স্বাগতম :
Monday, December 8, 2014
Sunday, December 7, 2014
5:09 AM
RaSeL Pharmacy
ঔষধি গাছ ও ফল, সস্থ টিপস
1 comment
খোসায় রয়েছে প্রচুর
পরিমাণে আঁশ। এই আঁশ নিয়মিত
খাবার হজমে সাহায্য করে। আর
পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত, বৃহদান্ত,
কোলনের ক্যানসারের
ঝুঁকি কমায়এই মৌসুমের ফল জলপাই।
এটি টকজাতীয় ফল। শুধু ফল
হিসেবে নয়, এর তেল খুব স্বাস্থ্যকর।
রান্না ও আচারের
কাঁচা জলপাইয়ে পুষ্টি বেশি থাকে।'১০০
গ্রাম
জলপাইয়ে থাকে ৭০ ক্যালরি।
এতে শর্করা ১৬.২ গ্রাম, খনিজ ৩.১
মিলিগ্রাম ও ভিটামিন
সি থাকে ৩৯ মিলিগ্রাম।
যেকোনো বয়সের জন্য বিশেষ
করে হৃদরোগী ও অস্ত্রোপচারের
পর জলপাই খেলে উপকার
পাওয়া যায়।'জলপাইয়ের
ভিটামিন সি ও ভিটামিন এ ত্বক,
চুল, দাঁতের উজ্জ্বলতা ও
পুষ্টি জোগায়। সংক্রামক ও
ছোঁয়াচে রোগগুলোকে রাখে
অনেক
দূরে। এ ছাড়া জীবাণুর আক্রমণ,
চোখ ওঠা, চোখের পাতায়
লালচে ফোড়া এই সমস্যাগুলোর
বিরুদ্ধে কাজ করে।জলপাই
খোসাসহ খেতে হয়। খোসায়
রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ।
এই আঁশ
নিয়মিত খাবার হজমে সাহায্য
করে। আর পাকস্থলী, ক্ষুদ্রান্ত,
বৃহদান্ত, কোলনের ক্যানসারের
ঝুঁকি কমায়।রক্ত চলাচল ঠিক
রেখে হৃৎপিণ্ডকে সঠিকভাবে কাজ
করতে অবদান রাখে জলপাই।
পরিণামে কমে যায়
লাইপোপ্রোটিন। এই
ফলে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল
এজেন্ট আছে, যা দেহের ক্ষতিকর
জীবাণুকে ধ্বংস করে। নিয়মিত
জলপাই খেলে পিত্তথলির
পিত্তরসের কাজ করতে সুবিধা হয়।
পরিণামে পিত্তথলিতে পাথরের
প্রবণতা কমে যায়।জলপাইয়ের তেল
রান্না করে খাওয়া এবং ত্বক
দুটোর জন্যই খুব উপযোগী। এই
তেলে চর্বি বা কোলেস্টেরল
থাকে না। তাই ওজন
কমাতে কার্যকর।
যেকোনো কাটা-ছেঁড়া,
যা ভালো করতে অবদান রাখে।
জ্বর, হাঁচিকাশি,
সর্দি ভালো করার জন্য
উপকারী বন্ধু জলপাই।
সূত্র: প্রথম অালো
Saturday, December 6, 2014
8:15 AM
RaSeL Pharmacy
ঔষধি গাছ ও ফল, সস্থ টিপস
No comments
অনেক বেশি কার্যকরী। তাই
প্রতিদিন গাজর
খাওয়া উচতি সকলের। আর যদি গাজর
একেবারেই খেতে না পারেন
তবে খাদ্যতালিকায় রাখতে পারেন
১ গ্লাস গাজরের জুস।
ওজন কমায় গাজরের জুস
গাজরের জুসে অন্যান্য সকল জুসের
তুলনায় ক্যালরি কম থাকে। তাই
সকালে নাস্তায়
কিংবা বিকেলে এক গ্লাস গাজরের
জুস পান করেই দেখুন না। ওজন
কতো দ্রুত কমে আসে।
লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ায়
গাজরের জুস দেহের ক্ষতিকর টক্সিন
দূর করে দিতে সক্ষম। প্রতিদিন মাত্র
১ গ্লাস গাজরের জুস পান
করলে লিভারের
কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়তা করে
গাজরে রয়েছে প্রচুর
পরিমাণে ভিটামিন ই। সেই
হিসেবে প্রতিদিন নিয়ম করে ১ গ্লাস
গাজরের জুস দেহে ভিটামিন ই এর
