Sunday, August 24, 2014

১। পুরুষাঙ্গের সামনের বা মাথার দিকে যে অতিরিক্ত স্কিন পুরুষাঙ্গের
সংবেদনশীল মাথাকে ঢেকে রাখে, তা কর্তন করাকে খতনা বা মুসলমানি করা
বোঝায়।

২। খতনা বা মুসলমানি করার প্রয়োজনীয়তা :
(ক) ধর্মীয় কারণে মুসলমান ও খ্রিষ্টানেরা খতনা করান।
(খ) ফাইমোসিস বা প্যারাফাইমোসিস রোগ হলে খতনা বা মুসলমানি করাতে হয়।
ফাইমোসিস হলো পুরুষাঙ্গের মাথার দিকের চামড়া যদি এমনভাবে মূত্রনালীকে
ঢেকে রাখে যে শিশু বা রোগীর প্রস্রাব ঠিকমতো বের হতে পারে না। এর ফলে
প্রস্রাবের সময় কান্নাকাটি করে এবং প্রস্রাবের সময় মাথাটা ফুলে ওঠে।
এভাবে বেশি দিন চলতে থাকলে প্রস্রাবে ইনফেকশন ও কিডনি ফেইলিউর হতে পারে।
প্যারাফাইমোসিস : পুরুষাঙ্গের মাথার দিকের চামড়া উল্টে টাইট হয়ে যায়।
এর ফলে চামড়াকে আর সামনে ও পেছনের দিকে নাড়াচাড়া করা যায় না। এ
ক্ষেত্রে মাথার দিকে ফুলে যায় এবং রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়। এই উভয়
ক্ষেত্রেই জরুরি ভিত্তিতে খতনা করা প্রয়োজন। আরো নানাবিধ কারণে খতনা
দরকার হয়, যেমনÑ পুরুষাঙ্গের চামড়া অনেক সময় প্যান্টের চেইনের সাথে
আটকে গেলে। রোগী চাইলেও যেকোনো ধর্মাবলম্বী লোকের খতনা করা হয়।

৩। খতনা বা মুসলমানি করালে কী উপকারিতা :
পুরুষাঙ্গের ক্যান্সার মুসলমান ও খ্রিষ্টানদের মধ্যে নেই বললেই চলে। তার
প্রধান কারণ খতনা। পুরুষাঙ্গের মাথার বাড়তি চামড়ার নিচে সাদা এক ধরনের
পদার্থ (স্মেগমা) জমে এবং এই স্মেগমাই পুরুষাঙ্গের ক্যান্সারের জন্য
দায়ী।

৪। কখন খতনা করা যাবে না : হাইপোসপেভিয়াসিন রোগ। হাইপোসপেভিয়াসিস এটি
পুরুষাঙ্গের জন্মগত ত্রুটি। এখানে মনে হবে শিশু জন্মগতভাবে খতনা হয়ে
এসেছে। এ ক্ষেতে পুুরুষাঙ্গের বাড়তি চামড়া এই জন্মগত ত্রুটি মেরামতের
সময় প্রয়োজন হয়। তাই খতনা করানো নিষেধ।

৫। খতনা করার আগে রক্ত পরীক্ষা করার প্রয়োজন আছে কি? অবশ্যই আছে। খতনার
পর কিছু খতনার রোগীর ব্লিডিং বন্ধ হয় না এবং মরণাপন্ন অবস্থায় আমাদের
কাছে হাজামরা পাঠায়। তাই খতনার আগে শিশুর অবশ্যই রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা
(জন্মগত) আছে কি না, তা দেখে নিতে হবে।

৬। খতনা করার পর কী কী জটিলতা দেখা দিতে পারে : Ñ রক্তক্ষরণ বন্ধ না
হওয়া। Ñ হাজাম বা অনভিজ্ঞতার কারণে অতিরিক্ত বা কম চামড়া কেটে ফেলা। Ñ
পুরুষাঙ্গের সংবেদনশীল মাথা কেটে ফেলা। হাজামরা খতনা করে ব্লাইন্ডলি
অর্থাৎ মাথার অগ্রভাগে চামড়া মাথা থেকে সঠিকমতো না ছাড়িয়ে না দেখে
কেটে ফেলতে গিয়ে এ ধরনের মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটিয়ে থাকে। ইংল্যান্ডসহ
পৃথিবীর সব দেশে এই খতনাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হয়

