Friday, March 2, 2018

ডায়াবেটিসবিজ্ঞানীরা বলছেন ডায়াবেটিস আসলে পাঁচটি ভিন্ন ধরনের রোগ এবং এর প্রত্যেকটির ক্ষেত্রে আলাদা চিকিৎসা দেয়া যেতে পারে। ডায়াবেটিস মূলত 'রক্তে
অনিয়ন্ত্রিত সুগার লেভেল' হিসেবে চিহ্নিত একটি রোগ এবং এখন পর্যন্ত সাধারণত একে দুটিভাগে ভাগ করা হয় - টাইপ ১ এবং টাইপ ২।
কিন্তু সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডের গবেষকরা মনে করছেন, তারা ডায়াবেটিস সম্পর্কিত আরও জটিল একটি চিত্র খুঁজে পেয়েছেন এবং এর ফলে এই রোগ নিরাময়ে প্রত্যেক ব্যক্তিকে আলাদা চিকিৎসা দেয়ার বিষয়টি সামনে চলে আসতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই গবেষণা ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস চিকিৎসার ক্ষেত্রে একটি নতুন যুগের সূচনা করতে পারে, তবে চলমান চিকিৎসার ক্ষেত্রে পরিবর্তন আসতে হয়তো আরও সময় লাগবে।
বিশ্বে প্রতি ১১ জনে একজন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন - আর একবার আক্রান্ত হলে রোগীদের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, অন্ধত্ব, কিডনি অচল হয়ে পড়া এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ কেটে ফেলার মতো ঝুঁকি বেড়ে যায়। টাইপ ১ ডায়াবেটিস হলো মানুষের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পর্কিত রোগ। এটি শরীরের ইনসুলিন তৈরির ক্ষমতা বা বেটা সেলকে আক্রমণ করে, ফলে রক্তে সুগার বা চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রয়োজনীয় এই হরমোনটির পর্যাপ্ত উৎপাদন হয় না।
অন্যদিকে টাইপ ২-কে মনে করা হয় অনিয়ন্ত্রিত জীবনধারার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি রোগ হিসেবে, যেখানে শরীরের অতিরিক্ত চর্বি ইনসুলিনের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। ডায়াবেটিস নিয়ে সর্বশেষ গবেষণাটি করেছে সুইডেনের লান্ড বিশ্ববিদ্যালয় ডায়াবেটিস কেন্দ্র এবং ফিনল্যান্ডের ইন্সটিটিউট ফর মলিক্যুলার মেডিসিন। আর এতে ১৪,৭৭৫ রোগীর ওপর নজরদারি করা হয়, বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা হয় তাদের রক্তের।
গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে ল্যানসেট ডায়াবেটিস অ্যান্ড এন্ডোক্রিনোলজিতে। এতে দেখানো হয়েছে যে ডায়াবেটিস রোগীদের পাঁচটি সুনির্দিষ্ট ক্লাস্টারে ভাগ করা যায়।
ক্লাস্টার ১- এটা মোটা দাগে টাইপ ১ ধরনের তীব্র মাত্রার অটোইমিউন ডায়াবেটিস, যা মানুষকে তখনই আক্রান্ত করে যখন সে বয়সে তরুণ এবং তাকে দেখতে স্বাস্থ্যবান মনে হয়। এই ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের শরীরে ইনসুলিন তৈরি হয় না। ক্লাস্টার ২ - এরা ওই ধরণের ইনসুলিন-ঘাটতির ডায়াবেটিস রোগী যাদেরকে শুরুতে ক্লাস্টার ১ এর রোগীদের মতোই মনে হয়। এরা তরুণ, এদের ওজন নিয়ন্ত্রণে, কিন্তু ইনসুলিন উৎপাদনে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে - যদিও এদের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থায় কোনো গলদ নেই।
ক্লাস্টার ৩ - এরা তীব্র ইনসুলিন-প্রতিরোধী ডায়াবেটিস রোগী, যারা সাধারণত অতিরিক্ত মোটা। এরা শরীরে ইনসুলিন তৈরি করছে, কিন্তু এদের শরীর সেই ইনসুলিনে সাড়া দেয় না।
ক্লাস্টার ৪ - এটি ওজনের সঙ্গে সম্পর্কিত হালকা-ধরনের ডায়াবেটিস, যা অসম্ভব স্থূলকায় মানুষের মধ্যে দেখা যায়। এ ধরনের মানুষ আবার মেটাবোলিজমের দিক থেকে ক্লাস্টার ৩ ধরনের মানুষদের চেয়ে বরং স্বাভাবিক মানুষের কাছাকাছি।
ক্লাস্টার ৫ - বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত হালকা ধরনের ডায়াবেটিস, যা ওই ধরনের মানুষের হয় যখন তাদের বয়স বেড়ে যায়। অর্থাৎ এই রোগীরা অন্য গ্রুপগুলোর মানুষের তুলনায় বেশি বয়স্ক, তবে এদের ডায়াবেটিসের মাত্রা কম।
গবেষক দলের অন্যতম, অধ্যাপক লিফ গ্রুপ বিবিসিকে বলেন, "এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আমরা রোগীদের একেবারে যথাযথ ওষুধ দেয়ার ক্ষেত্রে এক কদম এগিয়ে যাচ্ছি।"
তিনি বলেন, যে তিন ধরনের ডায়াবেটিস তীব্র মাত্রার, তার চিকিৎসা অন্য দুই ধরনের ডায়াবেটিসের চেয়ে জোরালোভাবে করা যেতে পারে। ক্লাস্টার ২ ধরনের রোগীদের এখনকার টাইপ ২ হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে, কারণ তাদের অটোইমিউন রোগ নেই।


গবেষণায় অবশ্য এই ধারণা পাওয়া যাচ্ছে যে এদের রোগের কারণ সম্ভবত তাদের বেটা-সেলের কোনো খুঁত - এরা যে খুব মোটা সে কারণে নয়। আর তাদের চিকিৎসা ওই ধরনের রোগীদের মতো হওয়া দরকার যারা এখন টাইপ ১ হিসেবে চিহ্নিত।
ক্লাস্টার ২ রোগীদের অন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি, আর ক্লাস্টার ৩ রোগীদের বেশি ঝুঁকি কিডনি সম্পর্কিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার ফলে বেশি করে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় কয়েকটি ক্লাস্টারের রোগীরা উপকৃত হতে পারেন।
লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের কন্সালট্যান্ট ও ক্লিনিক্যাল সায়েন্টিস্ট ড. ভিক্টোরিয়া সালেম বলেন, বেশির ভাগ বিশেষজ্ঞই জানতেন যে ডায়াবেটিসকে টাইপ ১ এবং টাইপ ২ - এই দুভাগে ভাগ করে যে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়, তা "খুব একটা সঠিক নয়"।
তিনি বিবিসিকে বলেন, "কোন সন্দেহ নেই যে আমরা ডায়াবেটিসকে নিয়ে ভবিষ্যতে কীভাবে চিন্তা করব, তা এই গবেষণা সাহায্য করবে।"
কিন্তু তিনি একই সঙ্গে সতর্ক করে দেন যে ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসা দেয়ার ক্ষেত্রে আজই কোন পরিবর্তন আসবে না।
এই গবেষণা করা হয়েছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ায়। অন্যদিকে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একেক রকম। যেমন দক্ষিণ এশিয়ায় এই রোগের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।
ড. সালেম বলেন, "এখনো অনেক কিছুই অজানা। এমনও হতে পারে যে জিন এবং স্থানীয় পরিবেশের কারণে বিশ্বজুড়ে ডায়াবেটিসের ৫০০ ধরণের সাব-গ্রুপ রয়েছে।"
"গবেষকদের বিশ্লেষণে পাঁচটি ক্লাস্টার পাওয়া গেছে, কিন্তু এই সংখ্যা বাড়তেও পারে," বলছেন এই বিজ্ঞানী।
ওয়রউইক মেডিকেল স্কুলের অধ্যাপক সুদেষ কুমার বলেন, নিশ্চিতভাবে এটি কেবলই একটি প্রথম পদক্ষেপ। আমাদের জানতে হবে এদের আলাদা আলাদা চিকিৎসা দিলে আমরা ভালো ফলাফল পাব কিনা।
ডায়াবেটিস ইউকের ড. এমিলি বার্নস বলছেন রোগটি সম্পর্কে ঠিকঠাক মতো বুঝতে পারলে "তা প্রত্যেক ব্যক্তিকে আলাদাভাবে চিকিৎসা দেয়া এবং এটা ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস-সংক্রান্ত জটিলতার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য" করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, টাইপ ২ ধরনের ডায়াবেটিস আরও ভালো করে বুঝতে এই গবেষণা বেশ প্রতিশ্রুতির পরিচয় দিয়েছে। কিন্তু এর মাধ্যমে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষদের কী উপকার হবে তা বোঝার আগে সাব-গ্রুপগুলো সম্পর্কে আমাদের আরও ভালোভাবে জানতে হবে।

**  আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন    Facebook Page   
ছোটদের উপসর্গ বেশি দেখা দিলেও কৃমি ছোট-বড় সকলের হতে পারে। পেটে কৃমি হলে ক্ষুধা মন্দা হয়, বমি বমি লাগে, ওজন কমে যায়, রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। বাচ্চাদের কৃমির অন্যতম কারণ অপরিচ্ছন্ন-অপরিস্কার জীবনযাপন।কৃমি থেকে দূরে থাকতে  বছরে দুইবার ছয় মাস পর পর কৃমি-নাশক ঔষধ খেতে হয়। মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল বহুল ব্যবহৃত কৃমি-নাশক ঔষধ। এলবেন্ডাজল গ্রুপের ঔষধের মধ্যে রয়েছে Abentel, Alben-DS, Alba, Almex, Alphin, Azole, BEN-A, Sintel, Estazol ইত্যাদি। আর মেবেন্ডাজল গ্রুপের ঔষধের মধ্যে রয়েছে Ermox, Panamox, Solas, Vermizole ইত্যাদি।
মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল বেনজাইমিডাজল গ্রুপের ঔষধ। উভয়েই প্রায় সব ধরণের কৃমির বিরুদ্ধে কার্যকরী। মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল কৃমিকে গ্লুকোজ গ্রহনে বাধা দেয়। ফলে শর্করা জাতীয় খাবারের অভাবে কৃমি বেঁচে থাকার রসদ আর পায় না। আর এভাবেই মেবেন্ডাজল এবং এলবেন্ডাজল আমাদের শরীরের ক্ষতিকারক পরজীবি কৃমিদের মেরে ফেলে।
মেবেন্ডাজল কেবল অন্ত্রে থাকা কৃমির উপর কাজ করে এবং পায়খানার সাথে প্রায় ৯৫ ভাগ বের হয়ে আসে।  তাই কেবল অন্ত্রনালীতে থাকা কৃমিসহ যাবতীয় পরজীবির উপর মেবেন্ডাজল দারুণ কাজ করে। কিন্তু টিস্যুতে কিংবা শরীরের অন্যান্য অংশে থাকা পরজীবির উপর মেবেন্ডাজল কার্যকরী নয়। টিস্যুতে বসবাস করা পরজীবি জনিত সংক্রমনের মধ্যে রয়েছে Cysticerosis এবং Hyatid cysts। যেহেতু মেবেন্ডাজল সহজেই অন্ত্রনালী থেকে পুরো শরীরে শোষিত হয় না তাই এটি তুলনামূলক কম টক্সিক। ফলে এটি শরীরের জন্যে নিরাপদও। এজন্যেই প্রেগন্যান্সির সময় এলবেন্ডাজলের পরিবর্তে মেবেন্ডাজল দেয়া হয়। গর্ভবতীর জন্যে মেবেন্ডাজল তুলনামূলক নিরাপদ বলে গন্য করা হয়।
অন্যদিকে, এলবেন্ডাজল অন্ত্র থেকে পুরো শরীরে সহজেই শোষিত হয়ে রক্তে ছড়িয়ে পড়ে। এলবেন্ডাজল সিরামে বেশ ভালো মাত্রায় পৌঁছাতে সক্ষম, ফলে এটি শরীরের প্রায় সব ধরণের পরজীবির বিরুদ্ধে কার্যকরী। এলবেন্ডাজলের একটি সক্রিয় মেটাবলাইটের নাম হল এলবেন্ডাজল সালফোক্সাইড। এই মেটাবোলাইটটি সহজেই টিস্যু ও সিস্টে ছড়াতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, এলবেন্ডাজল মেটাবোলাইট Larval Cestodes এর বিরুদ্ধে কাজ করে। উচ্চ ফ্যাটযুক্ত খাবার যেমন- বাটার, ডিমের কুসুম, ঘিয়ে ভাজা খাবার, চর্বিযুক্ত গরুর মাংস ইত্যাদির সাথে খেলে এলবেন্ডাজলের শোষন প্রায় পাচগুণ বৃদ্ধি পায়। এলবেন্ডাজল অন্ত্রের বাইরে থাকা সব হেলমিন্থ পরজীবি ঘটিত সংক্রমণ যেমন ব্রেইনে ফিতাকৃমির সংকমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
এলবেন্ডাজল নাকি মেবেন্ডাজল কোনটি ড্রাগ অফ চয়েস হবে তা নির্ভর করে সংক্রমণের প্রকার, রোগীর বয়স, রোগী কি ধরণের পরিবেশ ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার ভিতর বসবাস করেন, ঔষধের পূর্বের ফলাফল ইত্যাদি বিষয়ের উপর। অনেক সময় একাধিক ধরণের কৃমি শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সংক্রমণ করে। এসকল ক্ষেত্রে  চিকিৎসায় কম্বাইন্ড ড্রাগ ব্যবহৃত হয়।

