দিনের পর শুক্রাণু থেকে ভাইরাস মুক্ত হয়েছে।
তাই বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, সহবাস ও হস্তমৈথুনের মধ্যে ইবোলা ভাইরাস সংক্রামণ ছড়াতে পারে। তাই সহবাসের সময় কন্ডোম ব্যবহার করা উপদেশ দিচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। এখনও পর্যন্ত ভাইরাস ছড়ানোর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সীমিত হলেও তাঁরা একটি কথায় সহমত, শুক্রাণুর মধ্য দিয়ে ইবোলা ভাইরাস ছড়াতে পারে।

Friday, November 28, 2014

বিবারণ:

প্যারাসিটামল [ Paracitamol ] অত্যন্ত নিরাপদ এবং দ্রুত কার্যকরী
ব্যাথানাশক ও জ্বরনিবারক ঔষধ। এসপিরিন,ফেনাসিটিন ও মেটামিজলের তুলনায়
লক্ষনীয় পরিমাণে পার্শ্ব- পতিক্রিয়া মুক্ত।

নির্দেশনা :

ইনফ্লুয়েঞ্জা, সর্দিজ্বর,মাথা ব্যাখ্যা, দাত এবং কাণের ব্যাথা, বাত
ব্যাথ্যা, ঋতুস্রাবের সময় ব্যাথ্যাম, আঘাতজনিত ব্যাথ্যা ইত্যাদি কাজে
উপকারিতা।

সেবনবিধি ও মাত্রা:

সাসপেনশন:
১ বছর পর্যন্ত : ১/২ চা চামুচ দিনে ৩ থেকে ৪ বার।
১-৫ বছর পর্যন্ত : ২-৩ চা চামুচ দিনে ৩ থেকে ৪ বার।
৬-১২ বছর পর্যন্ত : ৪-৮ চা চামুচ দিনে ৩ থেকে ৪ বার।
প্রাপ্ত বয়ষ্ক: ৪-৮ চা চামুচ দিনে ৩ থেকে ৪ বার।

ট্যাবলেট :
১-২টি ট্যাবলেট ৪-৬ ঘন্টা পর পর। কিন্তু ২৪

ঘন্টায় ৮টির বেশি সেবন করা ঠিক না।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে বমি বমি ভাব,
পেট ফাপা, চামড়ায় এলার্জি দেখা দিতে পারে।


সবাধানতা :
যকৃত [ লিভার ] ো বৃক্ক [ কিডনী ] এর কার্যসম্পাদনে গরমিলের ক্ষেত্রে
সাবধানতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।

ঔষধের নাম :

Tab : Napa [ Beximco ],
Tab- Ace Squre ] ,
Tab- Excel,
Tab- Napa Extra,
Tab- Fast,
Tab – Tempac, ইত্যাদি

এগুলোর আবার সিরাপ এবং সাপোজিটরীও বাড়ারে পাওয়া যায়।

স্তন নিয়ে ভাবছেন ?
আপনার স্তন কি অনেকটা ঝুলে গেছে?
তাহলে আর নেই ভাবনা আপনাদের নিকটস্থ দোকানে গিয়ে খোজ করুন আর নিয়মিত
ব্যবহারে আপনার আপনার স্তনকে আরো আকর্ষন করুন ।

Wednesday, August 13, 2014

Papilloma Virus এ আক্রান্ত হবার কারনে এর এমন শরীরে অবস্থা। আসুন আমরা
সচেতন হয় এবং কমেন্ট , লাইক দিয়ে অন্যকে সচেতন করি।
মনে রাখবেন এই ভাইরাসটির নাম হচ্ছে Papilloma Virus।

আরো জানতে ভিজিট করুন
http://raselpharmacy.blogspot.com

Papilloma Virus এ আক্রান্ত হবার কারনে এর এমন শরীরে অবস্থা। আসুন আমরা
সচেতন হয় এবং কমেন্ট , লাইক দিয়ে অন্যকে সচেতন করি।
মনে রাখবেন এই ভাইরাসটির নাম হচ্ছে Papilloma Virus।

আরো জানতে ভিজিট করুন
http://raselpharmacy.blogspot.com

Monday, August 11, 2014

কমলার উপকারিতা
***********

প্রতিদিন একটি করে কমলা খাওয়ার অভ্যাস আপনাকে রাখবে সুস্থ-সবল ও
প্রাণবন্ত। প্রতিদিন এক গ্লাস করে কমলার জ্যুস বা একটি কমলা খাওয়ার
অভ্যাস করা বেশ কঠিন কাজ নয়। তবে জ্যুসের চেয়ে ফলটিই খাওয়া ভাল। কারণ,
কমলায় রয়েছে আঁশ, যা আমাদের বিপাকীয় প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে। কমলা কেন
খাবেন, তার ৪টি কারণ এখানে উপস্থাপন করা হলো:


* রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে :
কমলা আপনার প্রতিদিনের ভিটামিন সি'র চাহিদা পূরণ করে। একই সঙ্গে এ ফলটিতে
রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান। এ পুষ্টি
উপাদানসমূহ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ছোটবড় নানা ব্যাধি ও সংক্রমণ
থেকে সুরক্ষা দেয়।