Tuesday, August 19, 2014

আনারসের উপকারিতা
*************
এসময়ের ফলগুলোর মধ্যে আনারস অন্যতম। আনারসের স্বাদটি একটু ভিন্ন ধরণের
হওয়াতে অনেকেরই এটি একটি পছন্দের ফল। আর গ্রীষ্মের অন্যান্য ফলের মত
আনারসেরও আছে বেশ কিছু পুষ্টিগুণ। গুণগুলো জানা থাকলে আনারস খাওয়াতে আপনি
আরো আগ্রহী হয়ে উঠবেন, এতে কোন সন্দেহ নেই।

১) দাঁতের মাড়ি ভাল রেখে নিঃশ্বাস সতেজ রাখেঃ
আনারসে ভিটামিন সি ও ম্যাংগানিজ রয়েছে। যা দাঁতের মাড়ির জন্যে খুবই
উপকারী। দাঁতের মাড়ির যে টিস্যুগুলো রয়েছে আনারস খাওয়ার কারণে তা ভাল
থাকে। ফলে দাঁত এবং মাড়ির বিভিন্ন রোগ থেকে বেঁচে থাকা যায়, সাথে
নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ কমে আসে। তাই দাঁত নিয়ে যারা বেশি মাত্রায় সচেতন
আনারস তাদের জন্যে অনেক উপকারী।

২) চোখের যত্নেঃ
আনারসে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন 'এ' এবং বিটা ক্যারোটিন। যা Macular
Degeneration নামে চোখের রেটিনার একটি রোগ থেকে চোখকে রক্ষা করে। এই
রোগের কারণে চোখের দৃষ্টি সীমায় নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। আর এই রোগ
প্রতিরোধে আনারস কার্যকর ভুমিকা পালন করে। তাই চোখের রেটিনা সুস্থ রাখতে
আমাদের সকলেরই আনারস খাওয়া দরকার।

৩) হজমে সহায়তাঃ
আনারসে ভিটামিন বি-৬ ছাড়াও রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম। এসব
কিছুই হজম শক্তি বাড়াতে দারুণ সাহায্য করে। হজমের নানা সমস্যায় যারা
ভুগছেন তাদের জন্য আনারস বা আনারসের জুস খুবই দরকারি।

৪) কণ্ঠনালির সংক্রমণ রোধঃ
আনারসে রয়েছে Bromelain নামের একটি উপাদান। যা আমাদের কণ্ঠনালীর নানা
সমস্যা থেকে রক্ষা করে। এটির দ্বারা সর্দি, কাশি, কফ ইত্যাদি সমস্যা
থেকেও রেহাই পাওয়া যায়। চিকিৎসকদের মতে, কণ্ঠনালীর সমস্যায় দ্রুত উপকার
পেতে আনারসের জুস খাওয়াটা অধিক কার্যকর।

৫) হাড় গঠনে ও হাড়ের নানা রোগ প্রতিরোধেঃ
আনারসের এই গুণটিই কিন্তু সবচেয়ে কার্যকরী। আনারস হাড় মজবুত করতে সাহায্য
করে। এর কারণ আনারসে থাকা ম্যাংগানিজ। যা হাড় গঠনে দরকারি। আমাদের শরীরে
যতটুকু ম্যাংগানিজ দরকার এক কাপ আনারসে তার ৭৩% পাওয়া যায়। হাড় মজবুত
করার পাশাপাশি এটি আর্থ্রাইটিস গেঁটে বাত, কব্জির হাড়ের নানা রোগ উপশমে
সাহায্য করে।

ষুত্র- পরামর্শ

পেয়ারা
*****
পেয়ারাকে (guava) ভিটামিনের গুপ্তধন বলা যায়। এতে রয়েছে Anti-oxidant সহ
নানা ধরণের ভিটামিন, যা আমাদের শরীরের বিভিন্ন উপকার করে থাকে। এজন্যেই
তো পেয়ারাকে 'super food' বলে ডাকা হয়। এই super food-টি কেন আপনাকে
খেতেই হবে জেনে নিন তা।
১) ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে খান পেয়ারা (Guava against diabetes)