  আরো সাথে থাকতে  আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিন    Facebook Page  

Wednesday, June 10, 2015

পৃথিবীতে মা হওয়া একই সাথে বিশাল
একটা সুখের এবং কষ্টের কাজ । আমরা
ছেলেরা এই বিষয়টা বাহির থেকে
দেখি । আনন্দ পাই , কিন্তু মেয়েরা যে
পরিমান কষ্ট সহ্য করে একটা বাচ্চা এই
পৃথিবীতে আনে যা কখনই বুঝতে পারবো
না । আমার বন্ধু তালিকার সবাই প্রায়
তরুণ । অনেকেই নতুন বিয়ে করছে , সামনেই
তাদের ঘর আলো করে বাচ্চা আসবে ।
আমাদের সবার এই কথাটা মনে রাখা
উচিৎ যে আমাদের অর্ধাঙ্গিনীরা এই
৯টা মাস অনেক কষ্ট করে পার করবে ।
আমরা হয়ত শরীরের কষ্ট কমাইতে পারবো
না কিন্তু তাদের মন আনন্দে ভরিয়ে
দিতে পারবো । একই সাথে আমাদের
ভবিষ্যৎকরনীয় বিষয়গুলো নিয়েও সচেতন
থাকতে হবে । বাংলাদেশ যেহেতু , সবার
প্রথম যথেষ্ট পরিমান টাকা জমিয়ে
রাখতে হবে হাতে । নিয়মিত ডাক্তার এর
চেকআপ করাতে হবে । ঠিক মত
খাওয়াদাওয়া করাতে হবে । কোন রকম
ভারী কাজ করতে দেয়া যাবে না ।
কোথায় ডেলিভারি করাবেন, সেখানে
কিভাবে নিয়ে যাবেন সেগুলো আগে
থেকেই ঠিক করিয়ে রাখতে হবে ।
অপদার্থের মত সব কিছু ডাক্তার এর হাতে
ছেড়ে দিবেন না । কি হচ্ছে না হচ্ছে এই
বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে । আমাদের
প্রথম বাচ্চার জন্মের সময় আমরা অনেক
কেয়ারফুল ছিলাম । কিন্তু তারপরও অনেক
ভুল করে ফেলেছিলাম যার জন্য আমরা
তাকে হারিয়েছি । এই কষ্ট
সারাজীবনের । আপনারা ভুল করবেন না ।
বাংলাদেশ অনেক খারাপ একটা জায়গা
। এখানে স্বাস্থ্য সেবা নয় ব্যবসা ।
এখানকার ক্লিনিক + ডাক্তারদের একটা
বড় চেষ্টা থাকে প্রিম্যাচিউর বেবি
জন্ম দেয়ার । এখানকার ডাক্তাররা কখনই
আপনাকে নরমাল ডেলিভারির কথা
বলবে না । নানা রকম ভয় দেখাবে যাতে
সিজার করতে রাজি হন । কারন নরমাল
ডেলিভারিতে তাদের ইনকাম কম ।
সিজার করলে ইনকাম বেশি হওয়ার একটা
বিশাল সুযোগ থাকে ।
আমার টাকার অভাব ছিল না , অভাব
ছিল জ্ঞানের । বাসার কাছেই বলে
নিয়ে গিয়েছিলাম সিদ্ধেশ্বরীর
"মনোয়ারা হাসপাতাল" এ । ওখানকার
ডিউটি ডাক্তার ( যতদূর সম্ভব ইন্টার্ন )
ঠিক ভাবে চেকআপ না করেই বলেছিল
যে আমার স্ত্রীর ডেলিভারি পেইন
উঠেছে । অথচ আমার স্ত্রীর সেই রকম
ব্যাথাও ছিল না , পানিও ভেঙ্গে যায়
নাই । সিজার করার জন্য ডাক্তার শায়লা
শামিম ( MBBS, FCPS (Obs & Gynae) Assitant
Professor, Gynae & Obs. Bangabandhu Sheikh
Mujib Medical University ) যে কোন রাস্তা
দিয়ে অপারেশন থিয়েটার এ গেলো তা
আমি জানিই না । একবার আমার সাথে
কথাও বলে নাই অপারেশন শুরুর আগে ।
অতীতে চেকাপের সময় উনাকে একবার
জিজ্ঞাসা করেছিলাম ম্যাডাম নরমাল
ডেলিভারি ভালো নাকি সি-সেকশন
ভালো । উনার ভদ্রতার মুখোশ খুলে উনি
আমাকে বিশাল একটা ঝাড়ি
দিয়েছিলেন যে আর কিছু বলি নাই ।
যাই হোক আমার অজ্ঞতা আর উনাদের
লোভ একটা বাচ্চার জীবন অনিশ্চিত
করেই এই পৃথিবীতে নিয়ে এসেছিল ।
ইবাদত ( আমার প্রথম ছেলের নাম ) এর
জন্মের পর যখন আমাকে দেখানো হল তখন
নার্সরা বললো বাচ্চা ভালো আছে , সব
ঠিক আছে । আমিও আনন্দে খুশিতে
উনাদের বখশিশ দিলাম । একটু পড়ে শিশু
ডাক্তার যিনি অপারেশন এর সময়
উপস্থিত ছিলেন , উনি বের হচ্ছিলেন ।
আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম যে
বাচ্চা আর মাকে কখন বাসায় নিতে
পারবো । উনি অনেক রুডলি আমাকে
বললেন , বাসায় নিবেন ? আপনার বাচ্চা
বাঁচে কিনা সেইটা আগে দেখেন । উনার
কথায় আমি হতভম্ব । মনে হলো সেকেন্ড
এর মধ্যে জান্নাত থেকে জাহান্নামে
এসে পড়লাম । উনি নিজে গজর গজর করতে
করতে বের হয়ে গেলেন । একজন
ডাক্তারকে মনে হয় শিক্ষা দেয়া হয় যে
কিভাবে রোগীর স্বজনদের সাথে কথা
বলা উচিৎ । বাংলাদেশ জন্য উনারা এই
শিক্ষাটা ভুলে গেছেন ।
বাচ্চাকে নিয়ে গেলো এনআইসিইউ তে ।
যেখানে আমাদের যেতে দেয়া হয় না ,
কথা বলার মত , কিছু জিজ্ঞাসা করার
মতও কেউ নাই । আমি একবার এনআইসিইউ
এর সামনে দৌড়াই আরেকবার পোস্ট
অপারেটিভ রুমের সামনে । একই সাথে
কেবিন পাওয়ার জন্য এডমিনিস্ট্রেসন এ ।
বাচ্চার কি সমস্যা হইছে কিছুই জানি না
। পুরো দিনটা এভাবে গেলো । রাতে
শিশু ডাক্তার আবার আসলেন । জানা
গেলো আমার বাচ্চা সময়ের আগেই জন্ম
নেয়ার কারনে তার ফুসফুস কাজ করছে না
। তাকে আপাতত ইনকিউবেটর এ রাখা
হয়েছে অক্সিজেন দিয়ে । তার অবস্থা
ভালো না । কি বলবো মনের ভিতর যে
কি যাচ্ছিল । কেবিন এ ফিরে জেরিনকে
বললাম বাবু ভালো আছে । সব ঠিক আছে ।
এনআইসিইউ এর ঠিক সামনের কেবিনটা
নিয়েছি যাতে বাচ্চার খোজখবর নেয়া
যায় । রাতে চোখটা একটু বন্ধ করেছি ঠিক
এই সময় নার্সরা ডাক দিল । এনআইসিইউ
এর ভিতরে গিয়ে ডিউটি ডক্টর এর কাছে
জানতে পারলাম, আমার বাচ্চার অবস্থা
ভালো না , তাকে ইমিডিয়েট লাইফ
সাপোর্ট এ দিতে হবে যে মেশিন তাদের
এখানে নাই । জিজ্ঞাসা করলাম
কোথায় আছে । বললো ধানমন্ডির
পেডিহোপ হাসপাতাল এ । ( পরবর্তিতে
জানতে পেরেছিলাম যে পেডিহোপ এর
সাথে তাদের একটা লিয়াজো আছে ) ।
বললাম বাচ্চাটাকে একটু দেখতে পারি ।
ছোট্ট একটা বাচ্চা , বুকটা উঠানামা
করছে, মনে হচ্ছে একেবারে ভেঙ্গে
যাবে । ওদেরকে বললাম এম্বুলেন্স রেডি
করতে । আম্মুকে ফোন দিয়ে বললাম
হাসপাতাল এ আসতে । বন্ধু শাওন
আনোয়ারকেও ফোন দিয়ে আসতে বললাম
। জেরিনকে বললাম শক্ত হইতে তোমার
বাবুকে আমি অন্য হাসপাতাল এ নিয়ে
যাচ্ছি । ১০ মিনিট এর মধ্যেই বাচ্চাকে
নিয়ে রওনা দিলাম । রাস্তা ফাকা ছিল
অনেক দ্রুতই পৌঁছে গেলাম পেডিহোপ
নামের জঘন্য হাসপাতাল এ। ওরা ওরাই
সবকিছু করে বাচ্চাকে লাইফ সাপোর্ট
মেশিন এ দিয়ে দিল । আমাকে অফিস এ
নিয়ে জানানো হইলো তাদের এইখানে
প্রতিদিনের খরচ কি রকম এই সেই ।
হাসপাতাল এর অবস্থা দেখেই আমার মন
চুপসায় গেছে । হাসপাতাল কম বস্তি
বলাই বেটার ।
সকাল বিকাল ডাক্তার আসে । একটা
কথাই শুধু শুনি আপনার বাচ্চার অবস্থা
ভালো না । কাচের জানালা দিয়ে
দেখি আমার বাবুর বুক উঠানামা করছে ।
যতক্ষণ পারি তাকিয়ে থাকি । একটু
গবেষণা করে জানা গেলো এই সমস্যার
নাম RDS ( Respiratory Distress Syndrome )
এবং প্রথম চিকিৎসাই হল Surfactant therapy
। দৌড়ে যাই ডিউটি ডাক্তার এর কাছে ।
তাকে বলি আমার বাচ্চাকে কি এইটা
দেয়া হয়েছে কিনা । তার কাছ থেকে
নাম্বার নিয়ে কথা বলি মেইন ডক্টর এর
সাথে । সে বলে জন্মের ছয় থেকে বারো