* সুন্দর ত্বকের জন্য :
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বকও দ্রুত বুড়িয়ে যেতে শুরু করে। ভিটামিন
সি ছাড়াও কমলায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমূহ ত্বককে সতেজ ও সজীব রাখতে
সাহায্য করে। বার্ধক্যেও ত্বককে অনেকটাই মসৃণ রাখে, সহজে বলিরেখা পড়ে না।
কারণ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিস সি ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে বহু বছর।
ফলে, বয়স বাড়লেও, আপনাকে দেখাবে চিরতরুণের ন্যায়।


* চোখের জন্য :
প্রতিদিন একটি করে কমলা খাওয়ার অভ্যাস আপনার দৃষ্টিশক্তিকে ভাল রাখে।
কারণ, কমলায় রয়েছে ভিটামিন এ, সি ও পটাসিয়াম। এ ভিটামিনগুলো আপনার
দৃষ্টিশক্তির জন্য বেশ উপকারী।


* পাকস্থলীর আলসার থেকে সুরক্ষায় :
আঁশের অন্যতম উৎস কমলা পাকস্থলীকে সুস্থ রাখে। নিয়মিত কমলা খাওয়ার অভ্যাস
পাকস্থলীর আলসার ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে সুরক্ষা দেবে। পাকস্থলীকে রাখবে
সবল।


সূত্র_ ইন্টারনেট

গনোরিয়া রোগ
**********

স্বাস্থ্য ডেস্ক: গনোরিয়া এমন একটি রোগ যা কেবল যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে
এক পুরুষ থেকে অন্য নারীতে বা এক নারী থেকে অন্য পুরুষে সংক্রমিত হতে
থাকে। এ রোগের রক্তের সঙ্গে জীবাণু সংস্পর্শ খুবই কম। এটি বংশ পরম্পরায়
সংক্রামিত হয় না। সাধারণ পুরুষ বা নারীর যৌনাঙ্গে এ জীবাণু ক্ষত সৃষ্টি
করে থাকে। এ ক্ষতে পুঁজ সৃষ্টি হয়। এ পুঁজ যদি অন্য নারী বা পুরুষের
যৌনাঙ্গে স্পর্শ করে তাহলে এ জীবাণু তাদের যৌনাঙ্গে প্রবেশ করে। সেখানে
বাসা বাঁধে এবং ক্ষতের সৃষ্টি করে।

লক্ষণ : নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলেই বুঝতে হবে পুরুষ বা নারী এ রোগে
আক্রান্ত। প্রস্রাবের জ্বালা অনুভূত হতে থাকে। প্রস্রাবের পরে চাপ দিলে
সামান্য আঠা আঠা মতো পুঁজ দেখা দেয়। চিকিৎসা না করালে ধীরে ধীরে
প্রস্রাবের জ্বালা ও ব্যথা বৃদ্ধি পায়। পুরুষের ইন্দ্রিয় বাইরে ও নারীর
যোনির চারদিকে ঘা হতে দেখা যায়। এসব ঘায়ে জ্বালা ও তাতে পুঁজ হয়ে থাকে।
ক্রমশ ঘা আরও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ব্যথা বেড়ে যায়। অনেক সময় প্রস্রাব বন্ধ
হওয়ার উপক্রম হয় এবং প্রস্রবা করতে ভীষণ কষ্ট হয়। অল্প অল্প জ্বর দেখা
দেয়। জ্বরের সঙ্গে মাথাধরা, গা-হাত পা ম্যাজ ম্যাজ করা, শরীরের ভুগলে
ঋতুতে গণ্ডগোল হয়। ঋতুস্রাত বেশি হতে থাকে। কখনো মাসে দুবার হয়। আবার
কখনো ঋতুস্রাব শেষে শ্বেতস্রাব হতে থাকে।

য়াবহ ক্ষতিকর দিকগুলো : এ রোগ হলে পুরুষের চেয়ে নারীদেরই বেশি ক্ষতি হয়।
নারীর সঙ্গে তার সন্তানেরও ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি। নিচে সেদিকগুলো তুলে
ধরা হলো। নারীর ডিম্ববাহী ও নারীর ডিম্বকোষ আক্রান্ত হলে তার সন্তান জন্ম
চিরদিনের জন্য বন্ধ্য ও নারী বন্ধ্যত্ববরণ করতে পারে। কখনো কখনো গর্ভবতী
হওয়ার প্রথম অবস্থায় ওই রোগ হলে গর্ভস্থ ভ্রূণ গর্ভপাত হয়ে পড়ে যায়, তার
জরায়ু থেকে প্রচুর রক্তপাত হতে থাকে। গর্ভের শেষ অবস্থায় এ রোগ হলে
সন্তান জন্মের সময় তার চোখে রোগের পুঁজ লেগে শিশু অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

চিকিৎসা : এ রোগের খুব ভালো ওষুধ হলো সিপ্রোসিন/ এজিথ্রোমাইসিন ট্যাবলেট
খেলে ধীরে ধীরে রোগ কমে আসবে ও রোগী সুস্থ হবে। তবে অভিজ্ঞ ডাক্তারের
কাছে যাবেন এবং ব্যবস্থাপত্র নেবেন।