পেয়ারাতে পেকটিন নামের দ্রবণীয় ফাইবার রয়েছে যা রক্তে চিনির মাত্রা সঠিক
পর্যায়ে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে
পেয়ারা টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কার্যকর ভুমিকা পালন করে। তাই
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি প্রতিরোধে প্রতিদিন খান একটি করে পেয়ারা।
২) থাইরয়েড কার্যক্ষম রাখুন (Guava keeps your thyroid gland active)

থাইরয়েড আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি গ্রন্থি, যা হরমোন
উৎপন্ন করে এবং শরীরের নানা কার্যপ্রক্রিয়ায় অংশগ্রহন করে। পেয়ারা কপারের
একটি অন্যতম উৎস যা থাইরয়েডের মেটাবোলিজম (metabolism) প্রক্রিয়ার জন্যে
জরুরি। এজন্যেই থাইরয়েডকে কার্যক্ষম করে তুলতে আপনার খাদ্যতালিকায় পেয়ারা
রাখতেই হবে।
৩) মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে নিন (Guava can boost your brain activity)

পেয়ারার দুটি অসাধারণ উপাদান হচ্ছে ভিটামিন বি-৩ (niacin) এবং ভিটামিন
বি-৬। এ দুইটি ভিটামিন স্নায়ুতন্ত্রে (nervous system) এবং মস্তিষ্কে
প্রয়োজনীয় পুষ্টি (nutrients) সরবরাহ করে এসবের কার্যক্ষমতা বাড়াতে
সাহায্য করে। তাই খাবারের তালিকায় অবশ্যই রাখুন পেয়ারা।
৪) স্কার্ভি নামক রোগ থেকে বেঁচে থাকুন (Avoid scarvy by eating guava)

পেয়ারাতে কমলার চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি ভিটামিন 'সি' থাকে। আর ভিটামিন 'সি'
স্কার্ভি নামক ভয়াবহ রোগ থেকে রক্ষা করে। এখন পর্যন্ত জানা উপায়গুলোর
মধ্যে স্কার্ভি (scarvy) প্রতিরোধে একমাত্র উপায় ভিটামিন 'সি' আর ভিটামিন
'সি' এর অন্যতম উৎস পেয়ারা। তাই স্কার্ভির মত রোগ থেকে বেঁচে থাকতে
সাহায্য নিন পেয়ারার।
৫) চোখের দৃষ্টি স্বাভাবিক রাখুন (Eat guava for clear eyesight)

চোখের সুস্বাস্থ্যের জন্যে ভিটামিন 'এ' খুবই উপকারী। আর পেয়ারাতে এই
ভিটামিনটি প্রচুর পরিমাণে থাকার কারণে পেয়ারা চোখ ভাল রাখতে এবং চোখের
ছানি, Macular degeneration মত রোগ প্রতিরোধ করে থাকে।

এছাড়াও পেয়ারার নানা গুণ (health benefits) রয়েছে যা বলে শেষ করা যাবে
না। ত্বক ভাল রাখতে, ঠাণ্ডা সর্দি উপশমে, কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে পেয়ারা
অসাধারণ ভুমিকা পালন করে। তাই আজই এই উপকারী দেশীয় ফলটি যোগ করে নিন
আপনার খাদ্যতালিকায়।



সুত্র:poramorsho.

কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল। এটি আমরা সবাই জানি। যেটি জানি না সেটা হচ্ছে
কাঁঠালের আছে বেশ কিছু অসাধারণ উপকার। যা জানলে কাঁঠাল খাওয়াটা আপনার
কাছে আরো বেশি উপভোগ্য হয়ে উঠবে। তবে আসুন একবার চোখ বুলিয়ে ফেলি
কাঁঠালের পুষ্টিগুণের উপর।

১) কর্মশক্তি বাড়ায়ঃ
কাঁঠালে আছে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট এবং ক্যালোরি। এছাড়াও এতে আছে
সুক্রোজ, ফ্রুক্টজ, যা শরীরে খুব দ্রুত শক্তি যোগায়। কাঁঠালে কোলেস্টেরল
নেই। তাই এটি একটি নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর ফল।

২) রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করেঃ
কাঁঠালে প্রচুর পটাশিয়াম থাকে। পটাশিয়াম সোডিয়াম লেবেল, ফ্লুয়িড লেবেল
নিয়ন্ত্রণ করে থাকে যার মাধ্যমে শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের (electrolyte)
ভারসাম্য রক্ষা হয়। যার ফলে এটি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং স্ট্রোক ও
হার্ট এটাকের ঝুঁকি কমায়। তাই যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তারা কাঁঠাল খেয়ে
দেখতে পারেন।

৩) চোখ ভাল রাখেঃ
ভিটামিন 'এ' চোখের জন্যে খুবই উপকারী একটি ভিটামিন। আর কাঁঠালে এই
ভিটামিনটি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এছাড়া যেহেতু কাঁঠালে প্রচুর
পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তাই এর ফলে চোখের রেটিনাও সুস্থ থাকে।
যারা চোখ সুস্থ রাখতে চান তারা অনায়াসে কাঁঠাল খেতে পারেন।

৪) রক্তস্বল্পতা রোধেঃ
কাঁঠালে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, ই, কে, নিয়াচিন, ফলেট, ভিটামিন বি-৬।
এছাড়াও আছে বিভিন্ন ধরণের মিনারেল যেমনঃ কপার, ম্যাংগানিজ, ম্যাগনেসিয়াম
যা রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে। তাই এটি রক্তস্বল্পতা রোধে দারুণ ভুমিকা
রাখে। যারা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন তাদের জন্যে কাঁঠাল উপকারি হবে এতে কোন
সন্দেহ নেই।

৫) হাড় গঠনেঃ
কাঁঠালে ক্যালসিয়ামের আধিক্যের জন্যে এটি হাড়ের গঠন সুদৃঢ় করে। এটি
অস্টেওপরোসিস (osteoporosis) নামে হাড়ের রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
তাই যে কেউ হাড় মজবুত করার জন্যে নিতে পারেন জাতীয় ফলের সাহায্য।

৬) ক্যান্সার রোধে অনন্যঃ
কাঁঠালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সাথে রয়েছে phytonutrients এবং flavonoid
যা ক্যান্সার রোধে কার্যকর ভুমিকা পালন করে। কোলন, ফুসফুস এবং মুখগহ্বরের
ক্যান্সার থেকে রক্ষা করার দারুণ গুণ আছে কাঁঠালের। তাই ক্যান্সার থেকে
যারা বেঁচে থাকতে চান তারা কাঁঠাল খেতে মিস করবেন না।

(৭) গর্ভবতী কিংবা সদ্য মা হওয়া নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায়
চিকিৎৎসা শাস্ত্রমতে প্রতিদিন ২০০ গ্রাম তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে গর্ভবতী
মহিলা ও তার গর্ভধারণকৃত শিশুর সব ধরনের পুষ্টির অভাব দূর হয়। গর্ভবতী
মহিলারা কাঁঠাল খেলে তার স্বাস্থ্য স্বাভাবিক থাকে এবং গর্ভস্থ সন্তানের
বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয়। দুগ্ধদানকারী মা তাজা পাকা কাঁঠাল খেলে দুধের
পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

ষুত্র- poramorsho

Wednesday, August 13, 2014

Papilloma Virus এ আক্রান্ত হবার কারনে এর এমন শরীরে অবস্থা। আসুন আমরা
সচেতন হয় এবং কমেন্ট , লাইক দিয়ে অন্যকে সচেতন করি।
মনে রাখবেন এই ভাইরাসটির নাম হচ্ছে Papilloma Virus।

আরো জানতে ভিজিট করুন
http://raselpharmacy.blogspot.com

Papilloma Virus এ আক্রান্ত হবার কারনে এর এমন শরীরে অবস্থা। আসুন আমরা
সচেতন হয় এবং কমেন্ট , লাইক দিয়ে অন্যকে সচেতন করি।
মনে রাখবেন এই ভাইরাসটির নাম হচ্ছে Papilloma Virus।