ঘণ্টার মধ্যেই দিতে হয় । এইটা দেয়ার
দায়িত্ব মনোয়ারা হসপিটাল এর শিশু
ডাক্তার এর ছিল । শিশু ডাক্তারকে ফোন
দিলে সে বলে মনোয়ারা হাসপাতালে
নাকি সেই সুযোগ সুবিধা ছিল না ।
মনোয়ারা হাসপাতালে ব্যবস্থা না
থাকলে জন্মের প্রথম ১২ ঘণ্টা
বাচ্চাটাকে শুধু ইনকিউবেটর এ রেখে
ওরা টেস্ট করতেছিল । তারপর
ডাক্তারকে বলি বাচ্চার অবস্থা যখন
এতোই খারাপ এখনও আমি
সারফ্যাক্টান্ট থেরাপি দিতে চাই ।
যদি কিছু উন্নতি হয় । ডিউটি ডক্টর একটা
ছোট কাগজের টুকরায় ওষুধের নাম লিখে
দেয় । বলে ওষুধের দাম ২০-২৫ হাজার
টাকা । এইজন্য তারা নাকি সবাইকে বলে
না । তার কথা আর কাগজের হাতের
লেখা দেখে আমি হতভম্ব । আর যাই হোক
কোন প্রফেশনাল ডাক্তার এর হাতের
লেখা সেইটা ছিল না ।
ধানমন্ডির রাস্তায় রাস্তায় দৌড়াই
ওষুধের খজে আমি আর মাসুদ । অনেক
খোজাখুজির পর পেয়ে যাই । বুকের মধ্যে
একটু আশা বাড়ে , হয়ত আমার বাচ্চাটা
সুস্থ হয়ে যাবে । ওষুধ নিয়ে এসে
ডাক্তারকে বলি যে ওষুধ দেয়ার সময়
আমি থাকতে চাই । এদের স্বভাব চরিত্র
সম্পর্কে ততক্ষণে ধারনা হয়ে গেছে ।
দামি ওষুধ যদি না দিয়েই বলে যে
দিয়েছি । ওষুধ দেয়া হলো , আমার বুকে
আর কোন সাহস অবশিষ্ট নাই । বন্ধু
আনোয়ারকে আগে বারবার বলছিলাম
অন্য কোন ভালো হাসপাতাল এ নেয়ার
ব্যবস্থা করা যায় কিনা সেটা দেখতে ।
কিন্তু ওষুধ দেয়ার সময় বুঝতে পারলাম যে
লাইফ সাপোর্ট থেকে খুললে বাচ্চার
শ্বাসপ্রসাস পুরো থেমে যায় । এই
বাচ্চাকে নিয়ে আর কোথাও যাওয়ার
সুযোগ নাই । এক মিনিট নিঃশ্বাস নিতে
না পারলে আমাদের কত কষ্ট হয় । তিনটা
দিন আমার বাচ্চাটা এতো কষ্ট সহ্য
করলো , আমি বাবা হয়ে ওর জন্য কিছু
করতে পারলাম না । অবশেষে ডাক্তার
জানালো তাদের আর কিছু করার নাই ।
আমি চাইলে শেষ বারের মত আমার
ছেলেকে দেখতে পারি । এপ্রোন পড়ে
আইসিইউতে গেলাম । আমার বাবা চোখ
বন্ধ করে ছিল । ওর কপালে একটু হাত
রাখলাম । ও চোখ মেলে তাকালো । ওর
চোখ দিয়ে দুই ফোটা জল গড়িয়ে পড়লো ।
এতোটুকু বাচ্চা ওই কি বুঝতে পেরেছিল
যে বেচে থাকতে ওই কোনদিন ওর মায়ের
বুকের আদর পাবে না । আমি আর কিছু
দেখিনাই চোখে । সব কিছু ঘোলা হয়ে
গেলো । বের হয়ে বললাম জেরিনকে যে
করে হোক রিলিজ করিয়ে নিয়ে আসতে ।
জন্মের পর থেকে ও ওর বাচ্চাটাকে
দেখতে পারে নাই । বন্ধুরা জেরিনকে
এ্যাম্বুলেন্স এ করে নিয়ে আসলো
জানিনা তখন আমার বাবা এই পৃথিবীতে
আর ছিল কিনা । জেরিন আর আম্মু
কাচের ফাক দিয়ে বাবুকে দেখে বাসায়
চলে গেলো । তার কিছুক্ষণ পর সাদা
কাপড়ে মুড়িয়ে আমার সোনামনিটাকে
আমার বুকে দিল । এতো সুন্দর হাসি মুখ
নিয়ে ছিল । মনে হচ্ছিল পৃথিবীর এই সব
কষ্ট থেকে ওই মুক্তি পেয়ে গেছে ।
বাপের কোলে তিনদিনের বাচ্চার দেহ
যে কতটা ভারী হতে পারে তা আমি টের
পাইলাম । বাসায় কেউ জানতো না ।
আমি আমার বাবাকে নিয়ে বাসায়
আসলাম । জেরিন তো সাথে সাথেই
পড়ে গেলো । বাচ্চার জন্য কাদবো না
জেরিনকে সামলাবো বুঝতে পারছিলাম
না । জেরিন এর বুকে ওর এতো কষ্টের ধন
নিথর দেহটা দিলাম । আমি পারি নাই
ওরা বাচ্চাটাকে বাচাইতে । আমি
অনেক কিছুই জানতাম না । জানতাম না
মনোয়ারা হাসপাতাল এতো খারাপ ।
জানতাম না পেডিহোপ হাসপাতাল
এতো খারাপ । পড়ে কাউসার ভাইয়ের
কাছে শুনি প্রায় একই ঘটনা । তিনিও
মনোয়ারা - পেডিহোপ হাসপাতালের এই
চক্রান্তে পড়তে ধরেছিলেন । কিন্তু
তাদের জানা থাকায় তারা পেডিহোপ
এ না নিয়ে নিজ দায়িত্তে স্কয়ার
হাসপাতাল এ নিয়ে গিয়েছিলেন ।
আমাদের এই দেশে মানুষের জীবনের
দাম নাই । ডাক্তাররা রোগীর কথা
চিন্তা করে না । তারা চিন্তা করে
বাচ্চা প্রিম্যাচিউর হলেই ব্যবসা ।
আইসিইউতে ঢুকাইতেই পারলেই লাখ লাখ
টাকা ইনকাম । তাতে বাচ্চা বাচুক আর
মরুক । তাদের মনের ভিতর একটা ফুটফুটে
বাচ্চার জন্য এক ফোটা মায়া হয় না ।
অনেক হাসপাতাল এ তো শুনেছি
ইঞ্জেকশন দিয়ে ডেলিভারী পেইন তুলে
দেয় বাচ্চা প্রিমাচিউর করার জন্য ।
অনেক হয় দেখে শেখে না হইলে নিজের
জীবন দিয়ে শেখে । আমি আমার জীবন
দিয়ে শিখেছি । পুরো লেখাটা লিখতে
আমার চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়েছে
। আমার এই লেখা পড়ে যদি তোমরা কিছু
শিখতে পারো তাহলেই আমার লেখা
সার্থক হবে । নিজের বাচ্চার জন্মের সময়
অনেক সতর্ক থাকা প্রয়োজন, সবকিছুর জন্য
প্রস্তুত থাকা প্রয়োজন । সবাই পারলে এই
পেডিহোপ হাসপাতাল , মনোয়ারা
হাসপাতাল , ডাক্তার শায়লা শামিম ,
তার সাথের শিশু বিশেষজ্ঞ এবং এদের
মত সব ডাক্তারদের কাছে থেকে দূরে
থাকবেন । এইসব বিষয়ে ইন্টারনেট এ
অনেক লেখা আছে । এই লেখাগুলো
পড়বেন । ডাক্তাররা বেশিরভাগ সময়ই ২
সপ্তাহ আগে অপারেশন করতে চায় । এই
বিষয়েও সতর্ক থাকা দরকার । অনেক সময়
বলে আপনার বাচ্চার ওজন বেশি তাই
তারাতারি অপারেশন করতে হবে ।
জন্মের পর বলবে ওজন কম এইজন্য
লাইফসাপোর্ট এ রাখতে হবে । এতো কিছু
লাগে না । নরমাল ডেলিভারি সবচাইতে
ভালো । বাচ্চা হওয়ার পরপরই মায়ের
বুকে দেয়া উচিৎ এবং শালদুধ খাওয়াতে
হবে । অনেক সময় মায়ের বুকে দুধ আসতে
দেরি হয় । এইসময় দুধ না আসলেও
বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা
করতে হবে , বাচ্চা চুষলেই দুধ আসবে ।
এছাড়াও এই বিষয়ে সাহায্য প্রদান করে
এমন একটি সংস্থা হচ্ছে বাংলাদশ
ব্রেস্টফিডিং ফাউন্ডেসন ( http://bbf-
bangladesh.org/ ) যা মহাখালিতে অবস্থিত
। এদের প্রশিক্ষিত নার্সরা খুব সামান্য
ফি এর বিনিময়ে আপনার বাসায় গিয়ে
দুধ খাওয়ানোর বিষয়ে সাহায্য করবে ।
অনেক সময় দুধ এর শিরায় ব্লক থাকে ,
এইজন্য বাচ্চা দুধ পায় নাই । এইসব বিষয়ে
BBF সবচাইতে ভালো সাহায্য করতে
পারে । ভুলেও বাচ্চাকে ফর্মুলা বা
পাউডার দুধ খাওয়াবেন না । এইটা
বাচ্চার শরীরের জন্য অনেক ক্ষতিকর ।
মায়ের বুকের দুধই শ্রেষ্ঠ খাবার । সবাই
ভালো থাকবেন ।

--
Director -
Md. Asaduzzaman RaSeL
Friends Computer Training Center

Ranihati Bazar, Allahr Dan Market ( 2nd Flor) ,
Shibgonj, Chanapnawabgonj
+8801725345677

Saturday, May 30, 2015

আমাদের দেশে গ্যাস্টিকের সমস্যা নেই এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়াই যাবে
না। এই সমস্যাটি মূলত ভাজাপোড়া খাবার খেলেই বেশি হয়ে থাকে। অনেকেরই এ সব
খাবার খাওয়ার পরে পেট ব্যথা বা বুকে ব্যথা কিংবা বদ হজম হয়।