অন্যান্য ব্যবস্থা : যদি রোগীর জ্বর থাকে তাহলে জ্বরের জন্য হালকা খাবার
যেমন_ পাউরুটি সেঁকে বা হরলিকস প্রভৃতি হালকা ও তরল খাবার দিতে হবে। এ
রোগ হলে সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত যৌন মিলন করা যাবে না।
স্বামী-স্ত্রীকে পূর্ণ চিকিৎসা দ্বারা সুস্থ হতে হবে আগে। না হলে এর ফল
খুবই খারাপ হবে।

সুত্র : নেট

Friday, August 1, 2014

পেটে খুব গ্যাস হয়। ৮০ শতাংশ মানুষ এমন অভিযোগ করে থাকে অনেক সময়।
অধিকাংশ লোকই জানে না এর মানে কী আর কেনই বা এমন হয়।

অনেকের শাক-সবজি বেশি খেলে পেটে গ্যাস হয়। অন্ত্রের মধ্যে কিছু
ব্যাকটেরিয়া ও রাসায়নিক পদার্থ আছে, যা বিভিন্ন খাদ্য উপাদানের সঙ্গে
বিক্রিয়া করে নানা ধরনের গ্যাস উৎপন্ন করে। যেমন কার্বন ডাই-অক্সাইড,
হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, মিথেন ইত্যাদি। আবার কিছু গ্যাস দেহের রক্ত থেকে
উৎপাদিত হয়ে পেটে আসে। ল্যাকটুলোজ-জাতীয় খাবার ও বিভিন্ন ধরনের ওষুধ
পেটের রাসায়নিক বা অ্যাসিডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে বেশি গ্যাস তৈরি করে
থাকে।

স্বাভাবিকভাবে আমাদের শরীরে সাধারণত ২০০ মিলিলিটার বা গড়ে ৪৭৬ মিলিলিটার
থেকে ৬০০ মিলিলিটার পর্যন্ত গ্যাস উৎপন্ন হতে পারে, যা ঊর্ধ্বগামী বা
নিম্নগামী হয়ে ১৮ থেকে ২০ বার পর্যন্ত শরীর থেকে বের হতে পারে।

যাদের পেটে বেশি গ্যাস সৃষ্টি হয়, তাদের কিছু নিয়ম পালন করা দরকার।

খাওয়ার সময় তাড়াহুড়া করে না খেয়ে ধীরস্থিরভাবে খাবার চিবিয়ে খেতে
হবে, যাতে খাবারটা ভালোভাবে পরিপাকরসের সঙ্গে মেশে এবং হজম হয়। ধূমপান
বর্জন করুন। কেন ও কোন খাবারে গ্যাস হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন ও তা থেকে
বিরত থাকুন। বারবার ঢেকুর তুলবেন না। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা ও অস্থিরতা
থেকে দূরে থাকুন। এই বিষয়টি নিয়ে বেশি চিন্তা না করে নিজের কাজে বেশি
করে মনোনিবেশ করুন।



খ) বুক জ্বালা, বুক পুড়া ও পুড়া ঢেকুর বা অম্লের ব্যাথা হলে:
tab- Antac 150mg, Tab- Neoceptin-R 150mg, Tab- Newtack 150mg, Tab-
Renitid, Tab-Inseac 150mg, Tab- Ranidin 150mg ইত্যাদি
(যে-কোন একটি দেয়া যেতে পারে)

মাত্রা: ১টি ট্যাবলেট দৈনিক সকালে -রাতে খাবারের ১ ঘন্টার পরে বা ১ বা
আধা ঘন্টা আগে খেতে হবে।

ব্যথার জন্য দোকান থেকে ডাইক্লোফেন, ন্যাপরোক্সেন বা আইবুপ্রোফেন-জাতীয়
শক্তিশালী ব্যথানাশক বড়ি দু-একটা খেয়ে নেওয়ার অভ্যাস আছে অনেকেরই।
বিশেষ করে বাত, আথ্রাইটিস বা মাইগ্রেনের রোগীরা এ ধরনের অভ্যাসে
আক্রান্ত।কিন্তু আপনি কি জানেন, না জেনে, না বুঝে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ
ছাড়া ব্যথানাশক বড়ি খেলে কিডনি বিকলের মতো মারাত্মক বিপর্যয় ঘটে যেতে
পারে যখন-তখন? দীর্ঘদিনের ব্যথার রোগী, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের
রোগী, ধূমপায়ী, যারা ঘুমের বড়ি খেয়ে অভ্যস্ত ও বয়স্ক রোগীদের মধ্যে
এই ঝুঁকি আরও বেশি।বাজারে প্রচলিত ব্যথানাশক বড়িকে চিকিৎসকেরা এনএসএআইডি
বা নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ওষুধ বলে থাকেন। এর সব কটিই
কিডনির রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দিয়ে ক্ষতি করতে পারে। দীর্ঘদিন এসব ওষুধ খেলে
প্রস্রাবের সঙ্গে আমিষ ও রক্ত বের হওয়াসহ ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে
পারে। এ ছাড়া কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত করতে পারে, যা বোঝা যাবে
রক্তশূন্যতা, পায়ে-মুখে পানি আসা বা প্রস্রাব কমে যাওয়ার লক্ষণের
মাধ্যমে। অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ রোগীর ক্ষেত্রে মাত্র কয়েকটি বড়ি খেলেই
কিডনি বিকল হয়ে যাওয়ার মতো বিপদ হতে পারে। এসব সমস্যাকে অ্যানালজেসিক
নেফ্রোপ্যাথি বা ব্যথানাশক বড়িজনিত কিডনি সমস্যা বলে চিহ্নিত করা হয়।
তাই কথায় কথায় বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে কখনো ব্যথার ওষুধ
সেবন করবেন না। ব্যথা সারাতে রোগের কারণ চিহ্নিত করে সেই অনুযায়ী
চিকিৎসা নিন। দিনের পর দিন ব্যথার ওষুধ কোনো সমাধান হতে পারে না। -