আরো জানতে ভিজিট করুন
http://raselpharmacy.blogspot.com

Monday, August 11, 2014

কমলার উপকারিতা
***********

প্রতিদিন একটি করে কমলা খাওয়ার অভ্যাস আপনাকে রাখবে সুস্থ-সবল ও
প্রাণবন্ত। প্রতিদিন এক গ্লাস করে কমলার জ্যুস বা একটি কমলা খাওয়ার
অভ্যাস করা বেশ কঠিন কাজ নয়। তবে জ্যুসের চেয়ে ফলটিই খাওয়া ভাল। কারণ,
কমলায় রয়েছে আঁশ, যা আমাদের বিপাকীয় প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে। কমলা কেন
খাবেন, তার ৪টি কারণ এখানে উপস্থাপন করা হলো:


* রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে :
কমলা আপনার প্রতিদিনের ভিটামিন সি'র চাহিদা পূরণ করে। একই সঙ্গে এ ফলটিতে
রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান। এ পুষ্টি
উপাদানসমূহ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ছোটবড় নানা ব্যাধি ও সংক্রমণ
থেকে সুরক্ষা দেয়।


* সুন্দর ত্বকের জন্য :
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ত্বকও দ্রুত বুড়িয়ে যেতে শুরু করে। ভিটামিন
সি ছাড়াও কমলায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমূহ ত্বককে সতেজ ও সজীব রাখতে
সাহায্য করে। বার্ধক্যেও ত্বককে অনেকটাই মসৃণ রাখে, সহজে বলিরেখা পড়ে না।
কারণ, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও ভিটামিস সি ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে বহু বছর।
ফলে, বয়স বাড়লেও, আপনাকে দেখাবে চিরতরুণের ন্যায়।


* চোখের জন্য :
প্রতিদিন একটি করে কমলা খাওয়ার অভ্যাস আপনার দৃষ্টিশক্তিকে ভাল রাখে।
কারণ, কমলায় রয়েছে ভিটামিন এ, সি ও পটাসিয়াম। এ ভিটামিনগুলো আপনার
দৃষ্টিশক্তির জন্য বেশ উপকারী।


* পাকস্থলীর আলসার থেকে সুরক্ষায় :
আঁশের অন্যতম উৎস কমলা পাকস্থলীকে সুস্থ রাখে। নিয়মিত কমলা খাওয়ার অভ্যাস
পাকস্থলীর আলসার ও কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে সুরক্ষা দেবে। পাকস্থলীকে রাখবে
সবল।


সূত্র_ ইন্টারনেট

গনোরিয়া রোগ
**********

স্বাস্থ্য ডেস্ক: গনোরিয়া এমন একটি রোগ যা কেবল যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে
এক পুরুষ থেকে অন্য নারীতে বা এক নারী থেকে অন্য পুরুষে সংক্রমিত হতে
থাকে। এ রোগের রক্তের সঙ্গে জীবাণু সংস্পর্শ খুবই কম। এটি বংশ পরম্পরায়
সংক্রামিত হয় না। সাধারণ পুরুষ বা নারীর যৌনাঙ্গে এ জীবাণু ক্ষত সৃষ্টি
করে থাকে। এ ক্ষতে পুঁজ সৃষ্টি হয়। এ পুঁজ যদি অন্য নারী বা পুরুষের
যৌনাঙ্গে স্পর্শ করে তাহলে এ জীবাণু তাদের যৌনাঙ্গে প্রবেশ করে। সেখানে
বাসা বাঁধে এবং ক্ষতের সৃষ্টি করে।