অথচ এই সমস্যা দূর করার জন্য ওষুধ না খেয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিচের
যেকোন একটি নিয়ম মানলেই চলবে।
১। আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা নিন। তারপর অল্প একটু লবন মাখিয়ে খেয়ে
ফেলুন। আদা খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক কাপ কুসুম গরম পানি খান। গভীর রাতে আর
গ্যস্ট্রিকের সমস্যা হবে না। অথবা
২। এক গ্লাস পানি একটি হাড়িতে নিয়ে চুলায় বসান। এর আগে এক ইঞ্চি পরিমাণ
কাঁচা হলুদ পানিতে দিয়ে দিন। পানি অন্তত পাঁচ মিনিট ফুটতে দিন। তারপর
নামিয়ে আনুন। পানি ঠাণ্ডা হলে হলুদসহ খেয়ে ফেলুন। গ্যাস্ট্রিক দৌঁড়ে
পালাবে। অথবা
৩। ওপরের সমস্ত পদ্ধতি ঝামেলার মনে হলে শুধুমাত্র এক গ্লাস পানিতে এক চা
চামচ মধু মিশিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। কখনোই রাতে পেট বা বুক
ব্যথা করবে না।

Friday, February 6, 2015

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য কিছু নির্দিষ্ট খাবার আছে যা একেবারেই খাওয়া উচিৎ নয়।


** ক্যান্ডি
.....!.........

শুধুমাত্র চিনিতে ভরপুর ক্যান্ডিই নয় ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য চিনির তৈরি কুকিস, সিরাপ বা যেকোন ধরণের পানীয় খুব ক্ষতিকর। এগুলো খেলে রক্তের সুগার অনেক বৃদ্ধি পায় এবং স্বাভাবিক ভাবেই ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রনে থাকেনা। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের এই খাবার গুলো এড়িয়ে চলা উচিৎ।

** ফলের জুস
.....................

ফলের জুস থেকে আস্ত ফল খাওয়াটাই অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর কারণ বলে থাকে ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেট। কিন্তু সুপারশপ থেকে কেনা যেকোন ফলের জুস কিনে খাওয়াটা মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে চিনি ও নানা ধরণের কেমিক্যাল যা ডায়াবেটিক রোগীদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। ফলের জুস খেতে চাইলে বাড়িতেই চিনি ব্যবহার ছাড়া জুস বানিয়ে খেতে পারেন।


** কিশমিশ
....................


কিশমিশ খাওয়া খুব স্বাস্থ্যকর হলেও ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য কিশমিশ ভাল নয়। তবে অন্য যে কোন স্ন্যাক্স জাতীয় খাবার থেকে কিশমিশের মত ড্রাইফ্রুট খাওয়া ভাল। তবে যেকোন ফল যখন ড্রাই করা হয় তখন তাতে চিনির পরিমান দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়। তাই তখন তা দেহের জন্য অস্বাস্থ্যকর হয়ে যায়।

**ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস
.....................
ডুবো তেলে ভাজা ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস ডায়াবেটিক রোগীদের স্বাস্থ্যকর নয়। কারণ এই খাবার দেহের ওজন বৃদ্ধি করে এবং রক্তে প্রয়োজনীয় সুগারের মাত্রা নষ্ট করে দেয়। ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস, আলুর চিপস, ডোনাটস এই খাবার গুলো একজন ডায়াবেটিক রোগীর রক্তের গ্লুকোজের পরিমান কমিয়ে দেয়। তাছাড়া অতিরিক্ত ফ্রেঞ্চ ফ্রাইস খেলে তা দেহে কোলেস্টোরল এর মাত্রা বেড়ে যায় ও হার্ট এর সমস্যা হয়ে থাকে।

***সাদা ব্রেড
....................

শুধু সাদা ব্রেডই নয় সাদা ভাত, সাদা পাস্তা যেকোন জিনিস যা সাদা ময়দা দিয়ে তৈরি এগুলো সহজে হজম হলেও এই খাবার গুলোতে যেই মাত্রায় সুগার থাকে তা ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ভাল নয়। এই খাবার গুলো দেহের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রনে বাধা দিয়ে থাকে তাই ডায়াবেটিক রোগীদের এই সাদা ময়দা দিয়ে তৈরি খাবার না খাওয়াই ভাল।


** ঘন দুধের তৈরি কোন খাবার
.................................................

দুধ খাওয়া ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ভাল। কিন্তু কোন খাবার যাতে দুধের পরিমাণ খুব বেশি যেমন – দই, দুধের তৈরি ক্রিম, চিজ এই খাবার গুলো ডায়াবেটিক রোগীদের না খাওয়াই উত্তম।

জেনে রাখুন লক্ষনগুলো সম্পর্কে।
১। অনিদ্রায় ভোগা এই রোগের প্রথম লক্ষণ।
২। দেহের হাত, পা, পায়ের পাতায় পানি এসে ফুলে থাকে এবং চোখের চারপাশেও ফুলে থাকা।
৩। পেশাবের সাথে রক্ত আসা কিংবা পেশাবের রং লাল বর্নের হওয়া।
৪। রাতে খুব ঘন ঘন পেশাব হওয়া ।
৫। দেহ ক্লান্তও উদাসীন লাগা।
৬। ক্ষুধা কমে যাওয়া।
৭। ঘন ঘন মাথা ব্যথা হওয়া।
৮। শরীর ও মাংসপেশি ব্যথা করা।
৯। হাই ব্লাড প্রেশার ও দেহে রক্তশুন্যতা সমস্যা।
১০। শ্বাস কষ্ট হওয়া, হার্টবিট কমে যাওয়া, চেহারা ফ্যকাশে হয়ে যাওয়া, মানসিক বিভ্রান্তি দেখা দেওয়া, কামশক্তি কমে যাওয়া, দাহের চামড়া হলুদ বর্ণের হয়ে যাওয়া

Monday, February 2, 2015

জেনে নিন যে খাবার গুলো ঘুমের ঔষধের মতোই কাজ করে।

১) কাঠবাদাম
কাঠবাদামকে সুপার ফুড বলা হয়। কারণ কাঠবাদামের ভিটামিন ও মিনারেলস আমাদের নানা রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। কাঠবাদামের মিনারেল ম্যাগনেসিয়াম ঘুমের উদ্রেক করে। জার্নাল অফ অর্থমলিকিউলার মেডিসিনের একটি গবেষণায় প্রকাশিত হয়, 'যখন আমাদের দেহে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা কমে যায় তখন আমাদের অনিদ্রার সমস্যা শুরু হয়, কাঠবাদাম এই ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করে দেয়'।


২) মধু
ঘুমুতে যাওয়ার আগে মাত্র ১/২ চা চামচ মধু খাওয়ার অভ্যাস ঘুমাতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা যায় মধুর প্রাকৃতিক চিনি আমাদের দেহের ইনসুলিনের মাত্রা বাড়ায় এবং ট্রাইপ্টোফেন নামক হরমোন খুব সহজে মস্তিষ্কে প্রবেশ করতে পারে। এতে করে ঘুমের উদ্রেক হয়।


৩) কলা
নিউট্রিশনাল বায়োকেমিস্ট শন ট্যালবট বলেন, 'ঘুম না আসলে একটি কলা খেয়ে নিন, কলার পটাশিয়াম মস্তিষ্ককে রিলাক্স করতে সহায়তা করে'। কলার ম্যাগনেসিয়ামও আমাদের মাংসপেশি শিথিল করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট মাইকেল ব্রেউস বলেন, 'ঘুমুতে যাওয়ার আগে কলা খান বা কলার স্মুদি তৈরি করে পান করুন, ঘুমআপনাআপনিই চলে আসবে'।

৪) মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলু পটাশিয়ামের অনেক ভালো একটি উৎস যা আমাদের মাংসপেশি, নার্ভ শিথিল করতে কাজ করে। এতে করে আমাদের মস্তিষ্কও অনেকাংশে রিলাক্স হয়। নিউট্রিশনাল বায়োকেমিস্ট শন ট্যালবট বলেন, 'মাত্র অর্ধেকটা পরিমাণে মিষ্টি আলু ঘুমের জন্য অনেক ভালো কারণ এতে গয়েছে পটাশিয়াম এবং কার্বস'।
৫) দুধ
ঘুমের ঔষধের মতো কাজ করতে বিশেষভাবে কার্যকরী যে খাবারটি তা হচ্ছে দুধ। গবেষকগণ বলেন দুধের ক্যালসিয়াম মেলাটোনিন উৎপন্ন করে যা আমাদের দেহের ২৪ ঘণ্টার ঘুম ও জেগে থাকার সাইকেলটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। তাই ঘুম না আসলে ১ গ্লাস উষ্ণ গরম দুধ পান করে নিন। দেখবেন খুব সহজেই ঘুম চলে আসবে।


৬) ডিম
ঘুমের জন্য কার্যকরী আরেকটি সুপাদ ফুড হচ্ছে ডিম। গবেষণায় দেখা যায় ডিম উচ্চ মাত্রার প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যা রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে যা পুরোরাত নিশ্চিন্তে ঘুমুতে সাহায্য করে থাকে। তাই রাতের খাবারে রাখুন সেদ্ধ ডিম অথবা প্রোটিন সমৃদ্ধ কোনো খাবার।

Wednesday, January 28, 2015

Tuesday, January 13, 2015

প্রশ্নঃ- বিয়ে হয়েছে বেশ
অনেকদিন। কিন্তু
সমস্যা হচ্ছে আমি কখনোই আমার
স্ত্রীর যৌন
উত্তেজনা বুঝতে পারি না।
মিলনের সময়তেও সে চুপচাপ থাকে।
সে যৌন মিলনে আনন্দ
পাচ্ছে কিনা এটাও বোঝার উপায়
নেই। সে কখনো নিজে থেকে আমার
কাছে আসে না, আমি আহবান
করলে এক প্রকার অনিচ্ছা নিয়েই
যেন আসে। কীভাবে বুঝব স্ত্রী যৌন
উত্তেজিত কিনা?
কিংবা কীভাবে বুঝব যৌন
মিলনে সে আগ্রহী কিনা?
উত্তরঃ- নারীদের যৌন উত্তেজনার
বেশ কিছু লক্ষণ আছে। একজন
নারী যৌনতার আগ্রহে উত্তেজিত
হলে তাঁর যোনি পিচ্ছিল হয়ে উঠবে,
এটা মোটামুটি সকলেই জানেন।
কিন্তু এর বাইরেও কিছু বাহ্যিক
লক্ষণ আছে,
যেগুলো দেখে আপনি বুঝতে
পারবেন যে আপনার
স্ত্রী বা প্রেমিকা যৌন
মিলনে আগ্রহী।
যেমন-
- নারীরা যৌন
মিলনে আগ্রহী হলে তাঁদের
ঠোঁট রক্তাভ হয়ে ওঠে।
স্বাভাবিকের চাইতে অনেক
বেশি লাল হয়ে যায় ঠোঁট।
- নারীদের গালেও
লালিমা দেখা দেয়
উত্তেজনায়। অনেকে একটু একটু
ঘামেন, নিঃশ্বাস
ভারী হয়ে আসে।
- যৌন উত্তেজিত হলে শরীর
খুবই স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে।
আপনার সামান্য স্পর্শেই
শিহরিত হয়ে উঠবেন তিনি।
- যতই লাজুক স্বভাবের
নারী হোন না কেন, যৌন
মিলনে আগ্রহী হলে তিনি
নিজেই আপনার
কাছে আসবেন।
হয়তো সরাসরি কিছু না বললেও
আপনার কাছে এসে বসবেন,
আলতো স্পর্শ করবেন, চুমু
খাবেন, চোখের ইশারায়
কথা বলবেন।
- প্রবল উত্তেজনার সময় যৌন
মিলন
কালে তিনি আপনাকে আঁচড়ে
কামড়ে দেবেন। হাতের নখ
আপনার
শরীরে গেঁথে বসতে পারে,
গলায়
কানে ইত্যাদি স্থানে তিনি
কামড় দেবেন উত্তেজনায়।
- এছাড়াও মিলনের সময়
শীৎকারে বুঝবেন
যে তিনি আনন্দ পাচ্ছেন ও
প্রবল ভাবে উত্তেজিত।
অনেকেই জোরে আওয়াজ
করেন না, কিন্তু একটা মৃদু "আহ
উহ" আওয়াজ হবেই।
এবার আসি আপনার সমস্যার
ব্যাপারে। যদি স্ত্রী আপনার
সাথে যৌন মিলনে আগ্রহ
না দেখান,
তাহলে হতে পারে সেটা তাঁর
লজ্জার কারণে। বিষয়টি লজ্জার
কারণে হলেও
আপনি সেটা বুঝতে পারবেন।
আপনি স্পর্শ করলে তিনি শিহরিত
হবে, যোনি পিচ্ছিল হয়ে যৌন
মিলনের জন্য প্রস্তুত হবে,
তিনি আপনাকে বাঁধা দেবেন
না মিলনে।
কিন্তু একটা জিনিস মনে রাখবেন,
যৌন মিলনে আগ্রহ
না দেখানো এবং অনীহা প্রকাশ
করা, দুটি কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন
ব্যাপার। তিনি যদি আগ্রহী না হন,
তাহলে আপনাকে দূরে ঠেলবেন।
কখনোই সুখী হবেন না।
জনিকে মিলনের জন্য প্রস্তুত
করতে অনেকটা সময় লেগে যাবে।
মিলনের পর যত দ্রুত সম্ভব আপনার
কাছ থেকে সরে যাবেন তিনি আর
এই ব্যাপারে কোন কথাও বলবেন না।
এবং নিজ হতে আপনাকে আদরও
করবেন না তিনি।
স্ত্রী আপনার, নিজেই বুঝে নিন
কোনটা হচ্ছে আপনার ক্ষেত্রে।

