Friday, February 6, 2015

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য কিছু নির্দিষ্ট খাবার আছে যা একেবারেই খাওয়া উচিৎ নয়।


** ক্যান্ডি
.....!.........

শুধুমাত্র চিনিতে ভরপুর ক্যান্ডিই নয় ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য চিনির তৈরি কুকিস, সিরাপ বা যেকোন ধরণের পানীয় খুব ক্ষতিকর। এগুলো খেলে রক্তের সুগার অনেক বৃদ্ধি পায় এবং স্বাভাবিক ভাবেই ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রনে থাকেনা। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের এই খাবার গুলো এড়িয়ে চলা উচিৎ।

** ফলের জুস
.....................

ফলের জুস থেকে আস্ত ফল খাওয়াটাই অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর কারণ বলে থাকে ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেট। কিন্তু সুপারশপ থেকে কেনা যেকোন ফলের জুস কিনে খাওয়াটা মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে চিনি ও নানা ধরণের কেমিক্যাল যা ডায়াবেটিক রোগীদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। ফলের জুস খেতে চাইলে বাড়িতেই চিনি ব্যবহার ছাড়া জুস বানিয়ে খেতে পারেন।


** কিশমিশ
....................


কিশমিশ খাওয়া খুব স্বাস্থ্যকর হলেও ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য কিশমিশ ভাল নয়। তবে অন্য যে কোন স্ন্যাক্স জাতীয় খাবার থেকে কিশমিশের মত ড্রাইফ্রুট খাওয়া ভাল। তবে যেকোন ফল যখন ড্রাই করা হয় তখন তাতে চিনির পরিমান দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়। তাই তখন তা দেহের জন্য অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়।

**ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস
.....................
ডুবো তেলে ভাজা ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস ডায়াবেটিক রোগীদের স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ এই খাবার দেহের ওজন বৃদ্ধি করে এবং রক্তে প্রয়োজনীয় সুগারের মাত্রা নষ্ট করে দেয়। ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস, আলুর চিপস, ডোনাটস এই খাবার গুলো একজন ডায়াবেটিক রোগীর রক্তের গ্লুকোজের পরিমান কমিয়ে দেয়। তাছাড়া অতিরিক্ত ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস খেলে তা দেহে কোলেস্টোরল এর মাত্রা বেড়ে যায় ও হার্ট এর সমস্যা হয়ে থাকে।

***সাদা ব্রেড
....................

শুধু সাদা ব্রেডই নয় সাদা ভাত, সাদা পাস্তা যেকোন জিনিস যা সাদা ময়দা দিয়ে তৈরি এগুলো সহজে হজম হলেও এই খাবার গুলোতে যেই মাত্রায় সুগার থাকে তা ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ভাল নয়। এই খাবার গুলো দেহের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রনে বাধা দিয়ে থাকে তাই ডায়াবেটিক রোগীদের এই সাদা ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার না খাওয়াই ভাল।


** ঘন দুধের তৈরি কোন খাবার
.................................................

দুধ খাওয়া ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ভাল। কিন্তু কোন খাবার যাতে দুধের পরিমাণ খুব বেশি যেমন – দই, দুধের তৈরি ক্রিম, চিজ এই খাবার গুলো ডায়াবেটিক রোগীদের না খাওয়াই উত্তম।

জেনে রাখুন লক্ষনগুলো সম্পর্কে।
১। অনিদ্রায় ভোগা এই রোগের প্রথম লক্ষণ।
২। দেহের হাত, পা, পায়ের পাতায় পানি এসে ফুলে থাকে এবং চোখের চারপাশেও ফুলে থাকা।
৩। পেশাবের সাথে রক্ত আসা কিংবা পেশাবের রং লাল বর্নের হওয়া।
৪। রাতে খুব ঘন ঘন পেশাব হওয়া ।
৫। দেহ ক্লান্তও উদাসীন লাগা।
৬। ক্ষুধা কমে যাওয়া।
৭। ঘন ঘন মাথা ব্যথা হওয়া।
৮। শরীর ও মাংসপেশি ব্যথা করা।
৯। হাই ব্লাড প্রেশার ও দেহে রক্তশুন্যতা সমস্যা।
১০। শ্বাস কষ্ট হওয়া, হার্টবিট কমে যাওয়া, চেহারা ফ্যকাশে হয়ে যাওয়া, মানসিক বিভ্রান্তি দেখা দেওয়া, কামশক্তি কমে যাওয়া, দাহের চামড়া হলুদ বর্ণের হয়ে যাওয়া