চাহিদা পূরণ
করে এবং দেহে ক্যান্সারের কোষ
গঠনে বাঁধা প্রদান করে।
দেহের বয়স বৃদ্ধিজনিত
ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়
বয়স বেড়ে গেলে দেহের
নানা অঙ্গে এবং বিশেষ
করে হাড়ের জয়েন্টে ব্যথা শুধু হয়। এই
ধরণের
ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে গাজরের
জুস। তাই প্রতিদিন ১ গ্লাস গাজরের
জুস অবশ্যই পান করবেন।
দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে
গাজরের জুসে বিদ্যমান ভিটামিন এ
আমাদের চোখের সুরক্ষায় কাজ
করে থাকে ও দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে।
এবং দেহে ভিটামিন এ জনিত
নানা সমস্যার সমাধান করে।
দেহের খারাপ কলেস্টোরল কমায়
গাজরের জুসে রয়েছে প্রচুর
পরিমাণে পটাশিয়াম। প্রতিদিন
মাত্র ১ গ্লাস গাজরের জুস আমাদের
দেহের খারাপ কলেস্টোরলের
মাত্রা কমায়
এবং নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।
হজমশক্তি বাড়ায়
গাজর আমাদের দেহের টক্সিন দূর
করতে বিশেষভাবে কার্যকরী একটি খাদ্য।
সেই সাথে এটি আমাদের পরিপাক
ক্রিয়া উন্নত করতেও সহায়তা করে।
প্রতিদিন সকালে ১ গ্লাস গাজরের
জুস আমাদের
হজমশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে।
ত্বকের নানা সমস্যা সমাধান করে
গাজর আমাদের ত্বকের নানা ধরণের
সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।
প্রতিদিন ১ গ্লাস গাজরের জুস
আমাদের ত্বককে বয়সের ছাপ
থেকে মুক্ত রাখে, ত্বকের
উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এবং ব্রণের
উপদ্রব কমায়।
ত্বকের কোষ ক্ষয় থেকে রক্ষা করে
গাজরে রয়েছে প্রচুর
পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন নামক
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের
কোষের ক্ষয় রোধ
করে এবং ত্বককে রাখে সুস্থ।
একারণেই প্রতিদিন গাজরের জুস পান
করলে ত্বকে বয়সের ছাপ আসে ধীরে।
ইমিউন সিস্টেম উন্নত করে
গাজরের বিটা ক্যারোটিন
এবং ভিটামিন এ আমাদের দেহের
ইমিউন সিস্টেম উন্নত
করতে সহায়তা করে।
সেকারণে নানা ধরণের রোগ
থেকে আমরা মুক্ত থাকতে পারি।
সূত্র: নেট
7:09 AM
RaSeL Pharmacy
জন্ম নিয়ন্ত্রন, যৌনরোগ, স্ত্রীরোগ
1 comment
জীবনে দু'তিনটে পর্বে পিরিয়ড
অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে।
মেনার্কি বা মেন্সট্রয়েশন শুরুর
সময়ে। এ সময় ওভারি ততটা পরিপক্ব
হয়ে ওঠে না বলে তার পূর্ণ
কর্মক্ষমতা দেখা যায় না। খেয়াল
করে দেখবেন ডেলিভারির পর ৩-৪
মাস পিরিয়ড একটু অনিয়মিত থাকে।
তবে সন্তানকে ব্রেস্ট
ফিডিং করালে এ পর্ব আরও
দীর্ঘায়িত হতে পারে। এ তো সবারই
জানা যে মধ্য বা শেষ
চল্লিশে ওভারি প্যাক আপ করার জন্য
তৈরি হয়। মেনোপজের আগে তাই
পিরিয়ড অনিয়মিত হয়।
পিরিয়ড ইরেগুলার বা অনিয়মিত
কিনা বুঝবেন কীভাবে?