Thursday, January 1, 2015

একটি সুন্দর হাসি সবারই কাম্য।
আর তা যদি হয় মুক্ত ঝরা হাসি,
তাহলে তো কথাই নেই। আর সেই
মুক্ত ঝরা হাসি সেই
হাসতে পারে যার রয়েছে মুক্তর
মতো ঝকঝকে দাঁত। কিন্তু সেই
দাঁত কতদিন থাকে মুক্তোর
মতো ?
বিভিন্ন কারনে তা হয়ে যায়
হলদেটে, যা কারোরই কাম্য নয়।
তবে চিন্তা নেই, দাঁতের
হলদে ভাব দূর করারও উপায়
রয়েছে। তাও আবার দাঁতের
বাড়তি যত্ন না নিয়েই।
অর্থাৎ দাঁতের হলদে ভাব দূর
করবে কিছু খাবার
এবং কয়েকটি নিয়ম মানলেই
আপনার দাঁত থাকবে সাদা ও
ঝকঝকে। আসুন জেনে নেই সেই
খাবারগুলো ও
নিয়মগুলো সম্বন্ধে-
* ফল ফল বিশেষ করে আপেল
এবং স্ট্রবেরিতে রয়েছে ম্যালি
অ্যাসিড যা দাঁত সাদা করার
একটি চমত্কার প্রাকৃতিক
উপাদান। নিয়মিত ফল
খেলে দাঁতে সহজে দাগ
পড়ে না বা হলদেটে হয় না।
* সবজি গাজর, সবুজ শাক
এবং ব্রকোলির মতো সবজি দাঁত
থেকে দাগ দূর করতে সাহায্য
করে। সালাদে গাজর খান
নিয়মিত। এতে যেমন দাঁত
ভালো থাকবে, তেমনি গাজর
থেকে পাবেন প্রচুর
পরিমাণে ক্যারোটিন
তথা ভিটামিন এ, যা আপনার
চোখ, ত্বক ও চুল রাখবে সুস্থ।
* শুকনো ফল ড্রাই ফ্রুট
বা শুকনো ফল যেমন কিশমিশ
দাঁত সাদা রাখতে সাহায্য
করে।
* চিনি ছাড়া চুয়ুংগাম
চিনি ছাড়া চুয়িংগাম দাঁতের
দাগ দূর করার একটি চমত্কার
উপায়।
এটি দাঁতকে সাদা রাখতে সাহা
করে।
* দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার দুধ
এবং দুগ্ধজাত
খাবারে রয়েছে প্রচুর
পরিমাণে ক্যালসিয়াম
যা দাঁতের জন্য খুবই জরুরি।
এছাড়া দুগ্ধজাত খাবার, যেমন
দই এবং পনির দাঁতের এনামেল
বজায় রাখতে সাহায্য করে।
যে নিয়মগুলো মেনে চললে দাঁত
থাকবে সাদা ও জকঝকে
* ব্রাশ করার
আগে ভালো মানের কোন
টুথপেস্টের সঙ্গে যোগ করুন ১
চামচ বেকিং সোডা ও
আধা চামচ পানি।
তিনটি উপাদানই
একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট
তৈরি করুন। এরপর ব্রাশ করুন।
সপ্তাহে দুই দিন এভাবে ব্রাশ
করলে দেখবেন আগের
চেয়ে ঝকঝকে হতে শুরু
করেছে দাঁত।
* প্রাকৃতিক উপায়ে কলার
খোসা দিয়েও দাঁত
সাদা করতে পারেন। যেমন
একটি কলার
খোসা ছাড়িয়ে ভেতরের
অংশটা দাঁতে ঘষুন। কিছুক্ষণ পর
পানি দিয়ে কুলি করে ফেলুন
এবং দেখুন দাঁতের অনেকটাই
হলদে ভাব দূর হয়েছে। সপ্তাহে ২
থেকে ৩ বার এই পদ্ধতি ব্যবহার
করতে পারেন।
* অলিভ ওয়েলও দাঁত
সাদা করার ক্ষেত্রে দারুণ
কার্যকর। সামান্য তুলোর মধ্যে ৩
থেকে ৪ ফোঁটা অলিভ ওয়েল
নিয়ে দাঁতে ঘষুন। এরপর ব্রাশ
করে দেখন সুন্দও লাগছে।
* স্ট্রবেরির সঙ্গে সামান্য
পরিমানে বেকিং সোডা মিশি
দাঁতে ঘষতে পারেন। এই পেস্ট
দাঁত সাদা করতে সহায়তা করে।
তবে মাসে একবারের
বেশি ব্যবহার করা ঠিক হবেনা।

ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ,
অ্যালার্জি, ঠাণ্ডা,
কানে পানি ঢোকা, দুর্ঘটনায়
কানে ব্যথা পাওয়া, ফাঙ্গাস,
কানের ভেতরে ব্রণের সমস্যা,
কানের কোনো রোগ ইত্যাদি সহ
আরও নানা কারণে কানে তীব্র
ব্যথা হতে পারে। কানের
ব্যথা অনেক যন্ত্রণাদায়ক। এই
সময় ভুলেও কানে আঙুল
কিংবা অন্য কোনো কিছু
অথবা কটন বাড জাতীয় জিনিস
ঢোকানো যাবে না। কানের
ব্যথা কমাতে ঘরোয়া কিছু
চিকিৎসা নিতে পারেন খুব
সহজেই। এতে করে খুব দ্রুত কানের
তীব্র
ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
যদি এতে কাজ না হয় তবে দ্রুত
ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।
গরম ভাপ
একটি বোতলে কিংবা হট
ব্যাগে গরম
পানি নিয়ে অথবা একটি সুতি প
গরম পানিতে ভিজিয়ে কানের
কাছে চেপে ধরুন। গরম ভাপ
কানের ভেতরে গেলে কানের
ভেতরে রক্ত সঞ্চালন
বৃদ্ধি পাবে। এতে করে কানের
ব্যথা উপশম হবে।
রসুন ও তিলের তেল
রসুনের অ্যান্টিবায়োটিক
উপাদান কানের ব্যাকটেরিয়ার
আক্রমণের ব্যথা উপশমে কাজ
করে। ২ টেবিল চামচ তিলের
তেলে ১ চা চামচ
থেঁতো করা রসুন ফুটিয়ে নিন ২/৩
মিনিট। রসুন ছেঁকে নিয়ে এই
তেল ঠাণ্ডা হতে দিন। তেল
ঠাণ্ডা হলে ২/১ ফোঁটা তেল
কানের ভেতর দিয়ে দিন।
ব্যথা কমে যাবে।
আদা
আদার
অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান
দ্রুত কানের ব্যথা উপশমে বেশ
কার্যকরী। আদা ছেঁচে নিয়ে এর
তাজা রস ২/৩ ফোঁটা কানের
ভেতর দিয়ে দিন। ব্যথা উপশম
হবে। এছাড়াও
আদা থেঁতো করে তিলের
তেলে ফুটিয়ে তেল কানের
ভেতর দিতে পারেন, এতেও
ভালো কাজ হয়।
অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েল গরম করে নিন। কুসুম
গরম থাকতে থাকতেই ৩/৪
ফোঁটা অলিভ অয়েল ড্রপার
দিয়ে কানের ভেতর দিয়ে দিন।
এতে কানের ইনফেকশন জনিত
ব্যথা থেকে মুক্তি পাবেন খুব
দ্রুত।
পেঁয়াজ
পেঁয়াজ অনেক
কার্যকরী অ্যান্টিসেপ্টিক।
পেঁয়াজ গ্রেট
বা কুঁচি করে নিয়ে চিপে রস
বের করে দিনে অন্তত ২/৩ বার
৩/৪ ফোঁটা করে আক্রান্ত কানের
ভেতর দেবেন। এতে করে কানের
ব্যথা দূর হবে।
লবণ
একটি প্যানে লবণ
দিয়ে ভাজতে থাকুন। লবণ
বাদামী বর্ণ ধারণ
করলে তা চুলা থেকে নামিয়ে এ
কাপড়ে পেঁচিয়ে নিয়ে কানের
এই লবণের গরম ভাপ নিন।
এতে করে কানের
ব্যথা তাৎক্ষণিকভাবে উপশম
হবে।

এছাড়াও ব্যাথার ঔষধ খেতে পারেন
Tab- Clofenac Sr, Tab- Dickofen Sr,
এর সাথে গ্যাসের ঔষধ খেতে ভুলবেন না যেন।
tab- Ranitid, Tab- Newtack

-------- Original Message --------
Subject: কিসমিশ এর উপকারিতা
From: Friends Computer Training Center <friendscomputer.ranihati@gmail.com>
To: raselpharmacy.rasel@blogger.con
CC:

খাদ্য-পুষ্টিবিষয়ক
একটি ওয়েবসাইটে কিশমিশকে '
হিসেবে আখ্যা দিয়ে জানানো
শুধু মুখের স্বাদের জন্যই নয়
সারাদিনের কর্মশক্তির অন্যতম
উৎস হতে পারে এই শুকনা ফল।
আঙুর ফলের শুকনা রূপই
হচ্ছে কিশমিশ।
যা তৈরি করা হয় সূর্যের তাপ
অথবা মাইক্রোওয়েভ ওভেনের
সাহায্যে। তাপের
কারণে আঙুরের
ফ্রুক্টোজগুলো জমাট
বেঁধে পরিণত হয়
কিশমিশে এটি রক্তে শর্করার
মাত্রায়
ঝামেলা তৈরি করে না। আর
শতকরা ৭০ ভাগ খাঁটি এই
ফ্রুক্টোজ সহজেই হজমযোগ্য।
এছাড়া আঙুরের বিভিন্ন
পুষ্টিগুণ যেমন ফসফরাস,
ক্যালশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম,
কপার, জিংক, লৌহ, ফ্লোরাইড,
পোটাসিয়াম, ফোলাট,
নিয়াসিন, কোলিন, ভিটামিন
বি সিক্স, সি,
কে এবং রিবোফ্লাবিন
কিশমিশেও পাওয়া যায়।
তাই স্বাস্থ্যকর
খাদ্যাভ্যাসে জন্য
খাদ্যতালিকায় কিশমিশ
রাখতে পারেন। প্রতিদিন এই
পিচ্চি শুকনা ফলের
১২টি খেলেই যাদুমন্ত্রের
মতো কাজ করবে।
ভালো রাখে মুখের স্বাস্থ্য
ক্যান্ডির
মতো দাঁতে লেগে থাকেনা কিশ
ফলে থাকে না ক্যাভিটি তৈরির
আশঙ্কা। বরং কিশমিশের
পাইথোনিউট্রিয়েন্ট,
অলিয়ানলিক এসিড
নামে পরিচিতি যা ব্যাকটেরিয়
ক্যাভিটি ধ্বংস করে মুখের
স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
রক্তশূন্যতা রোধ করে
রক্তে লৌহের পরিমাণ কম
হলে অবশাদ, দুর্বলতা, হতাশায়
ভুগতে পারেন, ব্যহত
হতে পারে শরীরের রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতাও।
কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে লৌহ
আছে যা রক্তশূণ্যতায়
ভোগা রোগির খুবই উপকারি।
এছাড়া রক্ত ও লোহিত
কণিকা তৈরি জন্য দরকার
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও কপার,
যা কিশমিশে থাকে। এককাপ
কিশমিশ ৬মি.গ্রা. লৌহের
যোগান দেয়, যা প্রতিদিনের
লৌহের চাহিদার ১৭ শতাংশ
পূরণ করত পারে।
হাড় সুস্থ রাখে
আজকাল অস্টিওপোরোসিস
রোগে অনেকেই ভুগে থাকেন।
হাড়ের এই রোগ প্রতিরোধ
করতে বোরন নামের খনিজ
পদার্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আর কিশমিশ বোরনের অন্যতম
উৎস।
বোরনে রয়েছে ক্যালসিয়াম,
ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম—
যা হাড় গঠনের
পাশাপাশি শরীরে টেসটোসটের
এবং ইস্ট্রোজেনের মাত্রা ঠিক
রাখতে সাহায্য করে।
অ্যাসিডিটি স্বাভাবিক করে
অতিরিক্ত অ্যাসিডিটি বা রক্ত
দুষিত
হওয়াকে বলে অ্যাসিডোসিস,
যা থেকে আরথ্রাইটিস,
চামড়া রোগ, হৃদরোগ
এবং ক্যান্সার হতে পারে।
অ্যান্টাসিডস
হিসেবে পরিচিতি দুটি উপাদান
ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম
শরীরের ক্ষরীয়ভাব স্বাভাবিক
করে অ্যাসিডোসিসের হাত
থেকে বাঁচায়। আর এই
উপাদানগুলো কিশমিশে রয়েছ
আঁশে পূর্ণ
কোলোরেক্টাল ক্যান্সার
থেকে মুক্ত থাকার জন্য
যারা খ্যাদ্যাভ্যাসে আঁশযুক্ত
খাদ্য রাখতে চান তাদের জন্য
কিশমিশ হতে পারে আদর্শ
খাবার। কারণ এক টেবিল-চামচ
কিশমিশ
আপনাকে দিতে পারে এক গ্রাম
হজম সহায়ক আঁশ।
দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে
নিয়মিত কিশমিশ খেলে বৃদ্ধ
বয়সে দৃষ্টিহীন হওয়ার
সম্ভবনা কমে যায়।
পাশাপাশি কিশমিশে থাকা প
উপাদান ক্ষতিকারক ফ্রি-
রেডিকেলস ধ্বংস
করে চোখকে বিভিন্ন রোগ
থেকে রক্ষা করে।
অ্যান্টি কোলেস্টের উপাদান
কিশমিশে কোলেস্টেরলের
পরিমাণ শূন্য। শুধু তাই নয়,
এতে আছে অ্যান্টি কোলেস্টের
উপাদান যা শরীরের খারাপ
কোলেস্টেরল কমায়।
এছাড়া কিশমিশে থাকা দ্রবণীয়
ফাইবার যকৃত থেকে খারাপ
কোলেস্টেরল দূর
করতে সহায়তা করে। এককাপ
কিশমিশ থেকে ৪ গ্রাম দ্রবণীয়
ফাইবার পাওয়া যায়।
তাছাড়া কিশমিশে থাকা অ্যান্
অক্সিডেন্ট পলিফেনল
কোলেস্টেরলকে শরীর
থেকে এনজাইম শোষণ
করা থেকে বিরত
রাখতে সাহায্য করে।
মস্তিষ্কের খাদ্য
কিশমিশে থাকা বোরন
মস্তিষ্কের খাদ্য হিসেবে কাজ
করে। তাছাড়া বোরন মনোযোগ
বৃদ্ধি, চোখের সঙ্গে হাতের
সামঞ্জস্য
বাড়ানো স্মৃতিশক্তি তীক্ষ্ণ
করতে সাহায্য করে। একশ গ্রাম
কিশমিশ থেকে ২.২ মি.গ্রা.
বোরন পাওয়া যায়।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
বিষাক্ত পদার্থ দূর করে রক্ত শুধু
পরিষ্কারই করে না,
পাশাপাশি রক্তচাপ
কমাতে সাহায্য করে কিশমিশ।
মূলত
কিশমিশে থাকা পটাসিয়াম
রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
সাধারণত উচ্চ মাত্রার
সোডিয়াম শরীরে রক্তচাপ
বাড়ায়। কিশমিশ
শরীরে সোডিয়ামের
মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে

বদ হজম একটি ভীষন অস্বস্তিকর
সমস্যা। কম বেশি সবাই এই
সমস্যায় ভুগে থাকেন। খাবারের
অনিয়ম,
বেশি খাওয়া অথবা বাইরের
তেলযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে এ
সমস্যা হয়ে থাকে। এ সমস্যা দুর
করতে অনেকই অনেক ধরনের ঔষধ
খেয়ে থাকেন। কিন্তু
তাতে কিছুটা উপশম হলেও
পুরোপুরি সমাধান পাওয়া যায়
না। তাই আসুন জেনে নেই বদহজম
সমস্যা সমাধানের কিছু সহজ
উপায়-
* ১ কাপ পানিতে ১ টেবিল চামচ
সাদা ভিনেগার ও ১ চা চামচ
মধু মিশিয়ে পান করুন দিনে ৩-৪
বার। বদহজমের
সমস্যা একেবারে দূর হয়ে যাবে।
* ১ টেবিল চামচ আদার রস, ১
টেবিল চামচ লেবুর রস ও ১
চিমটি লবণ
ভালো করে মিশিয়ে পানি ছাড়
পান করুন। দেখবেন বদহজমের
সমস্যা দূর হয়ে গেছে।
* আদা কুচি লবণ
দিয়ে চিবিয়ে খেলেও উপশম
হবে সমস্যার।
* ২ কাপ
পানিতে আদা কুচি দিয়ে জ্বাল
দিয়ে ১ কাপ পরিমাণ
করে এতে সামান্য মধু
মিশিয়ে আদা চা তৈরি করে পা
করে নিন। এতেও দূর হবে হজমের
সমস্যা।
* ২ কাপ পরিমাণ পানিতে ১
টেবিল চামচ
দারুচিনি গুঁড়ো অথবা ৪
টুকরো মাঝারি আকারের
দারুচিনি ছেঁচে দিয়ে জ্বাল
দিতে থাকুন। ১ কাপ
পরিমাণে পানি কমে আসলে না
মধু মিশিয়ে গরম গরম পান
করে নিন দারুচিনির চা।
এতে দ্রুত বদহজমের
সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।
* পাকস্থলীর অপ্রয়োজনীয়
অ্যাসিডের অতিরিক্ত
নিঃসরণের ফলেই বদহজম
হয়ে থাকে। এই সমস্যা দূর
করতে বেশ কার্যকর
বেকিং সোডা। আধা গ্লাস
পানিতে আধা চা চামচ
বেকিং সোডা মিশিয়ে পান
করুন। দ্রুত বদহজমের সমস্যা দূর
হবে।
* গরম পানিতে সামান্য লবন
মিশিয়ে পান করলে বেশ উপকার
পাবেন। তবে পানি টা যত
বেশি গরম গরম পান করা যায়
ততই ভালো।


কিছু ঔষধের নাম :::

Domperidon হ্রুপের ওষুধ খেতে পারেন।

Tab- Dompi, Tab- Omidon, Tab-- Sardon, Tab- Atidim, Tab - Moodine, Tab - Motigut, ইত্যাদি।

এছাড়াও গ্যাসের জন্যেও হয়ে থাকে।
Tab - Ranitid, Tab- Newtack, Tab- Newseptin R ইত্যাদি খেয়ে দেথতে পারেন। অথবা প্রয়োজকে ডাক্তারেরে সাথে যোগাযোগ করুন।

Monday, December 29, 2014

রোগে রাতে ঘুমানোর সময়
কিংবা দুপুরে খাওয়ার পর বুক
জ্বালা পোড়া করে। অনেক
ডাক্তারের দেয়া ওষুধ খেয়েও
হয়তো গ্যাস্ট্রিক থেকে নিস্তার
মেলে নি। অথচ অল্প
কয়েকটি সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই
গ্যাস্ট্রিককে দূরে রাখা যায়।
প্রতিবেলায় যেটুকু খাবার খাচ্ছেন
আজ থেকেই
তা অর্ধেকে নামিয়ে আনুন। ভয়
পাওয়ার কোনো কারণ নেই।
আপনাকে খাওয়া কমিয়ে দিতে বলছি না।
শুধু প্রতিবেলার খাবার
একবারে না খেয়ে দুইবারে খান।
এভাবে তিনবেলার খাবার ছয়বারে।
এতে হজমে সুবিধা হবে।
খাওয়া কখনোই তাড়াহুড়ো করে নয়।
ধীরে সুস্থে সময় নিয়ে চিবিয়ে খান।
প্রতি লোকমা ভাত
বা রুটি ভালো করে চিবোন। খাওয়ার
পর পর শুয়ে পড়া উচিত নয়। বরং একটু
হাঁটাচলা করুন। পেটের খাবার
তাড়াতাড়ি হজম হবে।
দিনে নিয়ম করে কমপক্ষে দুই লিটার
পানি পান করুন।
পানি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।
খাওয়ার আগেই প্যান্ট বা লুঙ্গির
গিঁট ঢিলা করে নিন। শক্ত বাঁধন টক
ঢেকুরের কারণ হতে পারে।
গ্যাস্ট্রিক
কমাতে হাঁটাচলা এবং ব্যায়ামের
কোনো বিকল্প নেই। তাই নিয়ম
করে হাঁটাচলা করুন।
সবচেয়ে ভালো হয়
যদি তিনবেলা খাওয়ার পর একটু
হাঁটতে পারেন। রাতে ঘুমানোর
তিনঘণ্টা আগে রাতের খাবার
খেয়ে নিন।
প্রতিদিনের মেন্যুতে আঁশযুক্ত খাবার
যোগ করুন। আঁশযুক্ত খাবার খুব দ্রুত হজম
হয়। লাল আটার রুটি, লাল চালের
ভাত, যেকোন ধরণের ডাল প্রধান
আঁশযুক্ত খাবার।
গ্যাস্ট্রিকের প্রধান শত্রু ধূমপান।
সিগারেটের নিকোটিন খাবার
হজমে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব
ফেলে। তাই সবার আগে ধূমপান ত্যাগ
করুন।
অনেক সময় মানসিক চাপ থেকেও বুক
জ্বলা শুরু হতে পারে। তাই
নিশ্চিন্তে থাকার চেষ্টা করুন।
পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন। মানসিক
প্রশান্তি এই রোগ
থেকে মুক্তি দিতে পারে আপনাকে।