দুর্ঘটনাসহ নানান কারণেই অনেকেই দাঁত হারাতে পারেন। কিন্তু দাঁত পড়ে
গেলে শূন্য স্থানটিতে কৃত্রিম দাঁত না লাগালে কিছু সমস্যা হতে পারে।
যেমন:
১. শূন্য স্থানটিতে পরবর্তী দাঁতগুলো হেলে পড়তে পারে। এ ছাড়া ওপরের
পাটির একটি দাঁত অনুপস্থিত থাকলে নিচের পাটির দাঁত বেড়ে ওপরের দিকে চলে
আসতে পারে। একইভাবে নিচের দাঁত না থাকলে ওপরের দাঁতও নেমে আসতে পারে।
২. খেতে অসুবিধা হতে পারে। এতে অপুষ্টিজনিত সমস্যা হতে পারে।
৩. চোয়ালের সন্ধির সমস্যা হতে পারে।
৪. সম্পূর্ণ দাঁতের গঠন বিন্যাস নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
৫. শব্দ উচ্চারণে বা কথা বলতে অসুবিধা হতে পারে।
কৃত্রিম দাঁত প্রাথমিক অবস্থায় সাময়িক অসুবিধা সৃষ্টি করলেও ধীরে ধীরে
তা দূর হয়ে যায়। নানা পদ্ধতিতে আজকাল কৃত্রিম দাঁত প্রতিস্থাপন করা
হয়।
খোলার যোগ্য কৃত্রিম দাঁত বা রিমোভেবল ডেনচার রাতে ঘুমানোর আগে খুলে
রাখতে হয়। সকালে আবার ধুয়ে ব্রাশ করে তা মুখে লাগানো হয়। ইদানীং এতে
ফ্লেক্সিবল ডেনচার ব্যবহার করা হয়, যাতে কৃত্রিম তার ব্যবহারের প্রয়োজন
হয় না বা তার দেখাও যায় না।
ফিক্সড পোরসেলিন ক্রাউন পদ্ধতিও ইদানীং জনপ্রিয় হচ্ছে। এটি একটি বা দুটি
দাঁতের সাহায্য নিয়ে স্থায়ীভাবে বসানো হয়। যেমন একটি প্রথম মলার দাঁত
অনুপস্থিত থাকলে তার এক পাশের প্রিমলারের এবং অপর পাশের দ্বিতীয় মলারের
সাহায্য নিতে হয়। অর্থাৎ একটি অনুপস্থিত দাঁতের জন্য দুটি ক্রাউন বা
মুকুট তৈরি করা হয় এবং মাঝখানে কৃত্রিম স্থায়ী দাঁত তা ধরে রাখে।
স্থায়ী দাঁত প্রতিস্থাপনের পদ্ধতিও রয়েছে। এই পদ্ধতিতে অনুপস্থিত
দাঁতের স্থানের মাড়ি সরিয়ে হাড়ের ভেতরে অস্ত্রোপচার করে ইমপ্ল্যান্টের
ওপর একটি কৃত্রিম দাঁত স্থায়ীভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়। এটি অনুপস্থিত
দাঁতের জন্য সর্বাধুনিক বিজ্ঞাসম্মত পদ্ধতি।

অধ্যাপক অরূপ রতন চৌধুরী
দন্ত বিভাগ, ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ ও বারডেম হাসপাতাল
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, আগস্ট ১৮, ২০১৩
- See more at: http://www.ebanglahealth.com/4703#sthash.o7nsN6Wk.dpuf

দাঁতের ফাঁকে বা ওপরে কালো কালো দাগ সুন্দর চেহারার বারোটা বাজিয়ে দেয়
অনেক সময়। অনেকে এই কালো দাগের জন্য প্রাণভরে হাসতেও ভয় পান। দাঁতের
ফাঁকে কালো দাগ নানা কারণে হতে পারে। সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো দন্তমল।
খাওয়ার পর বিভিন্ন খাদ্যকণা দাঁতের ফাঁকে বা মাড়িতে আটকে থাকে। দীর্ঘদিন
আটকে থাকার কারণে এর ওপর শক্ত আবরণ পড়ে, যা দন্তমলে পরিণত হয়। এ ছাড়া
ধূমপান, জর্দা, পান ও তামাক ব্যবহারে দাঁতে দাগ পড়ে।

দন্তমল কেবল দেখতে খারাপ নয়, এর ভেতরে জন্ম নেয় ও বেড়ে ওঠে অসংখ্য
জীবাণু। অনেক সময় এই জীবাণু রক্তে মিশে গিয়ে নানা বিপত্তির সৃষ্টি করতে
পারে, এমনিক গর্ভস্থ শিশুর ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলে। এ ছাড়া মুখে
দুর্গন্ধ এবং বারবার মাড়ির প্রদাহের জন্যও এটি দায়ী।