Monday, February 2, 2015

জেনে নিন যে খাবার গুলো ঘুমের ঔষধের মতোই কাজ করে।

১) কাঠবাদাম
কাঠবাদামকে সুপার ফুড বলা হয়। কারণ কাঠবাদামের ভিটামিন ও মিনারেলস আমাদের নানা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। কাঠবাদামের মিনারেল ম্যাগনেসিয়াম ঘুমের উদ্রেক করে। জার্নাল অফ অর্থমলিকিউলার মেডিসিনের একটি গবেষণায় প্রকাশিত হয়, 'যখন আমাদের দেহে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা কমে যায় তখন আমাদের অনিদ্রার সমস্যা শুরু হয়, কাঠবাদাম এই ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে দেয়'।


২) মধু
ঘুমুতে যাওয়ার আগে মাত্র ১/২ চা চামচ মধু খাওয়ার অভ্যাস ঘুমাতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা যায় মধুর প্রাকৃতিক চিনি আমাদের দেহের ইনসুলিনের মাত্রা বাড়ায় এবং ট্রাইপ্টোফেন নামক হরমোন খুব সহজে মস্তিষ্কে প্রবেশ করতে পারে। এতে করে ঘুমের উদ্রেক হয়।


৩) কলা
নিউট্রিশনাল বায়োকেমিস্ট শন ট্যালবট বলেন, 'ঘুম না আসলে একটি কলা খেয়ে নিন, কলার পটাশিয়াম মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে'। কলার ম্যাগনেসিয়ামও আমাদের মাংসপেশি শিথিল করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট মাইকেল ব্রেউস বলেন, 'ঘুমুতে যাওয়ার আগে কলা খান বা কলার স্মুদি তৈরি করে পান করুন, ঘুমআপনাআপনিই চলে আসবে'।

৪) মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলু পটাশিয়ামের অনেক ভালো একটি উৎস যা আমাদের মাংসপেশি, নার্ভ শিথিল করতে কাজ করে। এতে করে আমাদের মস্তিষ্কও অনেকাংশে রিলাক্স হয়। নিউট্রিশনাল বায়োকেমিস্ট শন ট্যালবট বলেন, 'মাত্র অর্ধেকটা পরিমাণে মিষ্টি আলু ঘুমের জন্য অনেক ভালো কারণ এতে গয়েছে পটাশিয়াম এবং কার্বস'।
৫) দুধ
ঘুমের ঔষধের মতো কাজ করতে বিশেষভাবে কার্যকরী যে খাবারটি তা হচ্ছে দুধ। গবেষকগণ বলেন দুধের ক্যালসিয়াম মেলাটোনিন উৎপন্ন করে যা আমাদের দেহের ২৪ ঘণ্টার ঘুম ও জেগে থাকার সাইকেলটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। তাই ঘুম না আসলে ১ গ্লাস উষ্ণ গরম দুধ পান করে নিন। দেখবেন খুব সহজেই ঘুম চলে আসবে।


৬) ডিম
ঘুমের জন্য কার্যকরী আরেকটি সুপাদ ফুড হচ্ছে ডিম। গবেষণায় দেখা যায় ডিম উচ্চ মাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যা রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে যা পুরোরাত নিশ্চিন্তে ঘুমুতে সাহায্য করে থাকে। তাই রাতের খাবারে রাখুন সেদ্ধ ডিম অথবা প্রোটিন সমৃদ্ধ কোনো খাবার।