উপরে উল্লেখ করা সময় ছাড়া যদি দুই
পিরিয়ডের মধ্যে ৫ সপ্তাহের
বেশি ব্যবধান হয় তবেই বুঝবেন
সমস্যা হয়েছে। তবে জীবনে অনেক
ঘটনা আছে যা যৌন হরমোনের
ব্যালান্স নষ্ট করতে পারে। তাতেও
পিরিয়ড বিঘ্নিত হয়।
স্ট্রেস :
মানসিক চাপ রিপ্রোডাকটিভ
সিস্টেমকে সহজেই প্রভাবিত করে।
পরীক্ষার সময় এমন হয়, খেয়াল
করেছেন? পিরিয়ডে একটু গোলমাল।
কখনও নিকটাত্মীয়
মারা গেলে বা দারুণ অসুস্থ হলে।
বাড়ি বদলালে অথবা চাকরি চেঞ্জ
করলেও দেখবেন
প্যাটার্নটা বদলে যায়। স্বাভাবিক
সুস্থ জীবনে ফিরে গেলেই কিন্তু সব
ঠিক হয়ে যায়।
বডি ওয়েট :
ওজন ধুম করে বাড়লে বা কমলে নর্মাল
সাইকল ব্যাহত হয়। আগে যা শরীরের
ওজন ছিল, সেখানে ফিরে গেলেও
পিরিয়ড আবার আগের
মতো স্বাভাবিক হতে একটু সময়
লাগে।
ডায়েট :
হঠাৎ ভেজিটেরিয়ান হয়ে গেলেন
বা ক্র্যাশ ডায়েট প্রোগ্রাম শুরু
করলেন। আপনি অবশ্যই
সমস্যা ডেকে আনলেন। পিরিয়ড ধুম
করে বন্ধ
হতে পারে কিংবা একেবারে অনিয়মিত
হয়ে যেতে পারে।
এক্সারসাইজ :
কথা নেই বার্তা নেই, প্রচুর ব্যায়াম
শুরু করে দিলেন। পিরিয়ডের
যে নিয়মিত চক্র, তা বিঘিœত
হতে পারে। আসলে বডি ফ্যাট হঠাৎ
কমলে হরমোনে বৈষম্যের
ফলে ওভারির ফাংশন পরিবর্তিত হয়।
ক্রনিক অসুখ :
কিছু অসুখ আছে যা লম্বা সময়
ধরে ভোগায়। যেমন ডায়াবেটিস,
থাইরয়েড, অ্যাজমা,
টিবি বা যক্ষ্মা, ক্যান্সার। পিরিয়ড
বন্ধ হয়েও যেতে পারে,
কমতে তো পারেই।
ড্রাগ :
অনেক ওষুধ রয়েছে যা নর্মাল
পিরিয়ডকে ব্যাহত করে। যেমন
অ্যান্টি-ডিপ্রেসান্ট।
লিভারে প্রতিক্রিয়ার জন্য হরমোন
লেভেলে রদবদল হয়। যেসব
কন্ট্রাসেপটিভে প্রজেস্টোরেন
রয়েছে তা থেকেও কিন্তু পিরিয়ড
অনিয়মিত হতে পারে। পিরিয়ড বন্ধও
হয়ে যায় অনেক সময়।
মনে রাখতে হবে হরমোনের
ভারসাম্যের জন্যও কিন্তু ওভ্যুলেশন
ডিসঅর্ডার দেখা দিতে পারে।
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান
সিনড্রোম :
ওভ্যুলেশনের জন্য প্রয়োজনীয়
ডিম্বাণু আদৌ ম্যাচিওর করে না।
আসলে এসব মহিলার একটা নির্দিষ্ট
প্যাটার্নে এগ বা ডিম্বাণু তৈরি হয়
না। পলিসিস্টিক কেন?
একটা আলট্রাসাউন্ড করলেই
দেখা যাবে ওভারিকে ঘিরে রেখেছে অসংখ্য
ফলিকল বা সিস্ট। ঠিক যেন মুক্তোর
মালার মতো। ডিম্বাণুর অনিয়মিত
বৃদ্ধির জন্যই পিরিয়ড বিঘ্নিত হয়।
সময়ের ঠিক থাকে না,
কবে হবে জানাও যায় না।
এরা ওভারওয়েট। ব্রণ থাকবে,
তৈলাক্ত ত্বক, মাথার চুলও কমবে।
শরীর বেশ রোমশ হয়ে যায়।
ওভারিতে হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট
হয়, পুরুষ হরমোন অ্যান্ড্রোজনের
মাত্রা বাড়ে। তাই যত বিভ্রাট।
হাইপারপ্রোল্যাকটিনিমিয়া :
চাইল্ডবার্থের পর পিটুইটরি গ্ল্যান্ড
তৈরি করে প্রোল্যাকটিন। উদ্দেশ্য
মিল্ক সিক্রিশন বাড়ানো। ব্রেস্ট
ফিড করান না এমন মহিলার
যদি প্রোল্যাকটিন বেড়ে যায়,
তাহলে পিরিয়ড বিঘ্নিত হবে।