দাঁত সুন্দর ও সাদা রাখতে কিছু বিষয়ে সচেতনতা দরকার।
 দিনে অন্তত দুবার ভালো করে বেশ কিছুক্ষণ ধরে দাঁত ব্রাশ করুন।
 ব্রাশ করার আগে ডেন্টাল ফ্লস বা সুতা দিয়ে দাঁতের ফাঁকগুলো পরিষ্কার ও
জীবাণুমুক্ত করুন।
 জীবাণু দূর করে এমন মাউথওয়াশ দিয়ে মুখ কুলকুচি করুন রাতে।
 রোজ কোনো শক্ত ফল যেমন পেয়ারা, আমড়া, আপেল ইত্যাদি দাঁত দিয়ে কামড়ে
খান। তাজা শাক-সবজি যেমন গাজর, শসা, টমেটো, লেবু ইত্যাদিও দাঁত সুরক্ষার
জন্য ভালো।
 বছরে অন্তত দুবার দন্তমল দূর করার জন্য ডেন্টাল স্কেলিং করা উচিত।

২৮ অক্টোবর স্তন ক্যানসার সচেতনতা দিবস। দিবসটি সামনে রেখে নারীরা তাঁদের
নানা রকম সমস্যার কথা জানিয়েছেন। সেই সমস্যাগুলোর পরামর্শদিয়েছেন—পারভীন
শাহিদা আখতার, অধ্যাপক, মেডিকেল অনকোলজি, জাতীয় ক্যানসার গবেষণা
ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, মহাখালী, ঢাকা।

সমস্যা: আমার বয়স ৪২ বছর। আমেরিকাপ্রবাসী ছোট বোনের স্তনে টিউমার হয়েছিল।
তাই সব সময় ভয়ে থাকি। আমার নিজের কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু শুনেছি,
পরিবারের কারও থাকলে এটি হতে পারে। আমার কি প্রতিবছর ম্যামোগ্রাফি করা
উচিত?
শায়লা, ধানমন্ডি, ঢাকা।
পরামর্শ: আপনার এত আশঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। পরিবারে কারও থাকলে যে স্তন
ক্যানসার হবেই, এমন কোনো কথা নেই। মাত্র ৭ শতাংশ রোগীর পারিবারিক ইতিহাস
থাকে, বাকিদের পরিবারে না থাকলেও হচ্ছে। তবে এটা ঠিক যে স্তন ক্যানসারের
কিছু রিস্ক ফ্যাক্টর বা ঝুঁকি চিহ্নিত হয়েছে। এতে পরিবারে মা-খালা-বোনদের
ক্যানসারের ইতিহাস ছাড়াও আরও অনেক কিছু রয়েছে। যেমন—অল্প বয়সে মাসিক হওয়া
এবং দেরিতে বন্ধ হওয়া, বন্ধ্যত্ব, স্থূলতা, হরমোন ট্যাবলেট খাবার ইতিহাস
ইত্যাদি। এক বা একাধিক ঝুঁকি থেকে থাকলে একটু বাড়তি সচেতনতা দরকার বৈকি।
তবে আমাদের দেশে পাশ্চাত্যের মতো স্ক্রিনিং সিস্টেম এতটা উন্নত হয়নি।
পশ্চিমা দেশে ৪০ বছরের অধিক নারীদের এবং অস্ট্রেলিয়ায় ৫০ বছরের অধিক
নারীদের বার্ষিক ম্যামোগ্রাফি করার বন্দোবস্ত আছে। আমাদের পরিপ্রেক্ষিতে
বলব, আপনি প্রতি মাসে একবার আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে পরীক্ষা করার
অভ্যাস করুন। বছরে একবার একজন চিকিৎসকের হাতে ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা
সম্পন্ন করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনে ম্যামোগ্রাফি বা
অন্য কোনো ইমেজিংয়ের সাহায্য নিন। মনে রাখবেন, ম্যামোগ্রাফি স্তন
ক্যানসারের একমাত্র ও সন্দেহাতীত পরীক্ষা নয়। আর সে জন্যই হাত দিয়ে
পরীক্ষা করার কোনো বিকল্প নেই।