ঔষধ
..........
Tab- Ranitid, tab- newtac, Tab- newseptinR, cap- seclo, Tab- antac
ইত্যাদি।
এগুলো খেলেও গ্যাস কমাতে পারেন

Saturday, December 20, 2014

পিরিয়ডের সময় বিশেষ
খাবার? খাওয়া দূরে থাক,
শিরোনাম পড়েই
অস্বস্তিতে ভুগতে শুরু করেছেন অনেক
নারী। আমাদের
দেশে মেয়েরা অনেক বড় বড় অসুখও
যেখানে লজ্জায় লুকিয়ে রাখেন,
সেখানে পিরিয়ডের সময়
খাওয়া দাওয়ার দিকে মনযোগ
দেয়ার
ব্যাপারটা তো কারো মাথাতেই
আসবে না। তবে সত্যটা হচ্ছে,
পিরিয়ডের এই ৩-৫ দিন অনেকটা রক্ত
বের হয়ে যায় শরীর থেকে, আর তাই
অবশ্যই শরীরের চাই বিশেষ খাবার।
তা না হলে প্রয়োজনীয় পুষ্টির
অভাবে দুর্বল হয়ে পড়বেন,
দেখা দেবে নানান শারীরিক
সমস্যা।
আসুন, জেনে নিই পিরিয়ডের সময়
কোন খাবারগুলো নারীর জন্য খুব
জরুরী।
১) পানি
একথা ভুলে গেলে চলবে না যে কেবল
রক্তপাত নয়, সেই সাথে শরীর
হারাচ্ছে অনেক খানি তরল। আর এই
অভাব পূরণ করতে পান করতে হবে প্রচুর
পানি। না, পানীয় নয়। সাধারণ
পানি। চা, কফি, কোলা ইত্যাদির
চাইতে অনেক বেশী স্বাস্থ্যকর
সাধারণ পানি। হালকা কুসুম গরম
পানি পান করতে পারেন, এতে পেট
ব্যথায় আরাম হবে।
২) মাছ
বিশেষ করে সামুদ্রিক
মাছে থাকে প্রচুর
পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল,
ফ্যাটি এসিড ইত্যাদি।
এবং এগুলো পিরিয়ড চলাকালীন
শরীরের ক্ষয় পূরণ
করে এবং ব্যথা কমাতেও
ভূমিকা রাখে। পিরিয়ডের সময় মাছ
খেতে ভুলবেন না যেন। সামুদ্রিক
মাছ খেলে আরও ভালো।
৩)কলা
হ্যাঁ, কলা। পিরিয়ডের
দিনগুলিতে কলা খেতে ভুলবেন
না একেবারেই। কলা পটাশিয়ামের
ও ভিটামিনের খুব ভালো উৎস,
যা পিরিয়ডের সময় আপনার জন্য
জরুরী। এই কলা পিরিয়ডকালীন
বিষণ্ণতা কমাতেও সহায়ক।
তাছাড়া পিরিয়ডের সময় অনেক
নারীই ডায়রিয়াতে ভুগে থাকেন,
যা দূর করতে সাহায্য করবে এই কলা।
৪) লাল মাংস
শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দেয়
পিরিয়ডের সময়ে, যা পূরণ করবে লাল
মাংস। চর্বি ছাড়া লাল মাংস
অবশ্যই রাখুন খাবারের তালিকায়,
সাথে রাখুন প্রচুর সালাদ। শরীর
থাকবে সুস্থ।
৫) বাদাম ও বীজ জাতীয়
খাবার
বাদাম ভর্তি নানান রকম ভিটামিন
ও মিনারেলে যা পিরিয়ডের সময়
শরীরের জন্য ভালো। তবে খেয়াল
রাখবেন, বাজারের
বাড়তি লবণে ভাজা বা চিনিতে জড়ানো বাদাম
খাবেন না। চীনা বাদাম, কাজু
বাদাম, কাঠ বাদাম, পেস্তা, আখরোট
ইত্যাদি তো খেতে পারেনই।
সাথে বীজ কুমড়ার বীজ সহ
নানা ধরণের বীজ রাখতে পারেন
খাবারের তালিকায়।
৬) ডার্ক চকলেট
পিরিয়ডের সময় প্রতিদিন কয়েক
টুকরো ডার্ক চকলেট
হতে পারে আপনার জন্য দারুণ
উপকারী। ডার্ক চকলেটে চিনি নেই,
ফলে ওজন বাড়বে না। বরং আছে প্রচুর
ম্যাগনেসিয়াম। এই চকলেট পিরিয়ড
চলাকালীন বিষণ্ণতাও দূর করবে।
৭) সবুজ শাক
সবুজ শাক ও সালাদের পাতা জাতীয়
খাদ্য এই মুহূর্তে আপনার
সবচাইতে বেশী প্রয়োজন।
এতে আছে প্রচুর আয়রন, যা শরীরের
ক্ষয় পূরণে সহায়তা করবে। অবশ্যই
প্রতি বেলার খাবারে রাখুন সবুজ
পাতা, যেমন- বিভিন্ন ধরণের শাক ও
সালাদ লিফ।

নারীর
জীবনে দু'তিনটে পর্বে পিরিয়ড
অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে।
মেনার্কি বা মেন্সট্রয়েশন শুরুর
সময়ে। এ সময় ওভারি ততটা পরিপক্ব
হয়ে ওঠে না বলে তার পূর্ণ
কর্মক্ষমতা দেখা যায় না। খেয়াল
করে দেখবেন ডেলিভারির পর ৩-৪
মাস পিরিয়ড একটু অনিয়মিত থাকে।
তবে সন্তানকে ব্রেস্ট
ফিডিং করালে এ পর্ব আরও
দীর্ঘায়িত হতে পারে। এ তো সবারই
জানা যে মধ্য বা শেষ
চল্লিশে ওভারি প্যাক আপ করার জন্য
তৈরি হয়। মেনোপজের আগে তাই
পিরিয়ড অনিয়মিত হয়।
পিরিয়ড ইরেগুলার বা অনিয়মিত
কিনা বুঝবেন কীভাবে?
উপরে উল্লেখ করা সময় ছাড়া যদি দুই
পিরিয়ডের মধ্যে ৫ সপ্তাহের
বেশি ব্যবধান হয় তবেই বুঝবেন
সমস্যা হয়েছে। তবে জীবনে অনেক
ঘটনা আছে যা যৌন হরমোনের
ব্যালান্স নষ্ট করতে পারে। তাতেও
পিরিয়ড বিঘ্নিত হয়।
স্ট্রেস :
মানসিক চাপ রিপ্রোডাকটিভ
সিস্টেমকে সহজেই প্রভাবিত করে।
পরীক্ষার সময় এমন হয়, খেয়াল
করেছেন? পিরিয়ডে একটু গোলমাল।
কখনও নিকটাত্মীয়
মারা গেলে বা দারুণ অসুস্থ হলে।
বাড়ি বদলালে অথবা চাকরি চেঞ্জ
করলেও দেখবেন
প্যাটার্নটা বদলে যায়। স্বাভাবিক
সুস্থ জীবনে ফিরে গেলেই কিন্তু সব
ঠিক হয়ে যায়।
বডি ওয়েট :
ওজন ধুম করে বাড়লে বা কমলে নর্মাল
সাইকল ব্যাহত হয়। আগে যা শরীরের
ওজন ছিল, সেখানে ফিরে গেলেও
পিরিয়ড আবার আগের
মতো স্বাভাবিক হতে একটু সময়
লাগে।
ডায়েট :
হঠাৎ ভেজিটেরিয়ান হয়ে গেলেন
বা ক্র্যাশ ডায়েট প্রোগ্রাম শুরু
করলেন। আপনি অবশ্যই
সমস্যা ডেকে আনলেন। পিরিয়ড ধুম
করে বন্ধ
হতে পারে কিংবা একেবারে অনিয়মিত
হয়ে যেতে পারে।
এক্সারসাইজ :
কথা নেই বার্তা নেই, প্রচুর ব্যায়াম
শুরু করে দিলেন। পিরিয়ডের
যে নিয়মিত চক্র, তা বিঘিœত
হতে পারে। আসলে বডি ফ্যাট হঠাৎ
কমলে হরমোনে বৈষম্যের
ফলে ওভারির ফাংশন পরিবর্তিত হয়।
ক্রনিক অসুখ :
কিছু অসুখ আছে যা লম্বা সময়
ধরে ভোগায়। যেমন ডায়াবেটিস,
থাইরয়েড, অ্যাজমা,
টিবি বা যক্ষ্মা, ক্যান্সার। পিরিয়ড
বন্ধ হয়েও যেতে পারে,
কমতে তো পারেই।
ড্রাগ :
অনেক ওষুধ রয়েছে যা নর্মাল
পিরিয়ডকে ব্যাহত করে। যেমন
অ্যান্টি-ডিপ্রেসান্ট।
লিভারে প্রতিক্রিয়ার জন্য হরমোন
লেভেলে রদবদল হয়। যেসব
কন্ট্রাসেপটিভে প্রজেস্টোরেন
রয়েছে তা থেকেও কিন্তু পিরিয়ড
অনিয়মিত হতে পারে। পিরিয়ড বন্ধও
হয়ে যায় অনেক সময়।
মনে রাখতে হবে হরমোনের
ভারসাম্যের জন্যও কিন্তু ওভ্যুলেশন
ডিসঅর্ডার দেখা দিতে পারে।
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম :
ওভ্যুলেশনের জন্য প্রয়োজনীয়
ডিম্বাণু আদৌ ম্যাচিওর করে না।
আসলে এসব মহিলার একটা নির্দিষ্ট
প্যাটার্নে এগ বা ডিম্বাণু তৈরি হয়
না। পলিসিস্টিক কেন?
একটা আলট্রাসাউন্ড করলেই
দেখা যাবে ওভারিকে ঘিরে রেখেছে অসংখ্য
ফলিকল বা সিস্ট। ঠিক যেন মুক্তোর
মালার মতো। ডিম্বাণুর অনিয়মিত
বৃদ্ধির জন্যই পিরিয়ড বিঘ্নিত হয়।
সময়ের ঠিক থাকে না,
কবে হবে জানাও যায় না।
এরা ওভারওয়েট। ব্রণ থাকবে,
তৈলাক্ত ত্বক, মাথার চুলও কমবে।
শরীর বেশ রোমশ হয়ে যায়।
ওভারিতে হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট
হয়, পুরুষ হরমোন অ্যান্ড্রোজনের
মাত্রা বাড়ে। তাই যত বিভ্রাট।
হাইপারপ্রোল্যাকটিনিমিয়া :
চাইল্ডবার্থের পর পিটুইটরি গ্ল্যান্ড
তৈরি করে প্রোল্যাকটিন। উদ্দেশ্য
মিল্ক সিক্রিশন বাড়ানো। ব্রেস্ট
ফিড করান না এমন মহিলার
যদি প্রোল্যাকটিন বেড়ে যায়,
তাহলে পিরিয়ড বিঘ্নিত হবে।
বুকে দুধও
অস্বাভাবিকভাবে তৈরি হয়। এসব
মহিলার পিটুইটারিতে ছোট বিনাইন
টিউমার থাকাও অসম্ভব নয়।
তাতে মাথাব্যথা হবে,
চোখে দেখার সমস্যাও হতে পারে।
প্রি-ম্যাচিওর মেনোপজ :
৪৫ থেকে ৫০, এটাই মেনোপজের গড়
বয়স। ১ থেকে ২% মহিলার
ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অনেক
তাড়াতাড়ি ঘটতে পারে। এরা অসুস্থ,
এমনটা ভাবার কারণ নেই।
এরা আসলে ওভারিতে কম সংখ্যক এগ
নিয়ে জন্মান।
তবে ক্রোমোজমে বৈষম্য, ইনফেকশন,
সিস্ট/টিউমার, সার্জারি,
রেডিয়েশন
অথবা কেমোথেরাপিতে ওভারিয়ান
ফেলিওর ত্বরান্বিত হয়।
হেভি অথবা অনিয়মিত পিরিয়ড
কিন্তু আপনার ওয়েক-আপ কল। দ্রুত
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাহায্য
নিন। সঙ্গে ওবেসিটি, অস্বাভাবিক
হেয়ার গ্রোথ, মিল্ক সিক্রিশন
বা মাথা ব্যথা হলে একদম দেরি না।
ওভ্যুলেশন প্রবলেম
থাকলে যে নারী কনসিভ করার
চেষ্টা করছেন,
তাকে তো অবিলম্বে পরামর্শ নিতেই
হবে।