বুকে দুধও
অস্বাভাবিকভাবে তৈরি হয়। এসব
মহিলার পিটুইটারিতে ছোট বিনাইন
টিউমার থাকাও অসম্ভব নয়।
তাতে মাথাব্যথা হবে,
চোখে দেখার সমস্যাও হতে পারে।
প্রি-ম্যাচিওর মেনোপজ :
৪৫ থেকে ৫০, এটাই মেনোপজের গড়
বয়স। ১ থেকে ২% মহিলার
ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অনেক
তাড়াতাড়ি ঘটতে পারে। এরা অসুস্থ,
এমনটা ভাবার কারণ নেই।
এরা আসলে ওভারিতে কম সংখ্যক এগ
নিয়ে জন্মান।
তবে ক্রোমোজমে বৈষম্য, ইনফেকশন,
সিস্ট/টিউমার, সার্জারি,
রেডিয়েশন
অথবা কেমোথেরাপিতে ওভারিয়ান
ফেলিওর ত্বরান্বিত হয়।
হেভি অথবা অনিয়মিত পিরিয়ড
কিন্তু আপনার ওয়েক-আপ কল। দ্রুত
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাহায্য
নিন। সঙ্গে ওবেসিটি, অস্বাভাবিক
হেয়ার গ্রোথ, মিল্ক সিক্রিশন
বা মাথা ব্যথা হলে একদম দেরি না।
ওভ্যুলেশন প্রবলেম
থাকলে যে নারী কনসিভ করার
চেষ্টা করছেন,
তাকে তো অবিলম্বে পরামর্শ নিতেই
হবে।
লেখক পরিচিতি
প্রখ্যাত প্রজনন বিশেষজ্ঞ ও
গাইনোকোলজিক্যাল
এন্ডোস্কোপিক সার্জন।
ফার্টিলিটি ট্রিটমেন্টে দক্ষতা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।
লিখেছেন-
ডা. গৌতম খাস্তগীর
চেম্বার : বার্থ, ৩৬ বি, এলগিন রোড,
কলকাতা
Wednesday, December 3, 2014
6:38 AM
RaSeL Pharmacy
জন্ম নিয়ন্ত্রন, পুরুষদের রোগ, পুরূষ, যৌনরোগ, স্ত্রীরোগ
No comments
Friday, November 28, 2014
প্যারাসিটামল [ Paracitamol ] অত্যন্ত নিরাপদ এবং দ্রুত কার্যকরী
ব্যাথানাশক ও জ্বরনিবারক ঔষধ। এসপিরিন,ফেনাসিটিন ও মেটামিজলের তুলনায়
লক্ষনীয় পরিমাণে পার্শ্ব- পতিক্রিয়া মুক্ত।
নির্দেশনা :
ইনফ্লুয়েঞ্জা, সর্দিজ্বর,মাথা ব্যাখ্যা, দাত এবং কাণের ব্যাথা, বাত
ব্যাথ্যা, ঋতুস্রাবের সময় ব্যাথ্যাম, আঘাতজনিত ব্যাথ্যা ইত্যাদি কাজে
উপকারিতা।
সেবনবিধি ও মাত্রা:
সাসপেনশন:
১ বছর পর্যন্ত : ১/২ চা চামুচ দিনে ৩ থেকে ৪ বার।
১-৫ বছর পর্যন্ত : ২-৩ চা চামুচ দিনে ৩ থেকে ৪ বার।
৬-১২ বছর পর্যন্ত : ৪-৮ চা চামুচ দিনে ৩ থেকে ৪ বার।
প্রাপ্ত বয়ষ্ক: ৪-৮ চা চামুচ দিনে ৩ থেকে ৪ বার।
ট্যাবলেট :
১-২টি ট্যাবলেট ৪-৬ ঘন্টা পর পর। কিন্তু ২৪
ঘন্টায় ৮টির বেশি সেবন করা ঠিক না।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া:
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। তবে কোন কোন ক্ষেত্রে বমি বমি ভাব,
পেট ফাপা, চামড়ায় এলার্জি দেখা দিতে পারে।
সবাধানতা :
যকৃত [ লিভার ] ো বৃক্ক [ কিডনী ] এর কার্যসম্পাদনে গরমিলের ক্ষেত্রে
সাবধানতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
ঔষধের নাম :
Tab : Napa [ Beximco ],
Tab- Ace Squre ] ,
Tab- Excel,
Tab- Napa Extra,
Tab- Fast,
Tab – Tempac, ইত্যাদি
এগুলোর আবার সিরাপ এবং সাপোজিটরীও বাড়ারে পাওয়া যায়।