সমস্যা: আমার বয়স ২৪ বছর। আমি অবিবাহিত। মাসিকের আগে-পরে স্তনে ব্যথা
অনুভূত হয় এবং ভার ভার লাগে। এটা কি কোনো খারাপ লক্ষণ?
কুইনি, মুন্সিগঞ্জ।
পরামর্শ: শুধু স্তনে ব্যথা স্তন ক্যানসারের কোনো গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ নয়।
ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রোগ শনাক্তকরণের সময় মাত্র ১ দশমিক
২ থেকে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ রোগীর স্তনে ব্যথা থাকে। অপরদিকে ৫০ থেকে ৭০
শতাংশ নারী জীবনে কোনো না কোনো সময় নানা কারণে স্তনে ব্যথা অনুভব করতে
পারেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এর কোনো চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। ঋতুবতী নারীর
সাইক্লিক্যাল ব্যথা হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা। হরমোনের প্রভাবে
স্তন এই সময় স্ফীত হয়, দুই স্তনেই ব্যথা করে এবং ব্যথার স্থানটি
নির্দিষ্ট করা যায় না। এইচআরটি বা জন্মনিয়ন্ত্র্রণ বড়ির কারণেও এ রকম
ব্যথা হতে পারে। মানসিক চাপের কারণে অনেক সময় শরীরে হরমোনের তারতম্য হয়
এবং এ ধরনের ব্যথা হয়। কাজেই সাইক্লিক্যাল এই স্তন ব্যথা নিয়ে আদতে খুব
দুশ্চিন্তার কিছু নেই যদি না অন্য কোনো উপসর্গ, যেমন—চাকা, পিণ্ড,
বৃন্তের কোনো অস্বাভাবিকতা, ক্ষত বা তরল নিঃসৃত হওয়া ইত্যাদি সঙ্গে থাকে।

সমস্যা: আমার মেয়ে কলেজে পড়ার সময় তার বাঁ স্তনে একটা ছোট্ট দানা হয়।
চিকিৎসক বলেন, এটি ফাইব্রোএডিনোমা এবং এর চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। এমনিতেই
চলে যাবে। তিন বছর পর বর্তমানে এটি ছাড়াও ডান দিকে আরও দুটি ছোট্ট দানা
হয়েছে। এ নিয়ে আমরা খুবই শঙ্কিত। আমরা কী করতে পারি?
তাহমিনা বেগম, ঝিকাতলা, ঢাকা।
পরামর্শ: ফাইব্রোএডিনোমা দুই দিকেই হতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদিও হতে পারে।
এটি স্তনে এমন একটি সলিড টিউমার, যা থেকে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা প্রায়
নেই বললেই চলে। তা ছাড়া আপনার মেয়ের বয়সটাও তো স্তন ক্যানসারের উপযোগী
নয়, যদিও অল্প বয়সে যে এটি একেবারেই হয় না তা নয়। দানাগুলো যদি অনেক বড়
হয় এবং অসুবিধার সৃষ্টি করে, তবে সার্জারির সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।
অন্যথায় তিন বছর পর পর আলট্রাসনোগ্রাফি করে বা পরীক্ষা চালিয়ে যেতে হবে।
তবে মনে রাখবেন, ৪০ বছরের আগে অকারণে ম্যামোগ্রাফি করা উচিত নয়।

সমস্যা: স্তনে টিউমার হাতে ধরা পড়ার আগেই নাকি অনেকখানি ছড়িয়ে যায়। আগে
থেকেই বোঝার কি কোনো উপায় নেই যে আমরা সুস্থ আছি এবং ক্যানসারের কোনো
আশঙ্কা নেই?
জিনিয়া, চট্টগ্রাম।
পরামর্শ: ক্যানসার কত দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে তা নির্ভর করে তার স্বভাবের ওপর।
যেমন, ইনভেসিভ ডাকটাল কারসিনোমা যত দ্রুত ছড়ায়, অন্যরা তত দ্রুত না-ও
ছড়াতে পারে। তবে চাকা হাতে ধরার আগেই শনাক্ত করার জন্য খুব কার্যকর ও
দক্ষ স্ক্রিনিং সিস্টেম দরকার। এ জন্য টেকনোগ্রাফার থেকে শুরু করে
রেডিওলজিস্ট ও ক্লিনিসিয়ান—সবাইকেই যথাযথভাবে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত হতে হবে।
স্ক্রিনিংয়ের জন্য প্রতি মাসে নিজেকে নিজে পরীক্ষা করা, বছরে একবার
চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করানো এবং প্রয়োজনবোধে ৪০ বছরের ঊর্ধ্ব নারীদের
বছরে একবার ইমেজিং, যেমন—ম্যামোগ্রাফি, আলট্রাসাউন্ড, এমআরআই, এমআর
ম্যামোগ্রাফি ইত্যাদির সাহায্য নেওয়া যায়।

সমস্যা: স্তন ক্যানসারের সম্পূর্ণ চিকিৎসা বাংলাদেশে কি সম্ভব?
সাহানা হক, খিলগাঁও, ঢাকা।
পরামর্শ: স্তন ক্যানসার হচ্ছে সব ক্যানসারের মধ্যে এমন একটি ক্যানসার, যা
সঠিক সময়ে ধরা পড়লে এবং সঠিক চিকিৎসা করলে সম্পূর্ণরূপে নিরাময় করা
সম্ভব। সুখের বিষয় যে রোগ শনাক্তকরণ থেকে শুরু করে এর চিকিৎসা ও যথাযথ
মনিটরিং বা ফলোআপ—সবই বাংলাদেশে সম্ভব এবং সুলভ হয়েছে। রোগনির্ণয়ের জন্য
ম্যামোগ্রাফি, এমআর ম্যামোগ্রাফি, বিশেষ আলট্রাসাউন্ড, এমআরআই এমনকি পেট
সিটি স্ক্যান পর্যন্ত—সবই বাংলাদেশে হচ্ছে। শুধু স্তন টিউমার সার্জারি
করেন এমন বিশেষজ্ঞ সার্জনরাও উপযুক্ত প্রশিক্ষণ শেষে বিভিন্ন হাসপাতালে
সেবা দিচ্ছেন। আর সার্জারি-পরবর্তী চিকিৎসা, যেমন—কেমো ও রেডিওথেরাপিও
সুলভ। দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও মহাখালী জাতীয় ক্যানসার
গবেষণা ইনস্টিটিউট সব শ্রেণীর রোগীর জন্য সুলভে এসব চিকিৎসাসেবা দিয়ে
যাচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালও এ বিষয়ে মনোযোগ দিচ্ছে।


সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো,

ফোড়া হলো ত্বক এবং এর নিচের অংশে সংক্রমণের কারণে তৈরি জমা পুঁজ। শরীরে
এখানে-ওখানে অনেকের ফোড়া হতে দেখা যায়, বিশেষ করে শিশুদের।

ত্বকের নিচে প্রথমে সংক্রমণ হয়, চারপাশের ত্বক লালচে বা গোলাপি হয়ে
ওঠে, ব্যথা হয় এবং স্পর্শেই ব্যথা বাড়ে। পরে এই ফুলে ওঠা লালচে বা
বাদামি বিষফোড়ার মধ্যে হলদে বা সাদাটে রঙের পুঁজ জমে, তখন একে চিকিৎসার
ভাষায় অ্যাবসেস বলে।

ফোড়া যদি হয়…

১ : জীবাণুনাশক সাবান দিয়ে আক্রান্ত স্থান পরিষ্কার করুন।
২: একটা পরিষ্কার কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে, চিপে নিয়ে হালকাভাবে ফোড়ার
ওপর চেপে ধরলে ফোড়াটি গলে যেতে পারে।

৩: জীবাণুনাশক মলম ফোড়ার ওপর এবং চারপাশে লাগিয়ে নিন।

৪ : জোর করে নিজেই ফোড়া গলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন না। কেননা সে
ক্ষেত্রে সংক্রমণ আশপাশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। একটা সাধারণ বিষফোড়া
সাধারণত ৭ থেকে ১৪ দিনের মাথায় নিজেই গলে যায়। গলে যাওয়ার পর একটা
উষ্ণ, পরিষ্কার কাপড়ের খণ্ড বা তুলা বা গজ দিয়ে চেপে ধরে পুঁজ বের করে
আনুন। এবার অ্যান্টিবায়োটিক মলম হালকাভাবে লাগিয়ে শিথিল ব্যান্ডেজ
দিয়ে ঢেকে দিন।

৫: ফোড়া ধরার পর হাত ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নেবেন।
ব্যবহার্য টাওয়েল, পোশাক-আশাক, বিছানার চাদর ইত্যাদি গরম পানিতে ধুয়ে
ইস্ত্রি করে নেবেন, যাতে সংক্রমণ না ছড়ায়।

৬: যদি প্রায়ই মুখে-গালে ফোড়া হয়, তবে দাড়ি কামানোর পর
অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম ব্যবহার করুন।

কখন চিকিৎসককে দেখাবেন?

বারবার এবং একসঙ্গে অনেক ফোড়া হলে বা জ্বর থাকলে এবং ডায়াবেটিস বা জটিল
কোনো রোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ফোড়া হলে অ্যান্টিবায়োটিক
সেবনের আগে পুঁজ বের করে নিতে হয়।

অনেক মহিলা গর্ভধারণ এড়াতে অধিকাংশ নারী জন্মবিরতিকরণ পিল ব্যবহার করেন।
কিন্তু কিছু নিয়ম-কানুন সঠিক ভাবে না মানার কারণে গর্ভধারণ করে।
নিম্নে গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলো তুরে ধরা হলো :

১. নিয়মিত পিল না খাওয়া : নিয়মমতো পিল না খেলে এটি কাজ করবে না। অন্যান্য
হরমোন কন্ট্রাসেপ্টিভের মতোই এসব পিল নারী দেহের সংশ্লিষ্ট হরমোনের
মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। অধিকংশ পিল এস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টিন হরমোনের সমন্বয়ে
কাজ করে। পিল নিয়মিত না খেলে এসব হরমোনের ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে নারীর
ডিম্বাশয় আগের মতোই উর্বর হয়ে ওঠে বলে জানান ইউনিভার্সিটি অব
ক্যালিফোর্নিয়ার গাইনেকোলজির প্রফেসর ফিলিপ ডার্নে।

২. সময়মতো পিল না খাওয়া : বিজ্ঞানীরা ওরাল হরমোন ডোজকে নিরাপদ করতে
গবেষণা চালিয়েছেন। প্রোজেস্টরেন-এস্ট্রোজেন পিলের কার্যকারিতা পেতে হলে ৬
ঘণ্টা থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবহার করতে হবে। প্রোজেস্টরেন পিল ব্যবহার
করতে হবে প্রতিদিনের ভিত্তিতে। একদিন বাদ পড়লে দেহে হরমোনের মাত্রা কমে
যেতে পারে বলে জানান প্ল্যান্ড প্যারেন্টহুড অব আমেরিকার ভাইস
প্রেসিডেন্ট ভেনেসা কুলিনস।