Wednesday, January 28, 2015

Tuesday, January 13, 2015

প্রশ্নঃ- বিয়ে হয়েছে বেশ
অনেকদিন। কিন্তু
সমস্যা হচ্ছে আমি কখনোই আমার
স্ত্রীর যৌন
উত্তেজনা বুঝতে পারি না।
মিলনের সময়তেও সে চুপচাপ থাকে।
সে যৌন মিলনে আনন্দ
পাচ্ছে কিনা এটাও বোঝার উপায়
নেই। সে কখনো নিজে থেকে আমার
কাছে আসে না, আমি আহবান
করলে এক প্রকার অনিচ্ছা নিয়েই
যেন আসে। কীভাবে বুঝব স্ত্রী যৌন
উত্তেজিত কিনা?
কিংবা কীভাবে বুঝব যৌন
মিলনে সে আগ্রহী কিনা?
উত্তরঃ- নারীদের যৌন উত্তেজনার
বেশ কিছু লক্ষণ আছে। একজন
নারী যৌনতার আগ্রহে উত্তেজিত
হলে তাঁর যোনি পিচ্ছিল হয়ে উঠবে,
এটা মোটামুটি সকলেই জানেন।
কিন্তু এর বাইরেও কিছু বাহ্যিক
লক্ষণ আছে,
যেগুলো দেখে আপনি বুঝতে
পারবেন যে আপনার
স্ত্রী বা প্রেমিকা যৌন
মিলনে আগ্রহী।
যেমন-
- নারীরা যৌন
মিলনে আগ্রহী হলে তাঁদের
ঠোঁট রক্তাভ হয়ে ওঠে।
স্বাভাবিকের চাইতে অনেক
বেশি লাল হয়ে যায় ঠোঁট।
- নারীদের গালেও
লালিমা দেখা দেয়
উত্তেজনায়। অনেকে একটু একটু
ঘামেন, নিঃশ্বাস
ভারী হয়ে আসে।
- যৌন উত্তেজিত হলে শরীর
খুবই স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে।
আপনার সামান্য স্পর্শেই
শিহরিত হয়ে উঠবেন তিনি।
- যতই লাজুক স্বভাবের
নারী হোন না কেন, যৌন
মিলনে আগ্রহী হলে তিনি
নিজেই আপনার
কাছে আসবেন।
হয়তো সরাসরি কিছু না বললেও
আপনার কাছে এসে বসবেন,
আলতো স্পর্শ করবেন, চুমু
খাবেন, চোখের ইশারায়
কথা বলবেন।
- প্রবল উত্তেজনার সময় যৌন
মিলন
কালে তিনি আপনাকে আঁচড়ে
কামড়ে দেবেন। হাতের নখ
আপনার
শরীরে গেঁথে বসতে পারে,
গলায়
কানে ইত্যাদি স্থানে তিনি
কামড় দেবেন উত্তেজনায়।
- এছাড়াও মিলনের সময়
শীৎকারে বুঝবেন
যে তিনি আনন্দ পাচ্ছেন ও
প্রবল ভাবে উত্তেজিত।
অনেকেই জোরে আওয়াজ
করেন না, কিন্তু একটা মৃদু "আহ
উহ" আওয়াজ হবেই।
এবার আসি আপনার সমস্যার
ব্যাপারে। যদি স্ত্রী আপনার
সাথে যৌন মিলনে আগ্রহ
না দেখান,
তাহলে হতে পারে সেটা তাঁর
লজ্জার কারণে। বিষয়টি লজ্জার
কারণে হলেও
আপনি সেটা বুঝতে পারবেন।
আপনি স্পর্শ করলে তিনি শিহরিত
হবে, যোনি পিচ্ছিল হয়ে যৌন
মিলনের জন্য প্রস্তুত হবে,
তিনি আপনাকে বাঁধা দেবেন
না মিলনে।
কিন্তু একটা জিনিস মনে রাখবেন,
যৌন মিলনে আগ্রহ
না দেখানো এবং অনীহা প্রকাশ
করা, দুটি কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন
ব্যাপার। তিনি যদি আগ্রহী না হন,
তাহলে আপনাকে দূরে ঠেলবেন।
কখনোই সুখী হবেন না।
জনিকে মিলনের জন্য প্রস্তুত
করতে অনেকটা সময় লেগে যাবে।
মিলনের পর যত দ্রুত সম্ভব আপনার
কাছ থেকে সরে যাবেন তিনি আর
এই ব্যাপারে কোন কথাও বলবেন না।
এবং নিজ হতে আপনাকে আদরও
করবেন না তিনি।
স্ত্রী আপনার, নিজেই বুঝে নিন
কোনটা হচ্ছে আপনার ক্ষেত্রে।