আমাদের দেশে সাধারণভাবে ১২
বছরের মধ্যে মেয়েদের পিরিয়ড শুরু
হয়ে যায়। যদি কারো খুব ছোটবেলায়
বা বেশি বড় বয়সে পিরিয়ড শুরু হয়
তা হলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের
সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। অতিরিক্ত
আগে (প্রিকয়েশিয়াস পিউবার্টি)
মাসিক হয় ডিম্বাশয়ে (ওভারি)
বিশেষ ধরনের টিউমার থাকলে।
সে ক্ষেত্রে আলট্রাসনোগ্রাফি বা অন্য
কয়েকটি পরীক্ষায় কারণ নির্ণয়
সম্ভব। খুব বেশি দেরিতে মাসিক
হলে (ডিলেট মেনার্কি) অন্য
শারীরিক লক্ষণ যেমন
অ্যাকসিলারি হেয়ার, ব্রেস্ট বাড,
পিউবিক হেয়ার এসব
ঠিকমতো হয়েছে কি না দেখা দরকার।
এ ক্ষেত্রেও
আলট্রাসনোগ্রাফি করে দেখে নেয়া হয়
ইউটেরাস, ওভারি সব ঠিকঠাক
আছে কি না। তাছাড়া রক্তের কিছু
পরীক্ষা করে হরমোন স্টেটাস,
টিউবারকুলোসিস
হয়েছে কি না (এমনকি এলাইজা টেস্ট)
এবং দরকার হলে সেক্স ক্রোমাটিন
স্টাডিও করতে হতে পারে।
সুতরাং খুব
আগে বা পরে হলে নিজে থেকেই
তা একটি স্বাভাবিক
ঘটনা বলে বসে থাকা উচিত হবে না।
এক্ষেত্রে বাবা-মার
সচেতনতা জরুরি।
তাড়াতাড়ি ডাক্তারকে জানানো উচিত।
অনেক মেয়ের মাসিক ঠিকমতো শুরু
হলেও ৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত
অনিয়মিত পিরিয়ড হয়।
মাসে হয়তো দুবার কিংবা দু'তিন
মাসে হয়তো হলোই না। এই
সমস্যাটিতে বিশে ষ চিন্তিত হওয়ার
কিছু নেই। ছোট মেয়েদের হরমোনাল
ব্যালান্স আসতে অনেক সময় কয়েক
মাস বা বছর সময় লেগে যায়।
কোনো হরমোন বড়ি দিয়ে চিকিৎসার
দরকার পড়ে না। সুষম পুষ্টিকর আহার,
স্বাস্থ্যবিধি ও পরিচ্ছন্ন জীবন-
যাপনই এ সমস্যার সমাধান করে।
অনেকের অল্প বয়সে অতিরিক্ত
রক্তস্রাব হয়। এক্ষেত্রেও
কোনো হরমোন দেয়া উচিত নয়।
চিকিৎসকের পরামর্শ
অনুযায়ী নিশ্চিত হওয়ার দরকার
যে জরায়ু বা ডিম্বাশয়ে টিউমার
জাতীয় কিছু আছে কি নেই। অবশ্যই
দরকার রক্ত পরীক্ষা, কারণ অনেক সময়
রক্তাল্পতা বা থাইরয়েড
অথবা হরমোনের সমস্যার জন্যও এই
উপসর্গগুলো হতে পারে।
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রম
(স্টেন লিভেনথাল সিনড্রম) এই
অসুখটিতে অল্প
বয়সী মেয়েরা বেশিভাবে আক্রান্ত।
সম্ভবত টেনশন, অত্যধিক মানসিক চাপ,
প্রতিযোগিতা, ওভার মেডিকেশন,
অতিরিক্ত কীটনাশক
ব্যবহারে পরিবেশ দূষণ-
নানা কারণে অন্য সব রোগের
মতো এই রোগও বেড়ে যাচ্ছে। এই
অসুখে মেয়েরা সাধারণভাবে একটু
মোটা হয়ে যায়, মাসিক অনিয়মিত ও
খুব কম হয়। এই রোগে ইউটেরাসের
পাশে যে দুটি ডিম্বাশয়
বা ওভারি থাকে, তাতে ঘামাচির
মতো ছোট ছোট সিস্ট দেখা দেয়।
ফলে ডিম্বাণু
প্রতিমাসে ওভারি থেকে বের
হতে পারে না অর্থাৎ ওভিউলেশন হয়
না। আগে এর সার্জিক্যাল
চিকিৎসা থাকলেও এখন মেডিকেল
চিকিৎসাই করা হয়।
আলট্রাসনোগ্রাফি ও রক্ত পরীক্ষায়
রোগ নির্ণীত হলে মেটফরজিন
জাতীয় ওষুধ ও প্রয়োজনে হরমোন
দেয়া হয়। চিকিৎসা করতে হয় অন্তত ৬
মাস, হাল
না ছেড়ে দিলে চিকিৎসায় সম্পূর্ণ
সেরে যায় এবং ভবিষ্যৎ
দাম্পত্যজীবন ও সন্তান
ধারণে কোনো বাধা থাকে না।
অল্প বয়সে ওবেসিটি বা হঠাৎ
মোটা হওয়া
আজকাল নিউক্লিয়ার
ফ্যামিলিতে একটি বা দুটি সন্তানের
অতিরিক্ত ভালো খাওয়া-দাওয়া ও
কোনো রকম শরীর চর্চা না করাই এর
কারণ। ডায়েটিশিয়ানের
পরামর্শে সঠিক খাবার ও
ব্যায়ামে সুস্থ শরীর
ফিরিয়ে আনা সম্ভব। অতিরিক্ত
মোটার অন্য কারণ পলিসিস্টিক
ওভারি সিনড্রম,

জেনে নিন ঘুমানোর
সময়ে ব্রা পরে ঘুমানোর কিছু
ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে।
█ রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত:-
রাতে ঘুমানোর সময়ে ব্রা পড়ার
অভ্যাস থাকলে ঘুমের মধ্যে আপনার
রক্তচলাচলে ব্যাঘাত ঘটার
সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ
করে অতিরিক্ত টাইট ইলাস্টিক
থাকলে স্বাভাবিক রক্ত
চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে।
ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়।
█ ত্বকে দাগ বসে যায়:-
ঘুমানোর সময়ে নিয়মিত ব্রা পড়ার
অভ্যাস থাকলে আপনার
ত্বকে ধীরে ধীরে ব্রায়ের
ইলাস্টিকের দাগ
বসে যেতে পারে। বিশেষ
করে অতিরিক্ত টাইট ইলাস্টিক
হলে দাগ পড়ার
সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই
রাতে ঘুমানোর সময়ে ব্রা না পরাই
ভালো।
█ ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে:-
অতিরিক্ত টাইট
ব্রা পরে ঘুমাতে গেলে ঘুমে ব্যাঘাত
ঘটে। কারণ অতিরিক্ত টাইট
ব্রা পরে আপনি অস্বস্তিবোধ
করবেন এবং রাতে আপনার গভীর ঘুম
হবে না। ফলে সারাদিন
ক্লান্তি অনুভূত হবে আপনার।
█ ত্বক চুলকাতে পারে:-
টাইট
ফিটিং ব্রা পরে ঘুমালে রাতে ত্বকে চুলকানি অনুভূত
হতে পারে। বিশেষ
করে সুতি কাপরের ব্রা না হলে এই
সমস্যা দেখা দেয়ার
সম্ভাবনা বেশি।
যারা রাতে একেবারেই
ব্রা ছাড়া ঘুমাতে পারেন
না তাদেরকে ডাক্তাররা স্পোর্টস
ব্রা পরে ঘুমানোর পরামর্শ
দিয়ে থাকেন। স্পোর্টস
ব্রা স্বাস্থ্যের
কোনো ক্ষতি করে না।
█ ক্যান্সার:-
ব্রা পরে ঘুমালে ক্যান্সার হয়
নাকি হয় না এটা নিয়ে অনেকদিন
ধরেই তর্ক-বিতর্ক চলছে। কেউ
বলছেন নিয়মিত
ব্রা পরে ঘুমালে ব্রেস্ট ক্যান্সার
হতে পারে আবার কেউ বলছেন
হয়না। তবে বেশ কিছু গবেষণায়
জানানো হয়েছে যে নিয়মিত টাইট
ফিটিং ব্রা পরে ঘুমালে ব্রেস্ট
ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই
বেড়ে যায়।
█ নন ক্যান্সারাস লাম্প:-
সিস্ট এবং লাম্প হলো নন
ক্যান্সারাস টিস্যু। অতিরিক্ত টাইট
ফিটিং এর ব্রা পরে নিয়মিত
রাতে ঘুমানোর অভ্যাস
থাকলে ব্রেস্টে সিস্ট এবং নন
ক্যান্সারাস লাম্প এর
সৃষ্টি হতে পারে যা পরবর্তিতে নানান
রকম সমস্যা করে।'

Unordered List

Flag Counter

Admission Open

Visitor

Online


widgeo.net

ফেসবুকে পেজ

প্রয়োজনিয় ঠিকানা

Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks

Test

NEW LAUNCHED

Powered by Blogger.

Earn

তাপমাত্রা

Followers

About Me

My Photo
রাসেল ফার্মেসী রাণীহাটি বাজার, মন্ত্রী মার্কেট, শিবগঞ্জ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ। এই www.raselpharmacy.blogspot.com (রাসেল ফার্মেসী ) ব্লগটি স্বাস্থ্য বিষয় সচেতনতা মুলক টিপস নিয়ে সাজানো হয়েছে । যা আসা করি আপনাদের কাজে আসবে । আপানর যে কোন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যা আমদের খুলে বলুন। আমরা চেষ্টা করব এর সমাধান দিতে। এছাড়াও ফেসবুকে পেতে ভিজিট করুন https://www.facebook.com/Raselpharmacy

Featured Posts

Popular Posts

Recent Post

Blogger Tips and TricksLatest Tips For BloggersBlogger Tricks

Just Click To Earn Money

Count Posts & Comments

আপনার এই ব্লগটি কেমন লেগেছে ?

Text Widget

এই ব্লগের লেখা নিজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিভিন্ন বই,ওয়েবসাইট ও ব্লগ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, তাদের কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করছি।

Rolling Pictures

বিজ্ঞাপন

0

Add