৩. বিশেষ চিকিৎসা অবস্থায় : কিছু বিশেষ চিকিৎসাপদ্ধতির জন্য এসব পিল কাজ করে না।
যেমন- টিউবারকুলোসিসের জন্য রিফাডিন চিকিৎসা, গ্রিসেওফালভিনের জন্য
অ্যান্টি-ফানগাল ড্রাগ ইত্যাদির ক্ষেত্রে পিল কার্যকারিতা দেখাতে পারে
না। তাই চিকিৎসকদের এসব ওষুধ নেওয়ার ক্ষেত্রে পিলের বিষয়ে পরামর্শ দিতে
হবে।

৪. হার্বাল সাপ্লিমেন্ট : যেকোনো হার্বাল সাপ্লিমেন্টের কারণে গর্ভনিরোধক
পিলের কার্যকারিতা নষ্ট হতে পারে। এ জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
বিশেষ ওষুধ ও হার্বাল সাপ্লিমেন্টের কারণে গর্ভনিরোধনে ব্যাকআপ ব্যবস্থার
কথাও বলেন বিশেষজ্ঞরা।

Wednesday, July 30, 2014

Raselpharmacy


গর্ভধারণ কারে কয়েকটি সাধারণ পরিবর্তন দেখা যায়।
সাধারণত গর্ভ গুরু হয় পরিপক্ব ডিম্ব ও একটি শুক্রের মিলনের ফলে। এ প্রক্রিয়াকে নিষিক্তকরণ বলে। সহবাসের সময় শুক্রকীট স্ত্রীর যোনিতে পতিত হয় এবং তা জরায়ুর ভিতর দিয়ে ডিম্ববাহী নালীর মধ্যে প্রবেশ করে পরিপক্ ডিম্বের সাথে মিলিত হয়ে ডিম্বকে নিষিক্ত করে এবং তা নিষিক্ত ডিম্ব ধীরে ধীরে নালী দিয়ে ৫-৭ দিন পর জরায়ুতে ফিরে আসে এবং গর্ভ সঞ্চার করে।



একটি মহিলার ১২-১৫ বছর বছরের মধ্যেই তার মাসিক বা ঋতুচক্র শুরু হয় এবং৪৫-৪৯ বছর পর্যন্ত চলতে থাকে। প্রতি ২৮-৩১ দিন পর পর চক্রাকারে এ ঋতুচক্র চলে। প্রতিমাসে ডিম্বাশয় হতে একটি ডিম্ব পরিপক্ব হয়ে বের হয়ে আসে। দাপ্তত্য জীবন শুরু হওয়ার সাথে সাথেই সহবাসের ফলে পুরুষের শুক্রকীট জরায়ুর ভিতর দিয়ে ডিম্ববাহী নালীতে প্রবেশ করে এবং সেখানে ডিম্বের সাথে একত্রিত হয়ে বিম্বের সাথে নিষিক্ত হয়।এ নিষিক্তকরণ হবার ফলে ভ্রণের সৃষ্টি হয় একেই গর্ভধারণ বলে।

তলপেটে ব্যাথ্যা হলে:

Tab- Nospa,

Tab-Spam,

Tab-Espa, Tab-Dot

মাত্রা: ১টি ট্যাবলেট দিনে ৩ বার

এতেও না কমলে Tab- Gestanin খেতে হবে ১টি

ট্যাবলেট সকালে ও রাতে ।

ব্রন নিয়ে ভাবছেন,
_---------__------
কোন চিন্তা করার কারণ নাই, ব্রন থেকে মুক্তি পেতে
Freshlook Gel ব্যাবহার করুন, প্রতিদিন একবার তাহলে ১ সপ্তাহের মধ্যে এর
ফলাফল বুঝতে পারবেন।

আরো জানতে ভিজিট করুন এবং লাইক দিন
www.facebook.com/Raselpharmacy

www.raselpharmacy.blogspot.com

Tuesday, July 8, 2014

মানব দেহ
.......................



 < পূরূদের দেহ









Unordered List

Flag Counter

Admission Open

Visitor

Online


widgeo.net

ফেসবুকে পেজ

প্রয়োজনিয় ঠিকানা

Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks

Test

NEW LAUNCHED

Powered by Blogger.

Earn

তাপমাত্রা

Followers

About Me

My Photo
রাসেল ফার্মেসী রাণীহাটি বাজার, মন্ত্রী মার্কেট, শিবগঞ্জ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এই www.raselpharmacy.blogspot.com (রাসেল ফার্মেসী ) ব্লগটি স্বাস্থ্য বিষয় সচেতনতা মুলক টিপস নিয়ে সাজানো হয়েছে । যা আসা করি আপনাদের কাজে আসবে । আপানর যে কোন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা আমদের খুলে বলুন। আমরা চেষ্টা করব এর সমাধান দিতে। এছাড়াও ফেসবুকে পেতে ভিজিট করুন https://www.facebook.com/Raselpharmacy

Featured Posts

Popular Posts

Recent Post

Blogger Tips and TricksLatest Tips For BloggersBlogger Tricks

Just Click To Earn Money

Count Posts & Comments

আপনার এই ব্লগটি কেমন লেগেছে ?

Text Widget

এই ব্লগের লেখা নিজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিভিন্ন বই,ওয়েবসাইট ও ব্লগ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।

Rolling Pictures

বিজ্ঞাপন

0

Add