Thursday, January 1, 2015

একটি সুন্দর হাসি সবারই কাম্য।
আর তা যদি হয় মুক্ত ঝরা হাসি,
তাহলে তো কথাই নেই। আর সেই
মুক্ত ঝরা হাসি সেই
হাসতে পারে যার রয়েছে মুক্তর
মতো ঝকঝকে দাঁত। কিন্তু সেই
দাঁত কতদিন থাকে মুক্তোর
মতো ?
বিভিন্ন কারনে তা হয়ে যায়
হলদেটে, যা কারোরই কাম্য নয়।
তবে চিন্তা নেই, দাঁতের
হলদে ভাব দূর করারও উপায়
রয়েছে। তাও আবার দাঁতের
বাড়তি যত্ন না নিয়েই।
অর্থাৎ দাঁতের হলদে ভাব দূর
করবে কিছু খাবার
এবং কয়েকটি নিয়ম মানলেই
আপনার দাঁত থাকবে সাদা ও
ঝকঝকে। আসুন জেনে নেই সেই
খাবারগুলো ও
নিয়মগুলো সম্বন্ধে-
* ফল ফল বিশেষ করে আপেল
এবং স্ট্রবেরিতে রয়েছে ম্যালি
অ্যাসিড যা দাঁত সাদা করার
একটি চমত্কার প্রাকৃতিক
উপাদান। নিয়মিত ফল
খেলে দাঁতে সহজে দাগ
পড়ে না বা হলদেটে হয় না।
* সবজি গাজর, সবুজ শাক
এবং ব্রকোলির মতো সবজি দাঁত
থেকে দাগ দূর করতে সাহায্য
করে। সালাদে গাজর খান
নিয়মিত। এতে যেমন দাঁত
ভালো থাকবে, তেমনি গাজর
থেকে পাবেন প্রচুর
পরিমাণে ক্যারোটিন
তথা ভিটামিন এ, যা আপনার
চোখ, ত্বক ও চুল রাখবে সুস্থ।
* শুকনো ফল ড্রাই ফ্রুট
বা শুকনো ফল যেমন কিশমিশ
দাঁত সাদা রাখতে সাহায্য
করে।
* চিনি ছাড়া চুয়ুংগাম
চিনি ছাড়া চুয়িংগাম দাঁতের
দাগ দূর করার একটি চমত্কার
উপায়।
এটি দাঁতকে সাদা রাখতে সাহা
করে।
* দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার দুধ
এবং দুগ্ধজাত
খাবারে রয়েছে প্রচুর
পরিমাণে ক্যালসিয়াম
যা দাঁতের জন্য খুবই জরুরি।
এছাড়া দুগ্ধজাত খাবার, যেমন
দই এবং পনির দাঁতের এনামেল
বজায় রাখতে সাহায্য করে।
যে নিয়মগুলো মেনে চললে দাঁত
থাকবে সাদা ও জকঝকে
* ব্রাশ করার
আগে ভালো মানের কোন
টুথপেস্টের সঙ্গে যোগ করুন ১
চামচ বেকিং সোডা ও
আধা চামচ পানি।
তিনটি উপাদানই
একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট
তৈরি করুন। এরপর ব্রাশ করুন।
সপ্তাহে দুই দিন এভাবে ব্রাশ
করলে দেখবেন আগের
চেয়ে ঝকঝকে হতে শুরু
করেছে দাঁত।
* প্রাকৃতিক উপায়ে কলার
খোসা দিয়েও দাঁত
সাদা করতে পারেন। যেমন
একটি কলার
খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের
অংশটা দাঁতে ঘষুন। কিছুক্ষণ পর
পানি দিয়ে কুলি করে ফেলুন
এবং দেখুন দাঁতের অনেকটাই
হলদে ভাব দূর হয়েছে। সপ্তাহে ২
থেকে ৩ বার এই পদ্ধতি ব্যবহার
করতে পারেন।
* অলিভ ওয়েলও দাঁত
সাদা করার ক্ষেত্রে দারুণ
কার্যকর। সামান্য তুলোর মধ্যে ৩
থেকে ৪ ফোঁটা অলিভ ওয়েল
নিয়ে দাঁতে ঘষুন। এরপর ব্রাশ
করে দেখন সুন্দও লাগছে।
* স্ট্রবেরির সঙ্গে সামান্য
পরিমানে বেকিং সোডা মিশি
দাঁতে ঘষতে পারেন। এই পেস্ট
দাঁত সাদা করতে সহায়তা করে।
তবে মাসে একবারের
বেশি ব্যবহার করা ঠিক হবেনা।

ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ,
অ্যালার্জি, ঠাণ্ডা,
কানে পানি ঢোকা, দুর্ঘটনায়
কানে ব্যথা পাওয়া, ফাঙ্গাস,
কানের ভেতরে ব্রণের সমস্যা,
কানের কোনো রোগ ইত্যাদি সহ
আরও নানা কারণে কানে তীব্র
ব্যথা হতে পারে। কানের
ব্যথা অনেক যন্ত্রণাদায়ক। এই
সময় ভুলেও কানে আঙুল
কিংবা অন্য কোনো কিছু
অথবা কটন বাড জাতীয় জিনিস
ঢোকানো যাবে না। কানের
ব্যথা কমাতে ঘরোয়া কিছু
চিকিৎসা নিতে পারেন খুব
সহজেই। এতে করে খুব দ্রুত কানের
তীব্র
ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
যদি এতে কাজ না হয় তবে দ্রুত
ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
গরম ভাপ
একটি বোতলে কিংবা হট
ব্যাগে গরম
পানি নিয়ে অথবা একটি সুতি প
গরম পানিতে ভিজিয়ে কানের
কাছে চেপে ধরুন। গরম ভাপ
কানের ভেতরে গেলে কানের
ভেতরে রক্ত সঞ্চালন
বৃদ্ধি পাবে। এতে করে কানের
ব্যথা উপশম হবে।
রসুন ও তিলের তেল
রসুনের অ্যান্টিবায়োটিক
উপাদান কানের ব্যাকটেরিয়ার
আক্রমণের ব্যথা উপশমে কাজ
করে। ২ টেবিল চামচ তিলের
তেলে ১ চা চামচ
থেঁতো করা রসুন ফুটিয়ে নিন ২/৩
মিনিট। রসুন ছেঁকে নিয়ে এই
তেল ঠাণ্ডা হতে দিন। তেল
ঠাণ্ডা হলে ২/১ ফোঁটা তেল
কানের ভেতর দিয়ে দিন।
ব্যথা কমে যাবে।
আদা
আদার
অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান
দ্রুত কানের ব্যথা উপশমে বেশ
কার্যকরী। আদা ছেঁচে নিয়ে এর
তাজা রস ২/৩ ফোঁটা কানের
ভেতর দিয়ে দিন। ব্যথা উপশম
হবে। এছাড়াও
আদা থেঁতো করে তিলের
তেলে ফুটিয়ে তেল কানের
ভেতর দিতে পারেন, এতেও
ভালো কাজ হয়।
অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েল গরম করে নিন। কুসুম
গরম থাকতে থাকতেই ৩/৪
ফোঁটা অলিভ অয়েল ড্রপার
দিয়ে কানের ভেতর দিয়ে দিন।
এতে কানের ইনফেকশন জনিত
ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন খুব
দ্রুত।
পেঁয়াজ
পেঁয়াজ অনেক
কার্যকরী অ্যান্টিসেপ্টিক।
পেঁয়াজ গ্রেট
বা কুঁচি করে নিয়ে চিপে রস
বের করে দিনে অন্তত ২/৩ বার
৩/৪ ফোঁটা করে আক্রান্ত কানের
ভেতর দেবেন। এতে করে কানের
ব্যথা দূর হবে।
লবণ
একটি প্যানে লবণ
দিয়ে ভাজতে থাকুন। লবণ
বাদামী বর্ণ ধারণ
করলে তা চুলা থেকে নামিয়ে এ
কাপড়ে পেঁচিয়ে নিয়ে কানের
এই লবণের গরম ভাপ নিন।
এতে করে কানের
ব্যথা তাৎক্ষণিকভাবে উপশম
হবে।

এছাড়াও ব্যাথার ঔষধ খেতে পারেন
Tab- Clofenac Sr, Tab- Dickofen Sr,
এর সাথে গ্যাসের ঔষধ খেতে ভুলবেন না যেন।
tab- Ranitid, Tab- Newtack

Unordered List

Flag Counter

Admission Open

Visitor

Online


widgeo.net

ফেসবুকে পেজ

প্রয়োজনিয় ঠিকানা

Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks

Test

NEW LAUNCHED

Powered by Blogger.

Earn

তাপমাত্রা

Followers

About Me

My Photo
রাসেল ফার্মেসী রাণীহাটি বাজার, মন্ত্রী মার্কেট, শিবগঞ্জ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এই www.raselpharmacy.blogspot.com (রাসেল ফার্মেসী ) ব্লগটি স্বাস্থ্য বিষয় সচেতনতা মুলক টিপস নিয়ে সাজানো হয়েছে । যা আসা করি আপনাদের কাজে আসবে । আপানর যে কোন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা আমদের খুলে বলুন। আমরা চেষ্টা করব এর সমাধান দিতে। এছাড়াও ফেসবুকে পেতে ভিজিট করুন https://www.facebook.com/Raselpharmacy

Featured Posts

Popular Posts

Recent Post

Blogger Tips and TricksLatest Tips For BloggersBlogger Tricks

Just Click To Earn Money

Count Posts & Comments

আপনার এই ব্লগটি কেমন লেগেছে ?

Text Widget

এই ব্লগের লেখা নিজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিভিন্ন বই,ওয়েবসাইট ও ব্লগ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।

Rolling Pictures

বিজ্ঞাপন

0

Add