লক্ষণ : নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলেই বুঝতে হবে পুরুষ বা নারী এ রোগে
আক্রান্ত। প্রস্রাবের জ্বালা অনুভূত হতে থাকে। প্রস্রাবের পরে চাপ দিলে
সামান্য আঠা আঠা মতো পুঁজ দেখা দেয়। চিকিৎসা না করালে ধীরে ধীরে
প্রস্রাবের জ্বালা ও ব্যথা বৃদ্ধি পায়। পুরুষের ইন্দ্রিয় বাইরে ও নারীর
যোনির চারদিকে ঘা হতে দেখা যায়। এসব ঘায়ে জ্বালা ও তাতে পুঁজ হয়ে থাকে।
ক্রমশ ঘা আরও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ব্যথা বেড়ে যায়। অনেক সময় প্রস্রাব বন্ধ
হওয়ার উপক্রম হয় এবং প্রস্রবা করতে ভীষণ কষ্ট হয়। অল্প অল্প জ্বর দেখা
দেয়। জ্বরের সঙ্গে মাথাধরা, গা-হাত পা ম্যাজ ম্যাজ করা, শরীরের ভুগলে
ঋতুতে গণ্ডগোল হয়। ঋতুস্রাত বেশি হতে থাকে। কখনো মাসে দুবার হয়। আবার
কখনো ঋতুস্রাব শেষে শ্বেতস্রাব হতে থাকে।

য়াবহ ক্ষতিকর দিকগুলো : এ রোগ হলে পুরুষের চেয়ে নারীদেরই বেশি ক্ষতি হয়।
নারীর সঙ্গে তার সন্তানেরও ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি। নিচে সেদিকগুলো তুলে
ধরা হলো। নারীর ডিম্ববাহী ও নারীর ডিম্বকোষ আক্রান্ত হলে তার সন্তান জন্ম
চিরদিনের জন্য বন্ধ্য ও নারী বন্ধ্যত্ববরণ করতে পারে। কখনো কখনো গর্ভবতী
হওয়ার প্রথম অবস্থায় ওই রোগ হলে গর্ভস্থ ভ্রূণ গর্ভপাত হয়ে পড়ে যায়, তার
জরায়ু থেকে প্রচুর রক্তপাত হতে থাকে। গর্ভের শেষ অবস্থায় এ রোগ হলে
সন্তান জন্মের সময় তার চোখে রোগের পুঁজ লেগে শিশু অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

চিকিৎসা : এ রোগের খুব ভালো ওষুধ হলো সিপ্রোসিন/ এজিথ্রোমাইসিন ট্যাবলেট
খেলে ধীরে ধীরে রোগ কমে আসবে ও রোগী সুস্থ হবে। তবে অভিজ্ঞ ডাক্তারের
কাছে যাবেন এবং ব্যবস্থাপত্র নেবেন।

অন্যান্য ব্যবস্থা : যদি রোগীর জ্বর থাকে তাহলে জ্বরের জন্য হালকা খাবার
যেমন_ পাউরুটি সেঁকে বা হরলিকস প্রভৃতি হালকা ও তরল খাবার দিতে হবে। এ
রোগ হলে সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত যৌন মিলন করা যাবে না।
স্বামী-স্ত্রীকে পূর্ণ চিকিৎসা দ্বারা সুস্থ হতে হবে আগে। না হলে এর ফল
খুবই খারাপ হবে।

সুত্র : নেট

Unordered List

Flag Counter

Admission Open

Visitor

Online


widgeo.net

ফেসবুকে পেজ

প্রয়োজনিয় ঠিকানা

Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks

Test

NEW LAUNCHED

Powered by Blogger.

Earn

তাপমাত্রা

Followers

About Me

My Photo
রাসেল ফার্মেসী রাণীহাটি বাজার, মন্ত্রী মার্কেট, শিবগঞ্জ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এই www.raselpharmacy.blogspot.com (রাসেল ফার্মেসী ) ব্লগটি স্বাস্থ্য বিষয় সচেতনতা মুলক টিপস নিয়ে সাজানো হয়েছে । যা আসা করি আপনাদের কাজে আসবে । আপানর যে কোন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা আমদের খুলে বলুন। আমরা চেষ্টা করব এর সমাধান দিতে। এছাড়াও ফেসবুকে পেতে ভিজিট করুন https://www.facebook.com/Raselpharmacy

Featured Posts

Popular Posts

Recent Post

Blogger Tips and TricksLatest Tips For BloggersBlogger Tricks

Just Click To Earn Money

Count Posts & Comments

আপনার এই ব্লগটি কেমন লেগেছে ?

Text Widget

এই ব্লগের লেখা নিজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিভিন্ন বই,ওয়েবসাইট ও ব্লগ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।

Rolling Pictures

বিজ্ঞাপন

0

Add